পাকিস্তানের সামরিক কমান্ড কাঠামোতে বড় পরিবর্তন এনে নতুন আইন পাস
- আপডেট সময় : ০৩:৪৯:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের পার্লামেন্টে দুটি নতুন আইন পাস করার মাধ্যমে দেশটির সামরিক কমান্ড কাঠামোতে ঐতিহাসিক ও বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। গত আগস্টের শেষ দিকে পাস হওয়া এই আইনগুলোর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস’ (সিডিএফ) পদের ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরের ২৭তম সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে সৃষ্ট এই পদটি এখন কার্যকরভাবে পাকিস্তানের সামরিক কমান্ডের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হলো।
গত ২০ আগস্ট দেশটির জাতীয় পরিষদ ‘ডিফেন্স ফোর্সেস অব পাকিস্তান অ্যাক্ট, ২০২৬’ এবং ‘ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটি অ্যাক্ট, ২০১০’-এর সংশোধনী অনুমোদন করে। বর্তমানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ও ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির একই সঙ্গে এই সিডিএফের দায়িত্ব পালন করছেন। নতুন এই আইন পাসের মাধ্যমে মূলত সেনাপ্রধানের হাতে থাকা একধরনের বিশেষ কর্তৃত্বকে আনুষ্ঠানিকভাবে আইনি রূপ দেওয়া হলো, যা তিনি আগে অনানুষ্ঠানিকভাবে ভোগ করে আসতেন।
১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকেই পাকিস্তানের রাজনীতিতে সামরিক বাহিনী, বিশেষ করে সেনাবাহিনীর আধিপত্য অত্যন্ত স্পষ্ট। দেশটির ইতিহাসে সেনাবাহিনী এ পর্যন্ত চারটি সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে এবং তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সরাসরি রাষ্ট্রক্ষমতা পরিচালনা করেছে। এমনকি পাকিস্তানের কোনো নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীই এখন পর্যন্ত তাদের পূর্ণ পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ করতে পারেননি।
নতুন এই আইনের আওতায় ১৯৭৬ সালে চালু হওয়া ‘চেয়ারম্যান জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটি’ (সিজেসিএসসি) পদটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরিবর্তে গঠন করা হয়েছে ‘ডিফেন্স ফোর্সেস হেডকোয়ার্টার্স’ (ডিএফএইচকিউ)। এখন থেকে সিডিএফ পদাধিকারী ব্যক্তি দেশটির সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর ওপর সামগ্রিক অপারেশনাল কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার পূর্ণ ক্ষমতা লাভ করবেন।
প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫: ১৯আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫: ৩৪


























