ভাতিজাদের বঞ্চিত করে মেয়েকে সব সম্পত্তি লিখে দেওয়া কি জায়েজ?
- আপডেট সময় : ০২:০৬:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

ইসলামি উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী ছেলে সন্তান না থেকে শুধু মেয়ে সন্তান থাকলে সম্পদের বণ্টনের অনুপাত এবং অংশীদার বদলে যায়। এই জটিল বিষয়ে প্রখ্যাত ইসলামি আলোচক ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমাদুল্লাহ একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
সম্প্রতি তাকে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করেন, যাদের ছেলে সন্তান নেই কিন্তু মেয়ে আছে, তারা মৃত্যুর আগে সব সম্পত্তি মেয়েদের নামে লিখে দিয়ে যেতে পারেন কি না, যাতে ভাতিজারা কোনো অংশ না পায়। এই কাজটি শরীয়ত সম্মত কি না, তা জানতে চাওয়া হয়।
প্রশ্নের জবাবে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, কোনো মানুষ জীবদ্দশায় তার সব সম্পদ মেয়েদের নামে লিখে দিয়ে ভাতিজাদের বা অন্য হকদারদের বঞ্চিত করার ইচ্ছা করলে তা অনুচিত। তিনি বলেন, কোনো ওয়ারিস বা আপনার সম্পদ পেতে পারে এমন কাউকে বঞ্চিত করার ইচ্ছা করা এক ধরণের অবিচার ও জুলুম, যা জায়েজ নয়। তবে যদি এভাবে সম্পত্তি মেয়েদেরকে হেবা বা দান হিসেবে দিয়ে দেওয়া হয়, তবে তা মেয়েদের জন্য হালাল হবে। কিন্তু অন্যকে ঠকানোর উদ্দেশ্য থাকার কারণে ওই ব্যক্তি গুনাহগার হবেন।
শায়খ আহমাদুল্লাহ আরও বলেন, পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, তোমাদের ওয়ারিসদের মধ্যে কে বেশি উপকারে আসবে তা তোমরা জানো না। তাই আল্লাহ যা নির্ধারণ করেছেন, সে অনুযায়ী সম্পদ বণ্টন করা উচিত এবং তা মানার ভেতরেই কল্যাণ আছে। তিনি পরামর্শ দেন, জীবদ্দশায় মেয়েদের কিছু সম্পদ উপহার বা গিফট হিসেবে সমান হারে ভাগ করে দেওয়া যেতে পারে, তবে সব সম্পদ বিলিয়ে দেওয়া উচিত নয়। কিছু সম্পদ রেখে দেওয়া উচিত যাতে মৃত্যুর পরে যার যা প্রাপ্য তা পাওয়া যায়। আল্লাহ সবাইকে সঠিক পথে আমল করার তৌফিক দান করুন।




























