ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রিকেটার রবিন দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা ৯ অক্টোবর বিকাশ, রবিসহ ৪ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক শাহ আলীতে পলিথিন ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার, ৯৯৯-এ ফোন সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাসুয়ার কোপে মা নিহত, বাবা আহত সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত গোবিপ্রবির ৫ শিক্ষার্থী মক্কা-জেদ্দাসহ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় সিভিল ডিফেন্সের সতর্কতা জারি আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খাঁন মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতা ইসলামের চিরন্তন শিক্ষা এমপি গাজী নজরুল আবারও রিমান্ডে, এবার ৪ দিনের

সিলেট নগরীতে ইমারত অনুমোদন নিয়ে সিসিক ও সিউকের দ্বন্দ্ব

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৮:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সিলেটে ইমারত নির্মাণের অনুমোদন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) ও সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক) এখন মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। নগরে নতুন ইমারত নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া অব্যাহত রেখেছে সিসিক, তবে সিউক কর্মকর্তাদের দাবি, এটি আইনসঙ্গত নয়। তাদের মতে, সিউক কার্যকর হওয়ার পর থেকে এই ক্ষমতা সিসিকের থাকার কথা নয়। সিসিক কর্তৃপক্ষ পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলছে, তারা এখনো স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা বা আদেশ পায়নি, তাই পূর্বের নিয়মেই কাজ পরিচালনা করছে।

সিউকের বর্তমান চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর ভাষ্যমতে, সংস্থাটি কার্যকর হওয়ার পর গৃহায়ন মন্ত্রণালয় থেকে সিসিককে ইমারত অনুমোদনের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে এবং জমা থাকা ফাইলগুলো সিউকের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সিউক থেকে এই আদেশ সিসিককে জানানো হলেও সিসিক তা আমলে নেয়নি। সিউকের অভিযোগ, বিষয়টিকে ঝুলন্ত রেখে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মাত্র ৩ দিনে ৭২৩টি ইমারত নির্মাণের ফাইলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা নজিরবিহীন।

সিউকের চেয়ারম্যান আরও জানান, বর্তমানে সংস্থাটি প্রকৌশলীদের তালিকাভুক্তির কাজ শুরু করেছে এবং খুব দ্রুত অনুমোদনের কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, সিসিকের বর্তমান অনুমোদনের তদারকি ভবিষ্যতে কে করবে এবং এতে দাপ্তরিক জটিলতা বাড়বে কি না। তবে সিসিকের প্রশাসক ও জেলা বিএনপি সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত তারা বিদ্যমান নিয়মে কাজ চালিয়ে যাবেন। তিনি জানান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি কমিটি গত দুই মাসে প্রায় ৯০০টি ফাইলের অনুমোদন দিয়েছে এবং সবকিছুই আইনের ভেতরে থেকে করা হচ্ছে। ফাইল হস্তান্তরের বিষয়টি আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের বিষয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

সিলেট নগরীতে ইমারত অনুমোদন নিয়ে সিসিক ও সিউকের দ্বন্দ্ব

আপডেট সময় : ০৪:৩৮:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিলেটে ইমারত নির্মাণের অনুমোদন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) ও সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক) এখন মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। নগরে নতুন ইমারত নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া অব্যাহত রেখেছে সিসিক, তবে সিউক কর্মকর্তাদের দাবি, এটি আইনসঙ্গত নয়। তাদের মতে, সিউক কার্যকর হওয়ার পর থেকে এই ক্ষমতা সিসিকের থাকার কথা নয়। সিসিক কর্তৃপক্ষ পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলছে, তারা এখনো স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা বা আদেশ পায়নি, তাই পূর্বের নিয়মেই কাজ পরিচালনা করছে।

সিউকের বর্তমান চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর ভাষ্যমতে, সংস্থাটি কার্যকর হওয়ার পর গৃহায়ন মন্ত্রণালয় থেকে সিসিককে ইমারত অনুমোদনের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে এবং জমা থাকা ফাইলগুলো সিউকের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সিউক থেকে এই আদেশ সিসিককে জানানো হলেও সিসিক তা আমলে নেয়নি। সিউকের অভিযোগ, বিষয়টিকে ঝুলন্ত রেখে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মাত্র ৩ দিনে ৭২৩টি ইমারত নির্মাণের ফাইলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা নজিরবিহীন।

সিউকের চেয়ারম্যান আরও জানান, বর্তমানে সংস্থাটি প্রকৌশলীদের তালিকাভুক্তির কাজ শুরু করেছে এবং খুব দ্রুত অনুমোদনের কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, সিসিকের বর্তমান অনুমোদনের তদারকি ভবিষ্যতে কে করবে এবং এতে দাপ্তরিক জটিলতা বাড়বে কি না। তবে সিসিকের প্রশাসক ও জেলা বিএনপি সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত তারা বিদ্যমান নিয়মে কাজ চালিয়ে যাবেন। তিনি জানান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি কমিটি গত দুই মাসে প্রায় ৯০০টি ফাইলের অনুমোদন দিয়েছে এবং সবকিছুই আইনের ভেতরে থেকে করা হচ্ছে। ফাইল হস্তান্তরের বিষয়টি আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের বিষয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin