ঢাকা ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেসির জোড়া গোল ও অ্যাসিস্টে আটলান্টাকে হারাল ইন্টার মায়ামি মধ্যপ্রদেশে মন্দিরের কাছে ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ১২ ভক্ত সৌদির নাজরানে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ২ ক্রু পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা দমনে ইসরাইলকে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান ইসলামী অর্থব্যবস্থায় ধনী-গরিবের ভারসাম্য ও সম্পদের বণ্টন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৫৩৮৬ জন হুতিদের চারটি ড্রোন ভূপাতিত করল সৌদি জোট, সহায়তায় প্রস্তুত মিশর বরুড়ায় বিজরা-রহিমানগর সড়ক নির্মাণে দরপত্র অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগ মুম্বাইয়ে অজয় দেবগণের বাংলোর অবৈধ অংশ ভাঙল পৌরসভা কলকাতার পূজামণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৯

৫৪ বছর বয়সে এসএসসি পাস করে স্বপ্ন পূরণ করলেন আলী আকবর

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৪২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছেলেকে ডাক্তার এবং মেয়েকে নার্স হিসেবে গড়ে তোলার পর নিজের অপূর্ণ স্বপ্ন পূরণে ৫৪ বছর বয়সে এসএসসি পাস করেছেন নাটোরের বাগাতিপাড়া পৌরসভার পেড়াবাড়িয়ার বাসিন্দা আলী আকবর। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রাজশাহীর নওহাটা সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি হাই স্কুল থেকে তিনি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৪.৩৫ অর্জন করেছেন। তার এই সাফল্যে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক কৌতুহল ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

আলী আকবর জানান, সংসারের অভাব-অনটনের কারণে একসময় পড়াশোনা ছেড়ে দিতে হয়েছিল তাকে। নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে তিনি সন্তানদের মানুষ করেছেন। চরম দারিদ্র্যের মধ্যে পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়ে বাবার সঙ্গে কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। পরবর্তীতে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে রাজশাহীতে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চাকরি করে সন্তানদের পড়াশোনার খরচ জুগিয়েছেন। এখন সন্তানরা প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় ৫৪ বছর বয়সে তিনি পুনরায় পড়াশোনা শুরু করেন এবং প্রথমবারেই কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন।

তার ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন এবং মেয়ে ফাতেমা খাতুন রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সন্তানদের প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দেওয়া বাবার এই সাফল্যে তারা অত্যন্ত আনন্দিত। ডা. ইসমাইল হোসেন জানান, তার বাবাকে উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি করানো হবে।

বর্তমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আলী আকবর বলেন, পড়াশোনার জন্য বয়স কোনো বাধা নয়। সফল হতে হলে মনোবল, অধ্যবসায় ও নিয়মিত অনুশীলনের প্রয়োজন।

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ০৯আপডেট : ১০ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ২১

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

৫৪ বছর বয়সে এসএসসি পাস করে স্বপ্ন পূরণ করলেন আলী আকবর

আপডেট সময় : ০৬:৪২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

ছেলেকে ডাক্তার এবং মেয়েকে নার্স হিসেবে গড়ে তোলার পর নিজের অপূর্ণ স্বপ্ন পূরণে ৫৪ বছর বয়সে এসএসসি পাস করেছেন নাটোরের বাগাতিপাড়া পৌরসভার পেড়াবাড়িয়ার বাসিন্দা আলী আকবর। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রাজশাহীর নওহাটা সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি হাই স্কুল থেকে তিনি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৪.৩৫ অর্জন করেছেন। তার এই সাফল্যে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক কৌতুহল ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

আলী আকবর জানান, সংসারের অভাব-অনটনের কারণে একসময় পড়াশোনা ছেড়ে দিতে হয়েছিল তাকে। নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে তিনি সন্তানদের মানুষ করেছেন। চরম দারিদ্র্যের মধ্যে পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়ে বাবার সঙ্গে কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। পরবর্তীতে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে রাজশাহীতে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চাকরি করে সন্তানদের পড়াশোনার খরচ জুগিয়েছেন। এখন সন্তানরা প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় ৫৪ বছর বয়সে তিনি পুনরায় পড়াশোনা শুরু করেন এবং প্রথমবারেই কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন।

তার ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন এবং মেয়ে ফাতেমা খাতুন রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সন্তানদের প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দেওয়া বাবার এই সাফল্যে তারা অত্যন্ত আনন্দিত। ডা. ইসমাইল হোসেন জানান, তার বাবাকে উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি করানো হবে।

বর্তমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আলী আকবর বলেন, পড়াশোনার জন্য বয়স কোনো বাধা নয়। সফল হতে হলে মনোবল, অধ্যবসায় ও নিয়মিত অনুশীলনের প্রয়োজন।

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ০৯আপডেট : ১০ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ২১

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh