ঢাকা ০১:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০২৭ সালে তিস্তা মহাপরিকল্পনা শুরুর আশা ত্রাণমন্ত্রীর আশুলিয়ায় ৫ ঝুটের গুদাম ও বাড়িতে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে ঢাবিতে দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন রোনালদোর সঙ্গে দ্বন্দ্ব: শাস্তির মুখে পড়তে পারেন পর্তুগাল কোচ জেসুস ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিদায়বেলায় সতীর্থ মুসোকে মজার বার্তা দিলেন লিওনেল মেসি বিদায় নিল মৌসুমি বায়ু, আবহাওয়ায় আসছে নতুন পরিবর্তনের হাওয়া নতুন ধারাবাহিক ‘ফিরে আসার গল্প’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে বিজ্ঞাপন দিয়ে শিশু কেনাবেচা: সক্রিয় অসাধু চক্র ও হাসপাতালের কর্মচারী দুর্গাপূজায় আসছে নব্বইয়ের দশকের সত্য ঘটনা নিয়ে সিনেমা ‘চিরকুট’

ইয়েমেনে সেনা অভিযানে ১৫৪০ হুথি সদস্য হতাহতের দাবি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:১৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথির বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক সাফল্য দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। গত ২৪ ঘণ্টায় চালানো ৪৭৪টি অভিযানে অন্তত ১ হাজার ৫৪০ জন হুথি সদস্য নিহত বা আহত হয়েছেন। তুর্কি সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর সামরিক মুখপাত্র মাজেদ আবদুল্লাহ আল-নাজিলি শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানান, যুদ্ধবিমান, ড্রোন, কামান, ক্ষেপণাস্ত্র এবং রকেট লঞ্চার ব্যবহার করে হুথিদের বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে এই হামলাগুলো চালানো হয়। মূলত বিদ্রোহীদের চলাচল, সামরিক সক্ষমতা ও শক্তিবৃদ্ধির প্রচেষ্টাকে লক্ষ্য করে সেনা অভিযানগুলো পরিচালিত হয়েছে।

আল-নাজিলি উল্লেখ করেন, দক্ষিণ হারাদ ও উপকূলীয় এলাকা থেকে শুরু করে কিতাফ, আল-জাওফ, মারিব, আল-বায়দা, লাহজ, সানা ও সা’দা পর্যন্ত বিস্তৃত ফ্রন্টে অভিযান চালানো হয়েছে। তবে এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তাইজ এলাকায়। এই অভিযানে হুথিদের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র, সমাবেশ এবং হুমকির উৎসগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

সেনা মুখপাত্রের দাবি অনুযায়ী, হতাহত হওয়া ১ হাজার ৫৪০ হুথি যোদ্ধার সিংহভাগই তাইজের বিভিন্ন ফ্রন্টে লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়া অভিযানে বিদ্রোহীদের ২১৬টি সামরিক যান ও অন্যান্য যুদ্ধ সরঞ্জাম সম্পূর্ণ ধ্বংস বা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই অভিযানের ফলে তাইজে হুথিদের অগ্রযাত্রা রুখে দেওয়া সম্ভব হয়েছে এবং স্থলপথে তাদের বড় ধরনের অগ্রগতি প্রতিহত করা গেছে।

এর আগেও তাইজে হুথিদের শক্তিবৃদ্ধি ঠেকাতে ২০টি বিমান হামলা চালানোর কথা জানিয়েছিল ইয়েমেনি সেনাবাহিনী। এছাড়া গত বুধবার তিনটি ফ্রন্টে হুথিদের লক্ষ্য করে ৪৬৮টি অভিযান চালানো হয়, যেখানে শত শত বিদ্রোহী হতাহত হওয়ার দাবি করা হয়েছিল।

ইয়েমেনে চলমান এই সংঘাতের সূত্রপাত হয় ২০১৪ সালে, যখন হুথি গোষ্ঠী রাজধানী সানা ও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিয়ে সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট এই যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে। ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর আপেক্ষিক শান্তির সময় পার হলেও, চলতি বছরের জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই সামরিক উত্তেজনাকে সবচেয়ে বড় সংঘাত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ইয়েমেনে সেনা অভিযানে ১৫৪০ হুথি সদস্য হতাহতের দাবি

আপডেট সময় : ০৯:১৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথির বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক সাফল্য দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। গত ২৪ ঘণ্টায় চালানো ৪৭৪টি অভিযানে অন্তত ১ হাজার ৫৪০ জন হুথি সদস্য নিহত বা আহত হয়েছেন। তুর্কি সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর সামরিক মুখপাত্র মাজেদ আবদুল্লাহ আল-নাজিলি শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানান, যুদ্ধবিমান, ড্রোন, কামান, ক্ষেপণাস্ত্র এবং রকেট লঞ্চার ব্যবহার করে হুথিদের বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে এই হামলাগুলো চালানো হয়। মূলত বিদ্রোহীদের চলাচল, সামরিক সক্ষমতা ও শক্তিবৃদ্ধির প্রচেষ্টাকে লক্ষ্য করে সেনা অভিযানগুলো পরিচালিত হয়েছে।

আল-নাজিলি উল্লেখ করেন, দক্ষিণ হারাদ ও উপকূলীয় এলাকা থেকে শুরু করে কিতাফ, আল-জাওফ, মারিব, আল-বায়দা, লাহজ, সানা ও সা’দা পর্যন্ত বিস্তৃত ফ্রন্টে অভিযান চালানো হয়েছে। তবে এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তাইজ এলাকায়। এই অভিযানে হুথিদের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র, সমাবেশ এবং হুমকির উৎসগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

সেনা মুখপাত্রের দাবি অনুযায়ী, হতাহত হওয়া ১ হাজার ৫৪০ হুথি যোদ্ধার সিংহভাগই তাইজের বিভিন্ন ফ্রন্টে লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়া অভিযানে বিদ্রোহীদের ২১৬টি সামরিক যান ও অন্যান্য যুদ্ধ সরঞ্জাম সম্পূর্ণ ধ্বংস বা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই অভিযানের ফলে তাইজে হুথিদের অগ্রযাত্রা রুখে দেওয়া সম্ভব হয়েছে এবং স্থলপথে তাদের বড় ধরনের অগ্রগতি প্রতিহত করা গেছে।

এর আগেও তাইজে হুথিদের শক্তিবৃদ্ধি ঠেকাতে ২০টি বিমান হামলা চালানোর কথা জানিয়েছিল ইয়েমেনি সেনাবাহিনী। এছাড়া গত বুধবার তিনটি ফ্রন্টে হুথিদের লক্ষ্য করে ৪৬৮টি অভিযান চালানো হয়, যেখানে শত শত বিদ্রোহী হতাহত হওয়ার দাবি করা হয়েছিল।

ইয়েমেনে চলমান এই সংঘাতের সূত্রপাত হয় ২০১৪ সালে, যখন হুথি গোষ্ঠী রাজধানী সানা ও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিয়ে সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট এই যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে। ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর আপেক্ষিক শান্তির সময় পার হলেও, চলতি বছরের জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই সামরিক উত্তেজনাকে সবচেয়ে বড় সংঘাত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh