ঢাকা ০৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জীবিত থাকতেই নিজের চল্লিশার আয়োজন, দাওয়াত ৬ হাজার মানুষকে নেপালে আকস্মিক বন্যায় ৩২০ ভারতীয় নাগরিক নিখোঁজ আবাসন সংকটে ২০তম এশিয়ান গেমস, বিপাকে আয়োজক জাপান নারীদের স্বাবলম্বী করতে পারলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বদলাবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদীতে ফুটবল খেলতে গিয়ে মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজ বীরগঞ্জে বিপুল সার জব্দ, ম্যানেজারকে ৩ মাসের কারাদণ্ড চেলসিতে যোগ দিচ্ছেন বিশ্বকাপজয়ী গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ আগামী সোমবার মন্ত্রিসভায় উঠতে পারে নতুন পে-স্কেল খুলনায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতনতার আহ্বান খুলনায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান

জিপিএ ৫-এর আড়ালে কৌশল অবলম্বনের অভিযোগ, শিক্ষা বোর্ডের তলব

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নরসিংদী সদর উপজেলার আলোচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ জিপিএ ৫ অর্জন করে রেকর্ড গড়েছে। তবে এই অভাবনীয় সাফল্যের পেছনে নিয়মবহির্ভূত কৌশল অবলম্বনের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

অভিযোগ রয়েছে, শতভাগ জিপিএ ৫ পাওয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রতিষ্ঠানটি নির্বাচনি পরীক্ষাকে শিক্ষার্থীদের বাছাই করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। অভিভাবকদের দাবি, প্রথম শ্রেণি থেকে পড়াশোনা করা অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীকে মূল পরীক্ষায় অংশ নিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনি পরীক্ষায় বাদ পড়া অনেক শিক্ষার্থী বাধ্য হয়ে নরসিংদীর অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে শুধু সানবীম স্কুলেই ভর্তি হয়েছে প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে ২৫ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন জানান, তাদের নির্বাচনি পরীক্ষায় ৪৮৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে ১০১ জন অকৃতকার্য হওয়ায় ৩৮২ জনকে মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিষয়টি তদন্তের জন্য ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড গত রোববার একটি অফিস আদেশ জারি করেছে। বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক অধ্যাপক ড. মো. মাসুদ রানা খানের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশে প্রতিষ্ঠানটির কাছে বেশ কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী, নবম শ্রেণিতে নিবন্ধিত শিক্ষার্থী, এসএসসি নির্বাচনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী এবং এসএসসি পরীক্ষায় ফরম পূরণকারী শিক্ষার্থীদের তালিকা। সেই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের পাঠদান, বিভাগ এবং অতিরিক্ত শ্রেণি শাখার অনুমতিপত্রও জমা দিতে বলা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

জিপিএ ৫-এর আড়ালে কৌশল অবলম্বনের অভিযোগ, শিক্ষা বোর্ডের তলব

আপডেট সময় : ০৮:০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

নরসিংদী সদর উপজেলার আলোচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ জিপিএ ৫ অর্জন করে রেকর্ড গড়েছে। তবে এই অভাবনীয় সাফল্যের পেছনে নিয়মবহির্ভূত কৌশল অবলম্বনের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

অভিযোগ রয়েছে, শতভাগ জিপিএ ৫ পাওয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রতিষ্ঠানটি নির্বাচনি পরীক্ষাকে শিক্ষার্থীদের বাছাই করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। অভিভাবকদের দাবি, প্রথম শ্রেণি থেকে পড়াশোনা করা অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীকে মূল পরীক্ষায় অংশ নিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনি পরীক্ষায় বাদ পড়া অনেক শিক্ষার্থী বাধ্য হয়ে নরসিংদীর অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে শুধু সানবীম স্কুলেই ভর্তি হয়েছে প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে ২৫ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন জানান, তাদের নির্বাচনি পরীক্ষায় ৪৮৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে ১০১ জন অকৃতকার্য হওয়ায় ৩৮২ জনকে মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিষয়টি তদন্তের জন্য ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড গত রোববার একটি অফিস আদেশ জারি করেছে। বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক অধ্যাপক ড. মো. মাসুদ রানা খানের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশে প্রতিষ্ঠানটির কাছে বেশ কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী, নবম শ্রেণিতে নিবন্ধিত শিক্ষার্থী, এসএসসি নির্বাচনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী এবং এসএসসি পরীক্ষায় ফরম পূরণকারী শিক্ষার্থীদের তালিকা। সেই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের পাঠদান, বিভাগ এবং অতিরিক্ত শ্রেণি শাখার অনুমতিপত্রও জমা দিতে বলা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh