এনসিপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

- আপডেট সময় : ০৬:০৩:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। বুধবার রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। তার সঙ্গে দূতাবাসের রাজনৈতিক উপদেষ্টা এরিক গিলান এবং রাজনৈতিক সচিব জেমস স্টুয়ার্ট উপস্থিত ছিলেন। এনসিপির পক্ষে দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, আন্তর্জাতিক সেলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান আলাউদ্দিন মোহাম্মদ এবং আন্তর্জাতিক সেলের সদস্য মনিরা শারমিন ও নাভিদ নওরোজ শাহ্ অংশ নেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তি, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কার্যকর অংশীদারত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন উভয় পক্ষ। একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়েও মতবিনিময় হয়।
সম্প্রতি স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জনগণের মধ্যে থাকা বিভিন্ন প্রশ্ন ও উদ্বেগের বিষয়টি এনসিপি নেতারা রাষ্ট্রদূতের সামনে তুলে ধরেন। মার্কিন প্রতিনিধিদল চুক্তির বিভিন্ন দিক ব্যাখ্যা করে তা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনার আহ্বান জানায়। তাদের মতে, এই চুক্তি ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করবে, যা জনগণের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।
এছাড়া গণভোটের রায় এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে চলমান সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এনসিপি নেতারা অভিযোগ করেন, গণভোটের রায়কে যথাযথ গুরুত্ব না দিয়ে সরকার সংবিধান সংশোধন কমিটির মাধ্যমে সংস্কার বাস্তবায়নের যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক সংলাপ, অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সম্পৃক্ততার ওপর জোর দেন। বৈঠক শেষে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং গঠনমূলক সংলাপ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


























