ঢাকা ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফিলিপাইনের স্কুলে বন্দুক হামলায় ২ শিক্ষার্থী নিহত ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে মন্তব্য করে পদ হারালেন রুশ অর্থনীতিবিদ ক্লেপাচ বাদ পড়া এলাকায় ১৬ লাখ হামের টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আগাম তৎপরতা ডারউইন টেস্টে ঐতিহাসিক জয়ে বাংলাদেশ দলকে বিরোধীদলীয় নেতার অভিনন্দন এলিফ্যান্ট রোডে শপিং ব্যাগে মিলল ককটেল সদৃশ ৪ বস্তু লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি ইরানের সঙ্গে সমঝোতা আর বাড়াতে আগ্রহী নন ট্রাম্প হরমুজ নিয়ে উত্তেজনা: যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র সাটুরিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে সাবেক ইউপি সদস্যের বাড়ি ভাঙচুর

প্রতিদিন গরু জবাই বর্জ্য রাস্তায় মিয়ার বাজারে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি চরমে

নুর উদ্দিন সিয়াম, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫ ২৬২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নুর উদ্দিন সিয়াম,
নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:

লক্ষীপুর সদর উপজেলার ১২ নং চরশাহী ইউনিয়নের মিয়ার বাজারে গরু মাংস বিক্রেতা হান্নান ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ দূষণ, সরকারি রাস্তা দখল, এবং স্থানীয়দের হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বাজার সংলগ্ন তাদের খামার থেকে প্রতিদিন ২–৩টি গরু জবাই করা হলেও বর্জ্য ও রক্তের সঠিক নিষ্পত্তি না করে বাজার এবং রাস্তার ওপরেই ফেলে রাখা হচ্ছে।

এর ফলে এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ, নোংরা পানি, মশা–মাছির উপদ্রব এবং দূষিত পরিবেশে স্থানীয়দের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বাজার কমিটি এবং এলাকার সচেতন যুব সমাজ বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও হান্নান ভাইরা উল্টো তাদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পরিস্থিতি চরমে ওঠে গত ২৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে, যখন হান্নান ও তার ভাইরা সরকারি রাস্তা দখল করে সেখানে গরু জবাইয়ের উদ্দেশ্যে সিসি ডালাই করে পাকা জবাইখানা নির্মাণের কাজ শুরু করে। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় যুব সমাজ বাধা দেয়, কিন্তু তাতে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাকর হয়ে ওঠে।

খামারের জমির মালিক পল্লী চিকিৎসক মাহমুদুল হাসান জানান, হান্নানকে বহুবার নিষেধ করেছি যেন বর্জ্য এলোমেলো ভাবে না ফেলে এবং রাস্তা দখল না করে। কিন্তু সে ও তার ভাইদের কেউই কথা শুনছে না। বাজার কমিটি ও মসজিদ কমিটিও বহুবার নিষেধ করেছে, তবুও তারা তাদের ইচ্ছামতো কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি রাস্তা দখল করে পাকা জবাইখানা তৈরি করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে।

এ কারণে হান্নান ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা অবিলম্বে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন, যেন বাজারের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা যায় এবং এমন অবৈধ কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি বন্ধ হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

প্রতিদিন গরু জবাই বর্জ্য রাস্তায় মিয়ার বাজারে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি চরমে

আপডেট সময় : ০৭:৩৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

নুর উদ্দিন সিয়াম,
নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:

লক্ষীপুর সদর উপজেলার ১২ নং চরশাহী ইউনিয়নের মিয়ার বাজারে গরু মাংস বিক্রেতা হান্নান ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ দূষণ, সরকারি রাস্তা দখল, এবং স্থানীয়দের হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বাজার সংলগ্ন তাদের খামার থেকে প্রতিদিন ২–৩টি গরু জবাই করা হলেও বর্জ্য ও রক্তের সঠিক নিষ্পত্তি না করে বাজার এবং রাস্তার ওপরেই ফেলে রাখা হচ্ছে।

এর ফলে এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ, নোংরা পানি, মশা–মাছির উপদ্রব এবং দূষিত পরিবেশে স্থানীয়দের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বাজার কমিটি এবং এলাকার সচেতন যুব সমাজ বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও হান্নান ভাইরা উল্টো তাদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পরিস্থিতি চরমে ওঠে গত ২৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে, যখন হান্নান ও তার ভাইরা সরকারি রাস্তা দখল করে সেখানে গরু জবাইয়ের উদ্দেশ্যে সিসি ডালাই করে পাকা জবাইখানা নির্মাণের কাজ শুরু করে। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় যুব সমাজ বাধা দেয়, কিন্তু তাতে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাকর হয়ে ওঠে।

খামারের জমির মালিক পল্লী চিকিৎসক মাহমুদুল হাসান জানান, হান্নানকে বহুবার নিষেধ করেছি যেন বর্জ্য এলোমেলো ভাবে না ফেলে এবং রাস্তা দখল না করে। কিন্তু সে ও তার ভাইদের কেউই কথা শুনছে না। বাজার কমিটি ও মসজিদ কমিটিও বহুবার নিষেধ করেছে, তবুও তারা তাদের ইচ্ছামতো কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি রাস্তা দখল করে পাকা জবাইখানা তৈরি করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে।

এ কারণে হান্নান ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা অবিলম্বে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন, যেন বাজারের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা যায় এবং এমন অবৈধ কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি বন্ধ হয়।