জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মোজাফফরের বিচার সেনা আইনে
- আপডেট সময় : ০৫:১৬:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনের বিচার সেনা আইনে হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। সোমবার রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদরদপ্তর পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একই অপরাধে একজন ব্যক্তির দুই আইনে বিচার হতে পারে না। তাই মোজাফফর হোসেনকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে তার বিচার সম্পন্ন হবে। তিনি জানান, জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্য আসামিদের বিচারও সামরিক আদালতে জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। মোজাফফর হোসেন দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় তার বিচার ঝুলে ছিল। গ্রেপ্তারের পর এখন সেনা আইনে তার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, একই অপরাধে দুই আইনে বিচারের সুযোগ নেই। তবে কোনো সিভিল কোর্টের সংশ্লিষ্ট বিষয় থাকলে তা পরবর্তীতে আইন অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হবে। এছাড়া দণ্ডিত বা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মামলার রায়ে মোজাফফর হোসেনের বিষয়ে কোনো পর্যবেক্ষণ থাকলে জেনারেল কোর্ট মার্শাল তা বিবেচনায় নেবে।
মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় আরাকান আর্মি, মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘাতের প্রভাব বাংলাদেশে পড়ছে। মাদক পাচার ও সীমান্ত ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার ১০৯ কিলোমিটার কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের প্রস্তাব বিবেচনা করছে। বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত না হলেও সীমান্ত নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ভারত থেকে কথিত ‘পুশইন’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ কাউকে অবৈধভাবে প্রবেশ করতে দেয়নি। বিজিবি ও স্থানীয়দের সহায়তায় এসব প্রচেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে। প্রকৃত বাংলাদেশি নাগরিক হলে ভারত সরকারকে কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় তালিকা দিতে হবে, যাচাইয়ের পর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজিবি সদরদপ্তর পরিদর্শনকালে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, জনবল বৃদ্ধি ও আধুনিক সরঞ্জাম সংগ্রহের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি। এছাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী ডগ স্কোয়াড ব্যবহারের বিধান কার্যকর করতে বিজিবির বিদ্যমান ডগ স্কোয়াড কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিজিবির প্রশাসনিক অবকাঠামো উন্নয়ন, হাসপাতালের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় বাহিনীটির সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদরদপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


























