ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু রথযাত্রা অনুষ্ঠানে হঠাৎ অসুস্থ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল অর্থ পাচার বন্ধ থাকলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সমস্যা সমাধান হতো: প্রধানমন্ত্রী ভয়-ভীতি ও প্রলোভনের ঊর্ধ্বে থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান আইজিপির দেশে ফিরলে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করে রায় কার্যকর করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জয় নিয়ে খোঁচা দিলেন কিংবদন্তি ইকার ক্যাসিয়াস ১১২ কোটি টাকার চেক জালিয়াতির মামলায় জামিন পেলেন সালমান এফ রহমান ১৬ জুলাই ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস: স্মরণ ও শ্রদ্ধা দেশজুড়ে ১১ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান মিয়ানমার উপকূলে দুই নৌকা ডুবে ৫৩০ রোহিঙ্গার সলিল সমাধি

অর্থ পাচার বন্ধ থাকলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সমস্যা সমাধান হতো: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিগত সরকারের আমলে ব্যাপক অর্থ পাচার না হলে দেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অনেক সমস্যার সমাধান সহজেই করা যেত। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সচিবালয়ে জনপ্রশাসন সভাকক্ষে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব মো. সুজাউদৌলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী আমাদের দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার সরকার এমন একটি রাষ্ট্র গড়তে কাজ করছে যেখানে কোনো জাতি বা গোষ্ঠীর মধ্যে বৈষম্য থাকবে না। দেশের বিদ্যমান ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিগত সরকার দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হওয়ার কারণেই দেশের অনেক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয়নি। তবে সরকার পর্যায়ক্রমে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা বৈঠকে তাদের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে ভূমির মালিকানা সমস্যা সমাধানে ভূমি কমিশন গঠন, সাংবিধানিক স্বীকৃতি, জাতীয় কনভেনশন আয়োজন, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন, উচ্ছেদ বন্ধ এবং ঋণ সুবিধা পাওয়ার দাবিগুলো উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও বৈঠকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন, স্বাস্থ্য অবকাঠামো বৃদ্ধি এবং জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জামের ওপর কর কমানোর বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এতে দেশের ১৭টি জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

অর্থ পাচার বন্ধ থাকলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সমস্যা সমাধান হতো: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:১৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
print news

সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিগত সরকারের আমলে ব্যাপক অর্থ পাচার না হলে দেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অনেক সমস্যার সমাধান সহজেই করা যেত। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সচিবালয়ে জনপ্রশাসন সভাকক্ষে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব মো. সুজাউদৌলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী আমাদের দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার সরকার এমন একটি রাষ্ট্র গড়তে কাজ করছে যেখানে কোনো জাতি বা গোষ্ঠীর মধ্যে বৈষম্য থাকবে না। দেশের বিদ্যমান ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিগত সরকার দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হওয়ার কারণেই দেশের অনেক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয়নি। তবে সরকার পর্যায়ক্রমে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা বৈঠকে তাদের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে ভূমির মালিকানা সমস্যা সমাধানে ভূমি কমিশন গঠন, সাংবিধানিক স্বীকৃতি, জাতীয় কনভেনশন আয়োজন, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন, উচ্ছেদ বন্ধ এবং ঋণ সুবিধা পাওয়ার দাবিগুলো উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও বৈঠকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন, স্বাস্থ্য অবকাঠামো বৃদ্ধি এবং জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জামের ওপর কর কমানোর বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এতে দেশের ১৭টি জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin