ঢাকা ০১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বেড়েছে ২৪০ শতাংশ সুবর্ণচরে চোরাই গরু বিক্রির অভিযোগে যুবদল নেতা ফারুক বহিষ্কার আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার ঘোষণা বিএনপির, পাশে থাকার আহ্বান জনগণের প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে বিশেষ সহায়তা দেবে সরকার: ড. তিতুমীর ইসিবি চত্বরে আবাসন প্রকল্পে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী শাহরিয়া জনবল সংকটে ধুঁকছে বার আউলিয়া হাইওয়ে থানা, ভরসা এক সার্জেন্ট বিশ্বে প্রতি আটটি ক্যান্সারের একটি সংক্রমণের কারণে হচ্ছে সাভারে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল প্রথম আলো ও শিখো মিয়ানমারের রাখাইনে জান্তার বিমান হামলা, নিহত ৪৯ কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসায়ীদের দমনে বড় অভিযানের ভাবনা

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজ্যসভায় এড়িয়ে গেলেন ভারতীয় মন্ত্রী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়নের জন্য ভারত কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, সে বিষয়ে ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় লিখিত প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং। বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ থেকে নির্বাচিত বিরোধী দলীয় সদস্য রাজীব কুমারের তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিলেও, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রশ্নটির কোনো লিখিত জবাব তিনি দেননি।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সাবেক প্রধান ও তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য রাজীব কুমার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে চারটি সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন করেছিলেন। এর মধ্যে ছিল ভারত-বাংলাদেশের সংযুক্তি, ভিসা প্রক্রিয়া এবং সম্পর্কের উন্নয়নের বিষয়টি। তিনি জানতে চেয়েছিলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়নের জন্য বর্তমান সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এছাড়া তিনি বিবিআইএন (বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল) উদ্যোগের বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশের সড়ক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের পণ্য পরিবহনের বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা আছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

রাজ্যসভায় দেওয়া লিখিত উত্তরে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তঃসীমান্ত সংযুক্তির প্রকল্পগুলো এগিয়ে নিতে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে সড়ক ও রেল-সংযোগের উন্নয়ন, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ করা এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ভিসা সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিটি ভিসা আবেদন পৃথকভাবে যাচাই করা হয় এবং আবেদনকারীর দেওয়া নথিপত্র ও প্রয়োজনে সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে প্রক্রিয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়। তবে চিকিৎসা ভিসার আবেদনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয় এবং প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আবেদন জমা দেওয়ার পর সাধারণত পাঁচ থেকে ছয় কর্মদিবসের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করা হয়। ভারতের ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলো (আইভিএসি) আবেদনকারীদের তথ্য ও দিকনির্দেশনা দিয়ে সহায়তা করে থাকে এবং কোনো প্রক্রিয়াগত জটিলতা দেখা দিলে তা সমাধানের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজ্যসভায় এড়িয়ে গেলেন ভারতীয় মন্ত্রী

আপডেট সময় : ১২:০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়নের জন্য ভারত কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, সে বিষয়ে ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় লিখিত প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং। বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ থেকে নির্বাচিত বিরোধী দলীয় সদস্য রাজীব কুমারের তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিলেও, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রশ্নটির কোনো লিখিত জবাব তিনি দেননি।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সাবেক প্রধান ও তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য রাজীব কুমার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে চারটি সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন করেছিলেন। এর মধ্যে ছিল ভারত-বাংলাদেশের সংযুক্তি, ভিসা প্রক্রিয়া এবং সম্পর্কের উন্নয়নের বিষয়টি। তিনি জানতে চেয়েছিলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়নের জন্য বর্তমান সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এছাড়া তিনি বিবিআইএন (বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল) উদ্যোগের বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশের সড়ক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের পণ্য পরিবহনের বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা আছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

রাজ্যসভায় দেওয়া লিখিত উত্তরে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তঃসীমান্ত সংযুক্তির প্রকল্পগুলো এগিয়ে নিতে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে সড়ক ও রেল-সংযোগের উন্নয়ন, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ করা এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ভিসা সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিটি ভিসা আবেদন পৃথকভাবে যাচাই করা হয় এবং আবেদনকারীর দেওয়া নথিপত্র ও প্রয়োজনে সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে প্রক্রিয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়। তবে চিকিৎসা ভিসার আবেদনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয় এবং প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আবেদন জমা দেওয়ার পর সাধারণত পাঁচ থেকে ছয় কর্মদিবসের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করা হয়। ভারতের ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলো (আইভিএসি) আবেদনকারীদের তথ্য ও দিকনির্দেশনা দিয়ে সহায়তা করে থাকে এবং কোনো প্রক্রিয়াগত জটিলতা দেখা দিলে তা সমাধানের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo