মন্ত্রিসভায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনসহ তিন গুরুত্বপূর্ণ খসড়ার অনুমোদন
- আপডেট সময় : ০২:০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ১৬তম বৈঠকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ খসড়া আইন ও নীতিমালার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৬’, ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন ২০২৬’ এবং ‘ভিসা নীতিমালা ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।
মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও নিশ্চিতকরণ রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য এবং অঙ্গীকার। জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সনদ ও চুক্তির প্রতি বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় একটি কার্যকর ও স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন গঠনের লক্ষ্যে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।
বৈঠকে অনুমোদিত ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন ২০২৬’-এর প্রেক্ষাপটে জানানো হয়, আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এবং ব্যাংকিং খাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় পূর্বে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ ২০২৫’ জারি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তা আইনে রূপান্তরের সময় গ্রাহক স্বার্থ ও আর্থিক দায়ভার বিবেচনায় ১৮ক ধারাটি যুক্ত করা হয়েছিল। তবে এই ধারার সব শর্ত পরিপালন করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায়, ধারাটি বিলুপ্ত করার উদ্দেশ্যে সংশোধনী আইনটির খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বিদেশিদের বাংলাদেশে আগমন ও প্রস্থান সহজতর করা, বিদেশি বিনিয়োগ ও দক্ষ মানবসম্পদ আকৃষ্ট করা, পর্যটন খাতকে উৎসাহিত করা এবং আধুনিক অভিবাসন কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘ভিসা নীতিমালা ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে। বিদ্যমান ভিসা পদ্ধতিকে যুগোপযোগী ও নিরাপদ করার লক্ষ্যে এই নতুন নীতিমালায় ভিসার ক্যাটাগরি ৩৩টি থেকে বাড়িয়ে ৩৪টি নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিদ্যমান ভিসা পদ্ধতিকে যুগোপযোগী, নিরাপদ, গতিশীল ও সহজ করার উদ্দেশ্যে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। ‘ভিসা নীতিমালা, ২০০৬’-এ ভিসার ৩৩টি ক্যাটাগরি ছিল। নতুন নীতিমালায় ৩৪টি ভিসা ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হয়েছে।




























