ঢাকা ১২:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ভালো মানুষ হয়ে বেঁচে থাকাই জীবনের সবচেয়ে বড় সফলতা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৪০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জীবন আমাদের প্রতিনিয়ত শিক্ষা দেয়—কখনো ভালোবাসার মাধ্যমে, কখনো ব্যর্থতায়, আবার কখনো মানুষের আচরণের মধ্য দিয়ে। এইচ আর প্রফেশনাল এবং সমাজকর্মী আকাশ আহমেদের মতে, জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাগুলো বইয়ের পাতার চেয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেই বেশি পাওয়া যায়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তিনি জীবন থেকে নেয়া কিছু বাস্তব শিক্ষা—যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যেতে চাই- ১. ২০টি গুরুত্বপূর্ণ জীবনবোধ তুলে ধরেছেন।

সময়ের গুরুত্ব অপরিসীম, কারণ এটি কাউকে থেমে থাকার সুযোগ দেয় না। কর্মজীবনে সততা ও দায়িত্ববোধই আসল, কারণ পদ বা ক্ষমতা সাময়িক হলেও কাজের সুনাম দীর্ঘস্থায়ী হয়। কর্মক্ষেত্রে সবাইকে খুশি করার চেষ্টা না করে নিজের বিবেকের কাছে পরিষ্কার থাকা জরুরি। জীবনের যেকোনো সাফল্যের চেয়ে পরিবারের শান্তি বড়, তাই ব্যস্ততার মাঝেও প্রিয়জনদের সময় দেওয়া প্রয়োজন।

বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংখ্যার চেয়ে গুণমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেশী বিপদের সময় সবচেয়ে বড় সহায়ক, তাই তাদের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা উচিত। মানুষের পদমর্যাদা বা অর্থের ওপর ভিত্তি করে নয়, মানুষ হিসেবে সবাইকে সম্মান করা বাঞ্ছনীয়। অর্থ জীবনের প্রয়োজন মেটালেও তা শান্তি বা সম্মান কিনতে পারে না। এছাড়া রাগের মাথায় সিদ্ধান্ত না নেওয়া, ব্যর্থতাকে শিক্ষার সুযোগ হিসেবে দেখা এবং নিজের ভুল স্বীকার করার মানসিকতা গড়ে তোলা জীবনকে সমৃদ্ধ করে।

পরোপকারে হিসাব না রেখে অন্যের জীবনে আলো ছড়ানোই বড় পুরস্কার। সন্তানদের শুধু অর্থ-সম্পদ নয়, বরং সততা, মানবিকতা ও ভালো চরিত্র উপহার দেওয়া উচিত। প্রযুক্তির দাস না হয়ে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং নিজের স্বাস্থ্য ও মানসিক শান্তির প্রতি যত্নবান হওয়া জরুরি। অহংকার ত্যাগ করে বিনয়ী হওয়া এবং অন্যের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো প্রকৃত মানবিকতার পরিচয়।

পরিশেষে, জীবনের শেষ হিসাব হলো কতজন মানুষের মুখে হাসি ফোটানো গেল এবং আপনজনদের কতটা ভালোবাসা দেওয়া সম্ভব হলো। আকাশ আহমেদের মতে, জীবনের সবচেয়ে বড় সফলতা হলো ভালো মানুষ হয়ে বেঁচে থাকা, কারণ মাটির উপরে করা ভালো কাজগুলোই মাটির নিচের জীবনে সম্বল হয়ে থাকবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ভালো মানুষ হয়ে বেঁচে থাকাই জীবনের সবচেয়ে বড় সফলতা

আপডেট সময় : ১১:৪০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

জীবন আমাদের প্রতিনিয়ত শিক্ষা দেয়—কখনো ভালোবাসার মাধ্যমে, কখনো ব্যর্থতায়, আবার কখনো মানুষের আচরণের মধ্য দিয়ে। এইচ আর প্রফেশনাল এবং সমাজকর্মী আকাশ আহমেদের মতে, জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাগুলো বইয়ের পাতার চেয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেই বেশি পাওয়া যায়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তিনি জীবন থেকে নেয়া কিছু বাস্তব শিক্ষা—যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যেতে চাই- ১. ২০টি গুরুত্বপূর্ণ জীবনবোধ তুলে ধরেছেন।

সময়ের গুরুত্ব অপরিসীম, কারণ এটি কাউকে থেমে থাকার সুযোগ দেয় না। কর্মজীবনে সততা ও দায়িত্ববোধই আসল, কারণ পদ বা ক্ষমতা সাময়িক হলেও কাজের সুনাম দীর্ঘস্থায়ী হয়। কর্মক্ষেত্রে সবাইকে খুশি করার চেষ্টা না করে নিজের বিবেকের কাছে পরিষ্কার থাকা জরুরি। জীবনের যেকোনো সাফল্যের চেয়ে পরিবারের শান্তি বড়, তাই ব্যস্ততার মাঝেও প্রিয়জনদের সময় দেওয়া প্রয়োজন।

বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংখ্যার চেয়ে গুণমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেশী বিপদের সময় সবচেয়ে বড় সহায়ক, তাই তাদের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা উচিত। মানুষের পদমর্যাদা বা অর্থের ওপর ভিত্তি করে নয়, মানুষ হিসেবে সবাইকে সম্মান করা বাঞ্ছনীয়। অর্থ জীবনের প্রয়োজন মেটালেও তা শান্তি বা সম্মান কিনতে পারে না। এছাড়া রাগের মাথায় সিদ্ধান্ত না নেওয়া, ব্যর্থতাকে শিক্ষার সুযোগ হিসেবে দেখা এবং নিজের ভুল স্বীকার করার মানসিকতা গড়ে তোলা জীবনকে সমৃদ্ধ করে।

পরোপকারে হিসাব না রেখে অন্যের জীবনে আলো ছড়ানোই বড় পুরস্কার। সন্তানদের শুধু অর্থ-সম্পদ নয়, বরং সততা, মানবিকতা ও ভালো চরিত্র উপহার দেওয়া উচিত। প্রযুক্তির দাস না হয়ে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং নিজের স্বাস্থ্য ও মানসিক শান্তির প্রতি যত্নবান হওয়া জরুরি। অহংকার ত্যাগ করে বিনয়ী হওয়া এবং অন্যের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো প্রকৃত মানবিকতার পরিচয়।

পরিশেষে, জীবনের শেষ হিসাব হলো কতজন মানুষের মুখে হাসি ফোটানো গেল এবং আপনজনদের কতটা ভালোবাসা দেওয়া সম্ভব হলো। আকাশ আহমেদের মতে, জীবনের সবচেয়ে বড় সফলতা হলো ভালো মানুষ হয়ে বেঁচে থাকা, কারণ মাটির উপরে করা ভালো কাজগুলোই মাটির নিচের জীবনে সম্বল হয়ে থাকবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh