ন্যাটোতে হামলা না চালাতে রাশিয়াকে সিআইএ প্রধানের সতর্কবার্তা
- আপডেট সময় : ০৩:৪১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর ওপর হামলা চালানো থেকে বিরত থাকতে রাশিয়াকে সতর্ক করতে চলতি সপ্তাহে মস্কো সফর করেছেন মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র পরিচালক জন র্যাটক্লিফ। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সফরের গুরুত্ব কিছুটা হালকা করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মস্কো ন্যাটোর সামরিক সক্ষমতা পরীক্ষা করতে পারে—এমন গোয়েন্দা মূল্যায়নের পর র্যাটক্লিফ এই সফর করেন। মার্কিন গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ‘সীমিত হামলার’ মাধ্যমে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থার (ন্যাটো) সক্ষমতা যাচাই করতে পারেন।
২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মস্কো সফরকারী শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন জন র্যাটক্লিফ। ইউক্রেন যুদ্ধ তীব্রতর হওয়ার এবং বেসামরিক মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় চলা শান্তি আলোচনা থমকে থাকার সময়ে এই সফর অনুষ্ঠিত হলো।
এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের মন্তব্য জানতে চেয়ে এএফপি একাধিকবার যোগাযোগ করলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে গত মঙ্গলবার রক্ষণশীল রেডিও উপস্থাপক গ্লেন বেককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প র্যাটক্লিফের এই সফরকে ‘আংশিক নিয়মিত’ বলে বর্ণনা করেন। ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি সেখানে আছেন, এটি একেবারেই নিয়মিত ধরনের সফর। আমি মানুষকে হতাশ করতে চাই না। আমরা ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান দেখতে চাই।’
অন্যদিকে, সিবিএস নিউজের তথ্য অনুযায়ী, এই সফরে ইরান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু না হলে ইরানের ওপর অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে সতর্ক করেছেন সিআইএ প্রধান।
ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে বুধবার জানানো হয়েছে, মস্কো সফরে র্যাটক্লিফ রাশিয়ার বিশেষ নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেছেন, তবে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তাঁর কোনো সাক্ষাৎ হয়নি। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, আলোচনার বিষয়ে পুতিনকে অবহিত করা হয়েছে। তবে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে কথা হয়েছে কি না, তা জানাতে তিনি অস্বীকৃতি জানান। পেসকভ মন্তব্য করেন, ‘গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মাধ্যমে এই যোগাযোগ নিজেই একটি ইতিবাচক অগ্রগতি। তবে আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সংকট সমাধানে এর প্রভাব কী হবে, তা বলার সময় এখনও আসেনি।’



























