ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কেন ‘ফ্রাস্ট্রেটেড অ্যাচিভার’রা শেখ হাসিনাকে প্রত্যাখ্যান করল রাশিয়ার ই-কমার্স কেন্দ্রে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, পালটা হামলায় নিহত ৬ সয়াবিন তেলের বাজারে ফের কৃত্রিম সংকট তৈরির চক্রান্ত নেসকো কার্যালয় স্থানান্তর নিয়ে দুই মন্ত্রীর দ্বন্দ্বে উত্তপ্ত রাজনীতি ডব্লিউইউবি-তে অনুষ্ঠিত হলো দিনব্যাপী প্রযুক্তি উৎসব ‘সিভিকন ২০২৬’ দেশে একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত ২৪৯ জন, মোট মৃত্যু ৫৯ হাসপাতালে মিঠুন চক্রবর্তীকে দেখতে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী বিপিসির ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিয়ম ভেঙে বারবার পদোন্নতির অভিযোগ সোশ্যাল মিডিয়ায় নুসরাত জাহানের নতুন প্রেমের রোমান্টিক বার্তা জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান দুঃশাসনেরই বিস্ফোরণ: মীর হেলাল

রাশিয়ার ই-কমার্স কেন্দ্রে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, পালটা হামলায় নিহত ৬

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে পালটা-পালটি হামলার তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে রাশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘ওয়াইল্ডবেরিজ’-এর ইয়েকাতেরিনবার্গের একটি লজিস্টিকস কেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। হামলার আগে কেন্দ্রটি খালি করে ফেলা হলেও, ড্রোন আঘাত হানার পর সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ইউক্রেন অভিযোগ করেছে যে, রাশিয়ার যুদ্ধ প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠানটি সহায়তা করছে, যার কারণে গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে ওয়াইল্ডবেরিজের একাধিক স্থাপনায় তারা হামলা চালিয়ে আসছে। তবে রাশিয়া ও প্রতিষ্ঠানটি উভয়ই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

অন্যদিকে, ইউক্রেনে রাশিয়ার পালটা হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। শুক্রবার ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে রুশ ড্রোন, কামান ও আকাশ থেকে নিক্ষেপ করা বোমার হামলায় দুইজন নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছেন। অঞ্চলটির গভর্নর ওলেক্সান্দর হানঝা জানিয়েছেন, রাশিয়ার বাহিনী সেখানে অন্তত ৫০টি হামলা চালিয়েছে এবং মাত্র একদিন আগেই একই অঞ্চলে রুশ হামলায় আরও পাঁচজন নিহত হয়েছিলেন।

একই দিনে ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের খেরসনে একটি রুশ ‘মলনিয়া’ ড্রোন সড়কে চলন্ত গাড়িতে আঘাত হানলে ৭৭ বছর বয়সি এক নারী নিহত হন এবং বাসযাত্রীসহ আরও বেশ কয়েকজন আহত হন। এছাড়া খারকিভে ক্লাস্টার গোলাবারুদসহ বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহার করে ২১টি বসতিতে হামলা চালানো হয়েছে, যাতে দুইজন নিহত ও ১৮ জন আহত হয়েছেন। দোনেৎস্ক অঞ্চলেও গোলাবর্ষণে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া রাশিয়ার নিয়ন্ত্রিত ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের একটি ড্রোন আবাসিক ভবনে আঘাত হানলে আরও দুইজন নিহত হয়েছেন বলে রুশপন্থি প্রশাসন দাবি করেছে।

ইউক্রেন দাবি করেছে, গত ৪০ দিনে তারা রাশিয়ার ১৪টি তেল শোধনাগার, একাধিক তেল ডিপো, লোডিং টার্মিনাল, ১৪টি সামরিক বিমান এবং চারটি বিমানঘাঁটিতে সফল অভিযান চালিয়েছে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাফতোগাজ জানিয়েছে, শুক্রবার ভোরে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে তাদের সাতটি তেল ও গ্যাস উৎপাদন স্থাপনায় রুশ হামলায় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান সেরহি ফেদোরেঙ্কো অভিযোগ করেন, শীতের আগে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোকে অকার্যকর করে তুলতেই রাশিয়া পরিকল্পিতভাবে এসব হামলা চালাচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও দাবি করেছে যে, তারা কৃষ্ণসাগরে ইউক্রেনের দুটি কার্গো জাহাজ ও পিভদেননি বন্দরের জ্বালানি সংরক্ষণাগারে হামলা চালিয়েছে। এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শুক্রবার প্রথমবারের মতো সরকারি সফরে সার্বিয়া পৌঁছেছেন। তিনি জানান, দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র সার্বিয়ার সঙ্গে এই বৈঠক মস্কোর অসন্তোষের কারণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

রাশিয়ার ই-কমার্স কেন্দ্রে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, পালটা হামলায় নিহত ৬

আপডেট সময় : ০৩:৪৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
print news

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে পালটা-পালটি হামলার তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে রাশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘ওয়াইল্ডবেরিজ’-এর ইয়েকাতেরিনবার্গের একটি লজিস্টিকস কেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। হামলার আগে কেন্দ্রটি খালি করে ফেলা হলেও, ড্রোন আঘাত হানার পর সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ইউক্রেন অভিযোগ করেছে যে, রাশিয়ার যুদ্ধ প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠানটি সহায়তা করছে, যার কারণে গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে ওয়াইল্ডবেরিজের একাধিক স্থাপনায় তারা হামলা চালিয়ে আসছে। তবে রাশিয়া ও প্রতিষ্ঠানটি উভয়ই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

অন্যদিকে, ইউক্রেনে রাশিয়ার পালটা হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। শুক্রবার ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে রুশ ড্রোন, কামান ও আকাশ থেকে নিক্ষেপ করা বোমার হামলায় দুইজন নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছেন। অঞ্চলটির গভর্নর ওলেক্সান্দর হানঝা জানিয়েছেন, রাশিয়ার বাহিনী সেখানে অন্তত ৫০টি হামলা চালিয়েছে এবং মাত্র একদিন আগেই একই অঞ্চলে রুশ হামলায় আরও পাঁচজন নিহত হয়েছিলেন।

একই দিনে ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের খেরসনে একটি রুশ ‘মলনিয়া’ ড্রোন সড়কে চলন্ত গাড়িতে আঘাত হানলে ৭৭ বছর বয়সি এক নারী নিহত হন এবং বাসযাত্রীসহ আরও বেশ কয়েকজন আহত হন। এছাড়া খারকিভে ক্লাস্টার গোলাবারুদসহ বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহার করে ২১টি বসতিতে হামলা চালানো হয়েছে, যাতে দুইজন নিহত ও ১৮ জন আহত হয়েছেন। দোনেৎস্ক অঞ্চলেও গোলাবর্ষণে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া রাশিয়ার নিয়ন্ত্রিত ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের একটি ড্রোন আবাসিক ভবনে আঘাত হানলে আরও দুইজন নিহত হয়েছেন বলে রুশপন্থি প্রশাসন দাবি করেছে।

ইউক্রেন দাবি করেছে, গত ৪০ দিনে তারা রাশিয়ার ১৪টি তেল শোধনাগার, একাধিক তেল ডিপো, লোডিং টার্মিনাল, ১৪টি সামরিক বিমান এবং চারটি বিমানঘাঁটিতে সফল অভিযান চালিয়েছে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাফতোগাজ জানিয়েছে, শুক্রবার ভোরে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে তাদের সাতটি তেল ও গ্যাস উৎপাদন স্থাপনায় রুশ হামলায় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান সেরহি ফেদোরেঙ্কো অভিযোগ করেন, শীতের আগে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোকে অকার্যকর করে তুলতেই রাশিয়া পরিকল্পিতভাবে এসব হামলা চালাচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও দাবি করেছে যে, তারা কৃষ্ণসাগরে ইউক্রেনের দুটি কার্গো জাহাজ ও পিভদেননি বন্দরের জ্বালানি সংরক্ষণাগারে হামলা চালিয়েছে। এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শুক্রবার প্রথমবারের মতো সরকারি সফরে সার্বিয়া পৌঁছেছেন। তিনি জানান, দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র সার্বিয়ার সঙ্গে এই বৈঠক মস্কোর অসন্তোষের কারণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor