ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

আমরা থানা পুড়িয়েছি এসআই সন্তোষকে জ্বালিয়ে দিয়েছি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতার হুমকি

ফখরুল আলম সাজু
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৬:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬ ১৩২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ফখরুল আলম সাজু

হবিগঞ্জে জেলা শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভিতরে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালামের সঙ্গে প্রকাশ্যে বাগবিতণ্ডায় জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা সদস্য সচিব মাহদী হাসানের বিরুদ্ধে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তাকে হুমকি মূলক বক্তব্য দিতে দেখা যাওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে ২ জানুয়ারি শুক্রবার দুপুরে শায়েস্তাগঞ্জ থানায়, ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে মাহদী হাসান নিজেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা পরিচয় দিয়ে অতীতের সহিংস ঘটনার উল্লেখ করেন।

ছাত্র নেতাকে বলতে শোনা যায়, আমরা আন্দোলন করে গভমেন্টকে রিফর্ম করেছি, বানিয়াচং থানাকে পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম।

মাহদী হাসান এমন বক্তব্য তিনি দেন , যা অনেকের কাছে সরাসরি হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে জানান, শুক্রবার ভোরে শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ ছাত্রলীগ কর্মী এনামুল হাসান নয়নকে আটক করে জিজ্ঞাসা বাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে, পরে মাহদী হাসানের নেতৃত্বে কয়েকজন ছাত্র থানায় গিয়ে নিজেদের জুলাই যোদ্ধা দাবি করে আটক ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেন, পুলিশ প্রথমে রাজি না হলেও একপর্যায়ে চাপের মুখে নয়নকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় হবিগঞ্জ আদালতের এক সিনিয়র আইনজীবী জানান, ভিডিওতে দেওয়া বক্তব্য ভবিষ্যতে মামলা হলে তা স্বীকারোক্তি মূলক জবান বন্দি হিসেবে গণ্য হতে পারে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে মাহদী হাসান বলেন, তিনি রাগের মাথায় কথা বলার সময় স্লিপ অব টাং এর কারণে ওই বক্তব্য দিয়েছেন এবং পরে বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।

হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার ইয়াছমিন খাতুন বলেন, ভিডিওটি তিনি দেখেছেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

মাহদী হাসান ভাষায়, নয়নকে জিজ্ঞাসা বাদের জন্য আনা হয়েছিল এবং পরে ছাত্র আন্দোলনের নেতারা কিছু ছবি ও ভিডিও দেখানোর পর থানার ভিতরে কথাবার্তা হয়।

তিনি জানান, নয়ন একসময় ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে মনে হলেও বর্তমানে তিনি ছাত্রলীগে নেই।

ঘটনাটি প্রশাসন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে দায়িত্বশীল আচরণ ও আইনের শাসন নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

আমরা থানা পুড়িয়েছি এসআই সন্তোষকে জ্বালিয়ে দিয়েছি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতার হুমকি

আপডেট সময় : ০৬:৩৬:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
print news

ফখরুল আলম সাজু

হবিগঞ্জে জেলা শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভিতরে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালামের সঙ্গে প্রকাশ্যে বাগবিতণ্ডায় জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা সদস্য সচিব মাহদী হাসানের বিরুদ্ধে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তাকে হুমকি মূলক বক্তব্য দিতে দেখা যাওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে ২ জানুয়ারি শুক্রবার দুপুরে শায়েস্তাগঞ্জ থানায়, ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে মাহদী হাসান নিজেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা পরিচয় দিয়ে অতীতের সহিংস ঘটনার উল্লেখ করেন।

ছাত্র নেতাকে বলতে শোনা যায়, আমরা আন্দোলন করে গভমেন্টকে রিফর্ম করেছি, বানিয়াচং থানাকে পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম।

মাহদী হাসান এমন বক্তব্য তিনি দেন , যা অনেকের কাছে সরাসরি হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে জানান, শুক্রবার ভোরে শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ ছাত্রলীগ কর্মী এনামুল হাসান নয়নকে আটক করে জিজ্ঞাসা বাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে, পরে মাহদী হাসানের নেতৃত্বে কয়েকজন ছাত্র থানায় গিয়ে নিজেদের জুলাই যোদ্ধা দাবি করে আটক ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেন, পুলিশ প্রথমে রাজি না হলেও একপর্যায়ে চাপের মুখে নয়নকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় হবিগঞ্জ আদালতের এক সিনিয়র আইনজীবী জানান, ভিডিওতে দেওয়া বক্তব্য ভবিষ্যতে মামলা হলে তা স্বীকারোক্তি মূলক জবান বন্দি হিসেবে গণ্য হতে পারে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে মাহদী হাসান বলেন, তিনি রাগের মাথায় কথা বলার সময় স্লিপ অব টাং এর কারণে ওই বক্তব্য দিয়েছেন এবং পরে বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।

হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার ইয়াছমিন খাতুন বলেন, ভিডিওটি তিনি দেখেছেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

মাহদী হাসান ভাষায়, নয়নকে জিজ্ঞাসা বাদের জন্য আনা হয়েছিল এবং পরে ছাত্র আন্দোলনের নেতারা কিছু ছবি ও ভিডিও দেখানোর পর থানার ভিতরে কথাবার্তা হয়।

তিনি জানান, নয়ন একসময় ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে মনে হলেও বর্তমানে তিনি ছাত্রলীগে নেই।

ঘটনাটি প্রশাসন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে দায়িত্বশীল আচরণ ও আইনের শাসন নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।