সমকামিতার অভিযোগ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাবিধিতে শাস্তির বিধান নেই
- আপডেট সময় : ০৩:৪৯:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলে সমকামিতায় জড়ানোর অভিযোগ নিয়ে সম্প্রতি ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল এবং মাস্টারদা সূর্য সেন হলে এ ধরনের দুটি ঘটনার জেরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক, তদন্ত এবং পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ঘটনা ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শৃঙ্খলাবিধিতে সমকামিতার মতো বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে শাস্তির কী বিধান রয়েছে।
১৯৭৩ সালের ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ’ এবং হল-সংক্রান্ত বিধি অনুযায়ী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই বিধিগুলোতে সমকামিতাকে আলাদা করে ‘শৃঙ্খলাভঙ্গ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি এবং এর জন্য কোনো শাস্তির বিধানও নেই। অতীতে এ ধরনের সমস্যা জোরালোভাবে সামনে না আসায় শৃঙ্খলাবিধিতে এটি অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন পড়েনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় সাধারণত অসদাচরণ, শৃঙ্খলাভঙ্গ, ক্যাম্পাসের পরিবেশ বিনষ্ট কিংবা আবাসিক হলের নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে তদন্ত করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সতর্ক করা, হল থেকে বহিষ্কার, সাময়িক বা স্থায়ী বহিষ্কারসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে সমকামিতার জন্য আলাদা কোনো লিখিত শাস্তির বিধান না থাকায় প্রশাসন এখন একটি নতুন নীতিমালা তৈরির কথা ভাবছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, বর্তমানে এসব অভিযোগ হল প্রশাসনের মাধ্যমে দেখা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এ বিষয়ে একটি নীতিমালা করা হবে।
এদিকে, মাস্টারদা সূর্য সেন হলের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর হলের আসন বাতিল করে তাঁকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে। হল প্রাধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিতে ‘নৈতিক স্থলনের’ জন্য শিক্ষার্থীকে হল থেকে বহিষ্কারের ক্ষমতা প্রাধ্যক্ষের রয়েছে এবং সমকামিতার ঘটনাকে তিনি নৈতিক স্থলনের আওতায় বিবেচনা করেন। অন্যদিকে, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলের ঘটনায় অভিযুক্ত দুই অতিথির বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং হল সংসদের এজিএস ইব্রাহীম খলিলের আবাসিক আসন সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিবার সন্ধ্যায় হলে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
উল্লেখ্য যে, রাষ্ট্রের দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারায় ‘প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে গিয়ে যেকোনো যৌন মিলনকে’ অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে, যা আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিজস্ব বিধি ও তদন্তপ্রক্রিয়া অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হচ্ছে।
এর প্রয়োগ আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ।.দুটি ঘটনায় বিতর্কঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সমকামিতাকে ঘিরে প্রথম ঘটনাটি জানা যায় গত ৩০ জুলাই, মাস্টারদা সূর্য সেন হলে।
তাঁর মতে, সমকামিতার ঘটনা নৈতিক স্থলনের আওতায় পড়ে।.আরেকটি ঘটনা ঘটে গত শনিবার (১ আগস্ট) ড.



























