ঢাকা ০১:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সামুদ্রিক খাতের আধুনিকায়নে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের দুই বন্দির ঢামেক হাসপাতালে মৃত্যু এক সপ্তাহে ৪ কনসার্টে শিরোনামহীন ব্যান্ডের ব্যস্ততা অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ না করার নির্দেশ প্রধান বিচারপতির জাতিসংঘে ইরান ও কিউবা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের কড়া সমালোচনা চীনের ইথিওপিয়ার ৫০ বিলিয়ন গাছের স্বপ্ন ও হালিমার লড়াই জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির বিরুদ্ধে চীনের কঠোর বার্তা জাসদের প্রতিনিধি সভা: পুলিশ বলছে আবেদন সম্পর্কে কিছুই জানা নেই দেওয়ানগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে ভ্যান, চালক নিহত কল্কি-২: দীপিকার চরিত্রে নতুন কাউকে নেওয়া হচ্ছে না

যশোর থেকে গ্রেপ্তার চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:১৫:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন, যিনি ডেভিড ইমন নামেই বেশি পরিচিত, তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার সকালে যশোর থেকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের একটি বিশেষ দল তাঁকে গ্রেপ্তার করে। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম এই গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইমনের সাথে আরও পাঁচজন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃত সবাই শুটার হিসেবে পরিচিত।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মোবারক হোসেন ইমন ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়া এলাকায় জোড়া খুন এবং একই বছরের ২৩ মে রাতে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবর হত্যা মামলাসহ মোট সাতটি মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি। পুলিশের দাবি, ইমন অন্তত ১৫ থেকে ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অভিজ্ঞতা রাখেন এবং অস্ত্র চালনায় তিনি অত্যন্ত দক্ষ। বাকলিয়ার জোড়া খুনের ঘটনায় সন্ত্রাসী ও মোটরসাইকেল ভাড়ার মূল দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।

তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের হয়ে বর্তমানে চট্টগ্রামে অপরাধ জগতের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোবারক হোসেন ও মোহাম্মদ রায়হান। সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদ বর্তমানে কারাগারে থাকায় এই দুজনকে বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে দেখা হয়। রায়হানের বিরুদ্ধেও হত্যা, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র আইনে অন্তত আটটি মামলা রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বড় সাজ্জাদের বাহিনীতে অন্তত ৫০ জন শুটার ও সহযোগী সক্রিয় রয়েছে। মোবারক হোসেন ও রায়হান বড় সাজ্জাদের পক্ষে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ থাকলেও এতদিন তাঁদের ধরা সম্ভব হয়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

যশোর থেকে গ্রেপ্তার চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন

আপডেট সময় : ০৩:১৫:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন, যিনি ডেভিড ইমন নামেই বেশি পরিচিত, তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার সকালে যশোর থেকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের একটি বিশেষ দল তাঁকে গ্রেপ্তার করে। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম এই গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইমনের সাথে আরও পাঁচজন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃত সবাই শুটার হিসেবে পরিচিত।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মোবারক হোসেন ইমন ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়া এলাকায় জোড়া খুন এবং একই বছরের ২৩ মে রাতে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবর হত্যা মামলাসহ মোট সাতটি মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি। পুলিশের দাবি, ইমন অন্তত ১৫ থেকে ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অভিজ্ঞতা রাখেন এবং অস্ত্র চালনায় তিনি অত্যন্ত দক্ষ। বাকলিয়ার জোড়া খুনের ঘটনায় সন্ত্রাসী ও মোটরসাইকেল ভাড়ার মূল দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।

তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের হয়ে বর্তমানে চট্টগ্রামে অপরাধ জগতের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোবারক হোসেন ও মোহাম্মদ রায়হান। সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদ বর্তমানে কারাগারে থাকায় এই দুজনকে বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে দেখা হয়। রায়হানের বিরুদ্ধেও হত্যা, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র আইনে অন্তত আটটি মামলা রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বড় সাজ্জাদের বাহিনীতে অন্তত ৫০ জন শুটার ও সহযোগী সক্রিয় রয়েছে। মোবারক হোসেন ও রায়হান বড় সাজ্জাদের পক্ষে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ থাকলেও এতদিন তাঁদের ধরা সম্ভব হয়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo