ঢাকা ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়ার সুযোগ, মাসে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা বৃত্তি তিন পুত্র সন্তানের জননী কল্পনার পাশে দাঁড়ালেন উপজেলা প্রশাসন বৃষ্টির দাপটে ভারত ও পাকিস্তান সেমিফাইনালে, শঙ্কায় বাংলাদেশের ম্যাচ পিরোজপুরে গৃহবধূ হত্যা মামলায় ৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ইরান যেভাবে আধুনিক যুদ্ধরীতির ধরন বদলে দিল ফাহাদ ফাসিলের ‘ডোন্ট ট্রাবল দ্য ট্রাবল’ সিনেমার ট্রেলার প্রকাশ অস্ত্র নয়, জনগণই দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি: মুফতি ফয়জুল করীম বধূ সাজে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রভা, জানালেন কারণ বেলাবোতে ভোটকেন্দ্র পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ নতুন সিনেমা ‘কানাভুলা প্যারাডক্স’ নিয়ে বড় পর্দায় সাবিলা নূর

হাসপাতালে রক্ত দিতে গিয়ে নার্সের জুতোয় সূঁচ, এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:৫২:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



গলব্লাডার অপসারণের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলাম। ঝকঝকে তকতকে সেই পরিবেশে বেশ আরামই বোধ করছিলাম। অপারেশনের আগের রুটিন ব্লাড টেস্টের জন্য এক নার্স আমার কাছে এলেন রক্ত নেওয়ার উদ্দেশ্যে।

সূঁচের প্রতি আমার প্রচণ্ড ভীতি রয়েছে। তাই নার্সের দিকে তাকিয়ে কাতর গলায় অনুরোধ করলাম, “সূঁচে বড্ড ভয় পাই। রক্ত সাবধানে নেবেন। ব্যথা দেবেন না।”

হাসিখুশি সেই নার্স আমাকে আশ্বস্ত করে মিষ্টি হেসে বললেন, “বাটারফ্লাই দিয়ে নেব। লাগবে না।”

নার্স আমার কনুইয়ের ওপর বাঁধন দিলেন এবং তার হাতে বাটারফ্লাইসমেত উন্মুক্ত সূঁচ প্রস্তুত ছিল। আমি ভয়ে চোখ বন্ধ করে ফেললাম। আমার চারপাশটা যেন স্থির হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবে নিডল আমার শরীর স্পর্শ করার ঠিক আগের মুহূর্তেই আমি আচমকা চিৎকার করে উঠলাম।

আমার সেই অসময়ের ভয়াবহ চিৎকারে নার্স হকচকিয়ে গিয়ে কেঁপে উঠলেন। হতভম্ব চোখে তাকিয়ে দেখি, বাটারফ্লাইসমেত সেই খোলা নিডলটি নার্সের নিজের পায়ের জুতোর ওপর খাড়া হয়ে গেঁথে আছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

হাসপাতালে রক্ত দিতে গিয়ে নার্সের জুতোয় সূঁচ, এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা

আপডেট সময় : ০৮:৫২:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গলব্লাডার অপসারণের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলাম। ঝকঝকে তকতকে সেই পরিবেশে বেশ আরামই বোধ করছিলাম। অপারেশনের আগের রুটিন ব্লাড টেস্টের জন্য এক নার্স আমার কাছে এলেন রক্ত নেওয়ার উদ্দেশ্যে।

সূঁচের প্রতি আমার প্রচণ্ড ভীতি রয়েছে। তাই নার্সের দিকে তাকিয়ে কাতর গলায় অনুরোধ করলাম, “সূঁচে বড্ড ভয় পাই। রক্ত সাবধানে নেবেন। ব্যথা দেবেন না।”

হাসিখুশি সেই নার্স আমাকে আশ্বস্ত করে মিষ্টি হেসে বললেন, “বাটারফ্লাই দিয়ে নেব। লাগবে না।”

নার্স আমার কনুইয়ের ওপর বাঁধন দিলেন এবং তার হাতে বাটারফ্লাইসমেত উন্মুক্ত সূঁচ প্রস্তুত ছিল। আমি ভয়ে চোখ বন্ধ করে ফেললাম। আমার চারপাশটা যেন স্থির হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবে নিডল আমার শরীর স্পর্শ করার ঠিক আগের মুহূর্তেই আমি আচমকা চিৎকার করে উঠলাম।

আমার সেই অসময়ের ভয়াবহ চিৎকারে নার্স হকচকিয়ে গিয়ে কেঁপে উঠলেন। হতভম্ব চোখে তাকিয়ে দেখি, বাটারফ্লাইসমেত সেই খোলা নিডলটি নার্সের নিজের পায়ের জুতোর ওপর খাড়া হয়ে গেঁথে আছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin