ঢাকা ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে অবশেষে চালু হলো এসি হাসিনার বক্তব্যের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই, জানাল ভারত জবির লোক প্রশাসন বিভাগে নতুন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন ১৪ দেশের সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটের কমান্ডার হিসেবে আল-শেহরির নিয়োগ ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা ও বন্যার আশঙ্কা থাইল্যান্ডের স্কুলে কিশোরের গুলিবর্ষণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নিহত ৭ ঘুষের টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কর্মস্থল ছাড়লেন বন কর্মকর্তা কিশোরগঞ্জে নিজ মৎস্য খামারে সাবেক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার হাসিনাকে ষড়যন্ত্রের সুযোগ দেওয়ায় ভারতের তীব্র নিন্দা জানাল জামায়াত সৌদিতে দুই ফ্রন্ট থেকে হামলার আশঙ্কা, সতর্কবার্তা রিয়াদের

নদী দূষণ রোধে কোনো অবহেলার সুযোগ নেই: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৩:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

নদীদূষণ বর্তমানে এক দুর্বিষহ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, নদী দূষণ রোধে কঠোর ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে কোনো ধরনের অবহেলার সুযোগ নেই। কেবল কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করলেই হবে না, এর কার্যকর বাস্তবায়নও নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে।

আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে ‘বুড়িগঙ্গাসহ রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদী ও পরিবেশ উন্নয়ন’ শীর্ষক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন।

বৈঠকে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যাসহ রাজধানী সংলগ্ন নদীগুলোর বর্তমান পরিবেশগত অবস্থা, দূষণের উৎস এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। নদীদূষণের প্রধান কারণ হিসেবে শিল্পকারখানার অপরিশোধিত বর্জ্য নিঃসরণ, অপর্যাপ্ত পয়ঃনিষ্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খালের নাব্যতা হ্রাস এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

দূষণ রোধে শিল্পকারখানায় বর্জ্য শোধনাগার বা ইটিপি কার্যকরভাবে পরিচালনা, খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দূষণকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া বিদ্যমান পরিবেশ আইন কার্যকরভাবে প্রয়োগ এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পরিবেশবাদী সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় জনগণকে এই কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে রাজধানীর চারপাশের নদীদূষণ রোধে একটি সমন্বিত ও সময়বদ্ধ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে একটি আন্তঃসংস্থা সমন্বয় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই কমিটি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কার্যক্রম সমন্বয় করবে এবং নিয়মিত বিরতিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেবে।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, ঢাকা নৌ এলাকার কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আবদুল্লাহ-আল-মাকসুস, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ. বি. এম. আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

নদী দূষণ রোধে কোনো অবহেলার সুযোগ নেই: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:৫৩:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
print news

নদীদূষণ বর্তমানে এক দুর্বিষহ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, নদী দূষণ রোধে কঠোর ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে কোনো ধরনের অবহেলার সুযোগ নেই। কেবল কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করলেই হবে না, এর কার্যকর বাস্তবায়নও নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে।

আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে ‘বুড়িগঙ্গাসহ রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদী ও পরিবেশ উন্নয়ন’ শীর্ষক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন।

বৈঠকে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যাসহ রাজধানী সংলগ্ন নদীগুলোর বর্তমান পরিবেশগত অবস্থা, দূষণের উৎস এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। নদীদূষণের প্রধান কারণ হিসেবে শিল্পকারখানার অপরিশোধিত বর্জ্য নিঃসরণ, অপর্যাপ্ত পয়ঃনিষ্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খালের নাব্যতা হ্রাস এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

দূষণ রোধে শিল্পকারখানায় বর্জ্য শোধনাগার বা ইটিপি কার্যকরভাবে পরিচালনা, খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দূষণকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া বিদ্যমান পরিবেশ আইন কার্যকরভাবে প্রয়োগ এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পরিবেশবাদী সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় জনগণকে এই কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে রাজধানীর চারপাশের নদীদূষণ রোধে একটি সমন্বিত ও সময়বদ্ধ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে একটি আন্তঃসংস্থা সমন্বয় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই কমিটি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কার্যক্রম সমন্বয় করবে এবং নিয়মিত বিরতিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেবে।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, ঢাকা নৌ এলাকার কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আবদুল্লাহ-আল-মাকসুস, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ. বি. এম. আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin