ঢাকা ০৭:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৮ হাজার লবণচাষি মাঠে নামার অপেক্ষায়, শঙ্কায় ন্যায্যমূল্য ইরান যুদ্ধের খেসারত দিচ্ছে জনগণ, ট্রাম্পকে দুষলেন ডেমোক্র্যাটরা চাপ অব্যাহত থাকলে মোদি সরকারের পতন নিশ্চিত: রাহুল গান্ধী ১১ বছর ধরে বন্ধ এমআরআই, দিনাজপুর মেডিকেলে ব্যাহত চিকিৎসাসেবা ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন নাভি পিলাই শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের জন্য বিগত সরকারকে দায়ী করলেন রিজভী মাদারগঞ্জে আরও দুটি কূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে বাপেক্স শিক্ষকদের বেতন সংকটে বন্ধ লামার মিরিঞ্জা প্রাথমিক বিদ্যালয় সিরাজগঞ্জে তিন মাদক মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র বিতর্ক

ডিজেল রপ্তানি বন্ধের চিন্তায় যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপকে মজুত ছাড়ার আহ্বান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:১৯:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন। এই সম্ভাব্য পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটে, ইউরোপীয় দেশগুলোকে তাদের কৌশলগত ডিজেল মজুতের একটি অংশ জরুরি ভিত্তিতে বাজারে ছাড়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতি অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের এই আহ্বানে সমর্থন জানিয়েছেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন প্রায় ১২ থেকে ১৫ লাখ ব্যারেল ডিজেল রপ্তানি করে থাকে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, যদি যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়, তবে বিশ্ববাজারে ডিজেলের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে এবং এর ফলে জ্বালানির দাম আরো ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে।

এই সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার প্রভাব নিয়ে আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য তার ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। ব্রিটিশ জ্বালানিমন্ত্রী ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছেন। ব্রিটিশ সরকারের ভাষ্যমতে, দেশটিতে এখনো কিছু কৌশলগত জ্বালানি মজুত রয়েছে এবং তাৎক্ষণিক কোনো ডিজেল সংকটের আশঙ্কা নেই। তবে তারা স্বীকার করেছে যে, পরিস্থিতির কারণে ডিজেলের দাম আরো বাড়তে পারে।

ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্যে ডিজেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। মোটরিং সংস্থা আরএসির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশটিতে প্রতি লিটার ডিজেলের গড় দাম ১৯৯ দশমিক ৭৯ পেন্সে দাঁড়িয়েছে, যা আগে ১৪২ দশমিক ৩৮ পেন্স ছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজেল উৎপাদন তুলনামূলক জটিল প্রক্রিয়া এবং পরিবহন ও কৃষি খাতে এর ব্যাপক ব্যবহারের কারণে চাহিদা দ্রুত কমানো সম্ভব নয়। এছাড়া, যুক্তরাজ্য নিজে ডিজেল আমদানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

জ্বালানি সরবরাহের সংকট কেবল যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। খবর পাওয়া গেছে যে, চীনও অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে অক্টোবর মাসে কিছু জ্বালানি পণ্যের রপ্তানি কমানোর বা বন্ধ রাখার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর সঙ্গে রাশিয়ার ডিজেল রপ্তানি সীমিত হওয়ার বিষয়টি যুক্ত হওয়ায় বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহের ওপর চাপ আরো ঘনীভূত হচ্ছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করলে ইউরোপসহ আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের দাম আরো বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

প্রকাশ : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১২: ৫৪আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১২: ৫৭

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ডিজেল রপ্তানি বন্ধের চিন্তায় যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপকে মজুত ছাড়ার আহ্বান

আপডেট সময় : ০১:১৯:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন। এই সম্ভাব্য পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটে, ইউরোপীয় দেশগুলোকে তাদের কৌশলগত ডিজেল মজুতের একটি অংশ জরুরি ভিত্তিতে বাজারে ছাড়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতি অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের এই আহ্বানে সমর্থন জানিয়েছেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন প্রায় ১২ থেকে ১৫ লাখ ব্যারেল ডিজেল রপ্তানি করে থাকে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, যদি যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়, তবে বিশ্ববাজারে ডিজেলের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে এবং এর ফলে জ্বালানির দাম আরো ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে।

এই সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার প্রভাব নিয়ে আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য তার ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। ব্রিটিশ জ্বালানিমন্ত্রী ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছেন। ব্রিটিশ সরকারের ভাষ্যমতে, দেশটিতে এখনো কিছু কৌশলগত জ্বালানি মজুত রয়েছে এবং তাৎক্ষণিক কোনো ডিজেল সংকটের আশঙ্কা নেই। তবে তারা স্বীকার করেছে যে, পরিস্থিতির কারণে ডিজেলের দাম আরো বাড়তে পারে।

ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্যে ডিজেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। মোটরিং সংস্থা আরএসির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশটিতে প্রতি লিটার ডিজেলের গড় দাম ১৯৯ দশমিক ৭৯ পেন্সে দাঁড়িয়েছে, যা আগে ১৪২ দশমিক ৩৮ পেন্স ছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজেল উৎপাদন তুলনামূলক জটিল প্রক্রিয়া এবং পরিবহন ও কৃষি খাতে এর ব্যাপক ব্যবহারের কারণে চাহিদা দ্রুত কমানো সম্ভব নয়। এছাড়া, যুক্তরাজ্য নিজে ডিজেল আমদানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

জ্বালানি সরবরাহের সংকট কেবল যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। খবর পাওয়া গেছে যে, চীনও অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে অক্টোবর মাসে কিছু জ্বালানি পণ্যের রপ্তানি কমানোর বা বন্ধ রাখার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর সঙ্গে রাশিয়ার ডিজেল রপ্তানি সীমিত হওয়ার বিষয়টি যুক্ত হওয়ায় বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহের ওপর চাপ আরো ঘনীভূত হচ্ছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করলে ইউরোপসহ আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের দাম আরো বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

প্রকাশ : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১২: ৫৪আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১২: ৫৭

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh