ঢাকা ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০২৭ সালের হজে ‘অল-ইনক্লুসিভ’ প্যাকেজ চালু করলো সৌদি আরব সৌদি আরবে যৌথ সামরিক বাহিনী মোতায়েন করছে মক্কা জোট নিউজিল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা: পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসার নতুন যোগ্যতা প্রকাশ যুক্তরাজ্যের চিভনিং স্কলারশিপ: আবেদনের শেষ সুযোগ ৬ অক্টোবর রূপসায় ছেলের পর এবার বাবাকেও গুলি করে হত্যা বিমানের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল, ১০ কর্মকর্তার দায়িত্ব পুনর্বণ্টন কক্সবাজার বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের প্রস্তুতি, যুক্ত হলো নতুন সুবিধা সৌদি আরবে আরামকোর স্থাপনায় হামলায় বাংলাদেশি যুবক নিহত ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপি’র গণ-সমাবেশের ডাক, গ্রেপ্তারের আশঙ্কা অবশেষে নিয়োগপত্র পেলেন ভিটেবাড়িহীন মিশন আচার্য

অর্থ পাচার বন্ধ থাকলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সমস্যা সমাধান হতো: প্রধানমন্ত্রী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:১৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ৪৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিগত সরকারের আমলে ব্যাপক অর্থ পাচার না হলে দেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অনেক সমস্যার সমাধান সহজেই করা যেত। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সচিবালয়ে জনপ্রশাসন সভাকক্ষে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব মো. সুজাউদৌলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী আমাদের দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার সরকার এমন একটি রাষ্ট্র গড়তে কাজ করছে যেখানে কোনো জাতি বা গোষ্ঠীর মধ্যে বৈষম্য থাকবে না। দেশের বিদ্যমান ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিগত সরকার দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হওয়ার কারণেই দেশের অনেক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয়নি। তবে সরকার পর্যায়ক্রমে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা বৈঠকে তাদের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে ভূমির মালিকানা সমস্যা সমাধানে ভূমি কমিশন গঠন, সাংবিধানিক স্বীকৃতি, জাতীয় কনভেনশন আয়োজন, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন, উচ্ছেদ বন্ধ এবং ঋণ সুবিধা পাওয়ার দাবিগুলো উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও বৈঠকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন, স্বাস্থ্য অবকাঠামো বৃদ্ধি এবং জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জামের ওপর কর কমানোর বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এতে দেশের ১৭টি জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

অর্থ পাচার বন্ধ থাকলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সমস্যা সমাধান হতো: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:১৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিগত সরকারের আমলে ব্যাপক অর্থ পাচার না হলে দেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অনেক সমস্যার সমাধান সহজেই করা যেত। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সচিবালয়ে জনপ্রশাসন সভাকক্ষে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব মো. সুজাউদৌলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী আমাদের দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার সরকার এমন একটি রাষ্ট্র গড়তে কাজ করছে যেখানে কোনো জাতি বা গোষ্ঠীর মধ্যে বৈষম্য থাকবে না। দেশের বিদ্যমান ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিগত সরকার দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হওয়ার কারণেই দেশের অনেক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয়নি। তবে সরকার পর্যায়ক্রমে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা বৈঠকে তাদের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে ভূমির মালিকানা সমস্যা সমাধানে ভূমি কমিশন গঠন, সাংবিধানিক স্বীকৃতি, জাতীয় কনভেনশন আয়োজন, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন, উচ্ছেদ বন্ধ এবং ঋণ সুবিধা পাওয়ার দাবিগুলো উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও বৈঠকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন, স্বাস্থ্য অবকাঠামো বৃদ্ধি এবং জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জামের ওপর কর কমানোর বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এতে দেশের ১৭টি জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin