ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালুর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিবপুরে অসহায় বৃদ্ধার পাশে উপজেলা প্রশাসন, পেলেন ঢেউটিন আগস্ট মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম কৃষক থেকে খুচরা বাজারে চালের দাম দ্বিগুণ: সিপিডি গবেষণা দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, এক মাসেই প্রাণ হারালেন ২৬ জন হজের বিমান ভাড়া আরও ২৫ হাজার টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার নির্ধারণ ৮৬ ডেপুটি ও ১৭৯ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দিল সরকার বাংলাদেশে এডিবির নতুন কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে যোগ দিলেন চিংফেং ঝাং ফার্নেস অয়েলের দাম কমল লিটারে ৮.৭১ টাকা চাঁদপুর পৌরসভার ২০৫ কোটির বাজেট ঘোষণা, নতুন কর নেই

যশোরে ধরা পড়লেন চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজি মামলার অন্যতম অভিযুক্ত মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) যশোরের ধুমধুমপুর এলাকায় বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে তাকে আটক করা হয়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ডেভিড ইমন চট্টগ্রামের কুখ্যাত শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে তিনি চট্টগ্রামে সাজ্জাদের পক্ষে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। সম্প্রতি নগরের বাকলিয়া এলাকায় একটি ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে বিপুল পরিমাণ চাঁদা দাবির ঘটনায় তার নাম নতুন করে আলোচনায় আসে।

অভিযোগ রয়েছে, বাকলিয়ার 'ডিজিটাল ডট নেট' (ডিডিএন) নামের একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (আইএসপি) কোম্পানির মালিকের কাছে এককালীন ২ কোটি টাকা এবং প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন ইমন। এই চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি সশস্ত্র দল ডিডিএন কার্যালয়ে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।

ওই ঘটনার পর তৎপর হয়ে ওঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশ ও র‍্যাব যৌথ অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করে। পরে র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করে যে, মাত্র ৫০০ টাকা দৈনিক ভাড়ার বিনিময়ে তাদের এই হামলার জন্য ভাড়া করা হয়েছিল এবং পুরো ঘটনার নেপথ্যে মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ডেভিড ইমন।

ইমনকে আইনের আওতায় আনতে এরপর থেকেই অভিযান জোরদার করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ জুলাই বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকা থেকে ইমনের দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগী আসিফ ও সাইদুল ইসলাম আরিফকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে সময় তাদের কাছ থেকে ইতালির তৈরি একটি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছিল। সহযোগীদের ধরা পড়ার মাত্র দুই দিনের মাথায় এবার পুলিশের জালে আটকা পড়লেন স্বয়ং ডেভিড ইমন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

যশোরে ধরা পড়লেন চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন

আপডেট সময় : ০৩:৩১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
print news

চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজি মামলার অন্যতম অভিযুক্ত মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) যশোরের ধুমধুমপুর এলাকায় বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে তাকে আটক করা হয়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ডেভিড ইমন চট্টগ্রামের কুখ্যাত শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে তিনি চট্টগ্রামে সাজ্জাদের পক্ষে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। সম্প্রতি নগরের বাকলিয়া এলাকায় একটি ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে বিপুল পরিমাণ চাঁদা দাবির ঘটনায় তার নাম নতুন করে আলোচনায় আসে।

অভিযোগ রয়েছে, বাকলিয়ার 'ডিজিটাল ডট নেট' (ডিডিএন) নামের একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (আইএসপি) কোম্পানির মালিকের কাছে এককালীন ২ কোটি টাকা এবং প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন ইমন। এই চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি সশস্ত্র দল ডিডিএন কার্যালয়ে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।

ওই ঘটনার পর তৎপর হয়ে ওঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশ ও র‍্যাব যৌথ অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করে। পরে র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করে যে, মাত্র ৫০০ টাকা দৈনিক ভাড়ার বিনিময়ে তাদের এই হামলার জন্য ভাড়া করা হয়েছিল এবং পুরো ঘটনার নেপথ্যে মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ডেভিড ইমন।

ইমনকে আইনের আওতায় আনতে এরপর থেকেই অভিযান জোরদার করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ জুলাই বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকা থেকে ইমনের দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগী আসিফ ও সাইদুল ইসলাম আরিফকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে সময় তাদের কাছ থেকে ইতালির তৈরি একটি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছিল। সহযোগীদের ধরা পড়ার মাত্র দুই দিনের মাথায় এবার পুলিশের জালে আটকা পড়লেন স্বয়ং ডেভিড ইমন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin