ঢাকা ১১:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বরগুনার ‘নিদ্রার চর’: রূপময় প্রকৃতি ও টেকসই পর্যটনের আহ্বান জয়পুরহাটে ল্যাপটপ ও সার ডিলারশিপে অনিয়মের অভিযোগে বিএনপি নেতার পোস্ট মেসির জোড়া গোল ও অ্যাসিস্টে আটলান্টাকে হারাল ইন্টার মায়ামি মধ্যপ্রদেশে মন্দিরের কাছে ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ১২ ভক্ত সৌদির নাজরানে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ২ ক্রু পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা দমনে ইসরাইলকে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান ইসলামী অর্থব্যবস্থায় ধনী-গরিবের ভারসাম্য ও সম্পদের বণ্টন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৫৩৮৬ জন হুতিদের চারটি ড্রোন ভূপাতিত করল সৌদি জোট, সহায়তায় প্রস্তুত মিশর বরুড়ায় বিজরা-রহিমানগর সড়ক নির্মাণে দরপত্র অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগ

ইসলামী অর্থব্যবস্থায় ধনী-গরিবের ভারসাম্য ও সম্পদের বণ্টন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৩১:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তি হলো সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে অর্থব্যবস্থা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, আর ইসলামি সমাজব্যবস্থা একটি মিশ্র অর্থব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করেই প্রতিষ্ঠিত। আল্লাহতায়ালা পৃথিবীর শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে মানুষের চাহিদা অনুযায়ী সম্পদের পরিমাণ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তিনি মানুষের অন্তর দেখেন এবং সম্পদ বা দারিদ্র্যের মাধ্যমে তাদের পরীক্ষা করেন। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, 'আল্লাহ তাঁর সব বান্দাকে রুজিতে প্রাচুর্য দিলে তারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করত। কিন্তু তিনি যে পরিমাণ ইচ্ছে সে পরিমাণই দিয়ে থাকেন। তিনি তাঁর বান্দাদের সম্যক জানেন, দেখেন' (সুরা শুরা : ২৭)।

বর্তমান বিশ্বে আর্থিক বৈষম্যের প্রধান কারণ হলো মানবতার অভাব। অর্থের প্রাচুর্য অনেক সময় মানুষের মধ্যে ভোগবিলাস, অহংকার, হিংসা-বিদ্বেষ ও কৃপণতা তৈরি করে, যা মানুষকে পশুপ্রবৃত্তির দিকে ধাবিত করে। এই অহংকার ও বৈষম্য নিয়ন্ত্রণে আল্লাহতায়ালা জাকাত ও ফিতরার বিধান নাজিল করেছেন, যা মানুষের চারিত্রিক বিশুদ্ধতা যাচাইয়ের একটি মাধ্যম।

বিশ্বের আটশো কোটি মানুষের মধ্যে মাত্র আটজনের হাতে যে পরিমাণ সম্পদ কুক্ষিগত রয়েছে, তা পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক মানুষের মোট সম্পদের সমান। এই মুষ্টিমেয় ধনী ব্যক্তি চাইলে একটি রাষ্ট্রের সম্পূর্ণ চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম, কিন্তু তা না করার ফলে সাধারণ মানুষ কষ্টের শিকার হচ্ছে। ইসলামি বিধান অনুযায়ী, যদি সম্পদশালীদের সম্পদ অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া হয়, তবেই সমাজে প্রকৃত শান্তি ও ভারসাম্য ফিরে আসবে এবং সামগ্রিক উন্নতি সাধিত হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসলামী অর্থব্যবস্থায় ধনী-গরিবের ভারসাম্য ও সম্পদের বণ্টন

আপডেট সময় : ১০:৩১:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তি হলো সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে অর্থব্যবস্থা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, আর ইসলামি সমাজব্যবস্থা একটি মিশ্র অর্থব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করেই প্রতিষ্ঠিত। আল্লাহতায়ালা পৃথিবীর শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে মানুষের চাহিদা অনুযায়ী সম্পদের পরিমাণ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তিনি মানুষের অন্তর দেখেন এবং সম্পদ বা দারিদ্র্যের মাধ্যমে তাদের পরীক্ষা করেন। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, 'আল্লাহ তাঁর সব বান্দাকে রুজিতে প্রাচুর্য দিলে তারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করত। কিন্তু তিনি যে পরিমাণ ইচ্ছে সে পরিমাণই দিয়ে থাকেন। তিনি তাঁর বান্দাদের সম্যক জানেন, দেখেন' (সুরা শুরা : ২৭)।

বর্তমান বিশ্বে আর্থিক বৈষম্যের প্রধান কারণ হলো মানবতার অভাব। অর্থের প্রাচুর্য অনেক সময় মানুষের মধ্যে ভোগবিলাস, অহংকার, হিংসা-বিদ্বেষ ও কৃপণতা তৈরি করে, যা মানুষকে পশুপ্রবৃত্তির দিকে ধাবিত করে। এই অহংকার ও বৈষম্য নিয়ন্ত্রণে আল্লাহতায়ালা জাকাত ও ফিতরার বিধান নাজিল করেছেন, যা মানুষের চারিত্রিক বিশুদ্ধতা যাচাইয়ের একটি মাধ্যম।

বিশ্বের আটশো কোটি মানুষের মধ্যে মাত্র আটজনের হাতে যে পরিমাণ সম্পদ কুক্ষিগত রয়েছে, তা পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক মানুষের মোট সম্পদের সমান। এই মুষ্টিমেয় ধনী ব্যক্তি চাইলে একটি রাষ্ট্রের সম্পূর্ণ চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম, কিন্তু তা না করার ফলে সাধারণ মানুষ কষ্টের শিকার হচ্ছে। ইসলামি বিধান অনুযায়ী, যদি সম্পদশালীদের সম্পদ অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া হয়, তবেই সমাজে প্রকৃত শান্তি ও ভারসাম্য ফিরে আসবে এবং সামগ্রিক উন্নতি সাধিত হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh