ঢাকা ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানের সঙ্গে সমঝোতা চান ট্রাম্প, ‘মানুষ হত্যা করতে চান না’ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনই আনসার বাহিনীর প্রধান কর্তব্য: ডিজি গ্যাস সংকটে লোকসানের মুখে সিএনজি স্টেশন, চাকরি হারানোর শঙ্কায় কর্মীরা টরন্টো চলচ্চিত্র উৎসবে রুবাইয়াত হোসেনের ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ না ফেরার দেশে প্রবীণ বলিউড অভিনেতা প্রদীপ সিং রাওয়াত সরকার উৎখাতের চেষ্টা করলে নিজেরাই উৎখাত হবেন: আবুল খায়ের উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপরে বাগদানের গুঞ্জনে ব্র্যাডলি কুপার ও জিজি হাদিদ গণতন্ত্র ও জনগণের শাসন স্থায়ী করতে প্রয়োজনে লড়াইয়ের অঙ্গীকার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের

আফগানিস্তানে তীব্র হচ্ছে শিশুর অপুষ্টি, সহায়তার অভাবে ধুঁকছে লাখো শিশু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

আন্তর্জাতিক সহায়তার চরম ঘাটতির মুখে দাঁড়িয়ে আফগানিস্তানে শিশুর অপুষ্টি পরিস্থিতি বর্তমানে এক আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) সতর্ক করে জানিয়েছে যে, প্রয়োজনীয় অর্থায়নের তীব্র সংকটের কারণে তারা মারাত্মক অপুষ্টিতে আক্রান্ত প্রতি সাতজন মা ও শিশুর মধ্যে মাত্র একজনকে সহায়তা প্রদান করতে পারছে। এর ফলে ৮৫ শতাংশেরও বেশি ভুক্তভোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে খালি হাতে ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।

সংস্থাটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আফগানিস্তানের মোট প্রদেশের এক-তৃতীয়াংশেই শিশুদের শারীরিক ক্ষয় বা ‘ওয়েস্টিং’ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ মাত্রায় পৌঁছেছে। অপুষ্টির এই প্রাণঘাতী রূপটিতে আক্রান্ত শিশুদের উচ্চতার তুলনায় ওজন মারাত্মকভাবে কমে যায়, যা মূলত পর্যাপ্ত খাবারের অভাব বা অসুস্থতার কারণে ঘটে। এই সংকটজনক পরিস্থিতির ৮০ শতাংশই দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ঘটছে। তাদের অনেকেই অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে আসা হচ্ছে, যার ফলে অনেক ক্ষেত্রে তাদের বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

দেশটির এই নাজুক পরিস্থিতির পেছনে বেশ কয়েকটি কারণকে মূল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সীমান্ত বাণিজ্য ব্যাহত হওয়া এবং গত তিন বছরে প্রতিবেশীদের বহিষ্কার নীতির কারণে প্রায় ৬০ লাখ আফগান নাগরিকের দেশে ফিরে আসা। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহায়তা ব্যাপকভাবে ছাঁটাই করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবারের দাম ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ চরম খাদ্য সংকটের কবলে পড়েছেন। যদিও চলতি মৌসুমে ফসলের ফলন ভালো হয়েছে, তবুও শরণার্থী আগমন ও মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের দুর্গতি কাটেনি। যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপীয় দাতা দেশগুলোর তহবিল কাটছাঁটের ফলে ডব্লিউএফপি চরম দুর্গত এলাকাগুলোতে দুর্ভিক্ষ প্রতিরোধের খাদ্য বিতরণ কর্মসূচিও স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

আফগানিস্তানে তীব্র হচ্ছে শিশুর অপুষ্টি, সহায়তার অভাবে ধুঁকছে লাখো শিশু

আপডেট সময় : ০৫:০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
print news

আন্তর্জাতিক সহায়তার চরম ঘাটতির মুখে দাঁড়িয়ে আফগানিস্তানে শিশুর অপুষ্টি পরিস্থিতি বর্তমানে এক আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) সতর্ক করে জানিয়েছে যে, প্রয়োজনীয় অর্থায়নের তীব্র সংকটের কারণে তারা মারাত্মক অপুষ্টিতে আক্রান্ত প্রতি সাতজন মা ও শিশুর মধ্যে মাত্র একজনকে সহায়তা প্রদান করতে পারছে। এর ফলে ৮৫ শতাংশেরও বেশি ভুক্তভোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে খালি হাতে ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।

সংস্থাটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আফগানিস্তানের মোট প্রদেশের এক-তৃতীয়াংশেই শিশুদের শারীরিক ক্ষয় বা ‘ওয়েস্টিং’ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ মাত্রায় পৌঁছেছে। অপুষ্টির এই প্রাণঘাতী রূপটিতে আক্রান্ত শিশুদের উচ্চতার তুলনায় ওজন মারাত্মকভাবে কমে যায়, যা মূলত পর্যাপ্ত খাবারের অভাব বা অসুস্থতার কারণে ঘটে। এই সংকটজনক পরিস্থিতির ৮০ শতাংশই দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ঘটছে। তাদের অনেকেই অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে আসা হচ্ছে, যার ফলে অনেক ক্ষেত্রে তাদের বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

দেশটির এই নাজুক পরিস্থিতির পেছনে বেশ কয়েকটি কারণকে মূল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সীমান্ত বাণিজ্য ব্যাহত হওয়া এবং গত তিন বছরে প্রতিবেশীদের বহিষ্কার নীতির কারণে প্রায় ৬০ লাখ আফগান নাগরিকের দেশে ফিরে আসা। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহায়তা ব্যাপকভাবে ছাঁটাই করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবারের দাম ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ চরম খাদ্য সংকটের কবলে পড়েছেন। যদিও চলতি মৌসুমে ফসলের ফলন ভালো হয়েছে, তবুও শরণার্থী আগমন ও মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের দুর্গতি কাটেনি। যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপীয় দাতা দেশগুলোর তহবিল কাটছাঁটের ফলে ডব্লিউএফপি চরম দুর্গত এলাকাগুলোতে দুর্ভিক্ষ প্রতিরোধের খাদ্য বিতরণ কর্মসূচিও স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy