ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা জারি পলাশবাড়ীতে প্লাবন হত্যা মামলার আসামি শ্রমিক লীগ নেতা লিটন গ্রেপ্তার ড. ইউনূসকে হয়রানি ও অপপ্রচারের ঘটনায় ১২ সাবেক উপদেষ্টার নিন্দা বেনাপোল পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্যের প্রতিবাদ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নীতিমালা ২০২৭ প্রকাশ বিএনপির সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন আহমেদ আর নেই ভাঙ্গুড়ায় গুমানী নদীতে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা বেনাপোলে চার পূজামণ্ডপে বিএনপির নেতার আর্থিক অনুদান প্রদান তিন দিনে শাবিপ্রবির তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যু, শোকের ছায়া ক্যাম্পাসে জগন্নাথপুরে প্রবাসীর স্ত্রী হত্যায় জিতেশ চন্দ্র গোপের মৃত্যুদণ্ড

মধুপুরে একমাত্র অ্যাম্বুলেন্সটি নষ্ট, সেবাবঞ্চিত প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬ ২২৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নটিতে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষের বসবাস। এখানে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেশি। এই ইউনিয়নের রোগীদের কম খরচে বদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কিংবা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার কথা চিন্তা করে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এলজিএসপি-২ প্রকল্পের অর্থায়নে অ্যাম্বুলেন্সটি কেনা হয়।

অ্যাম্বুলেন্সটি দীর্ঘদিন থেকে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। নষ্ট থাকা অ্যাম্বুলেন্সটি মেরামতের উদ্যোগ না নেওয়ায় খোলা আকাশের নিচে পড়ে থেকে প্রায় সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে গাড়িটি। ফলে জরুরি রোগীদের হাসপাতালে নিতে ইউনিয়নবাসীকে অতিরিক্ত খরচ গুনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অ্যাম্বুলেন্সটি সচল না থাকায় রোগীদের হাসপাতালে নিতে এখন বেসরকারি যানবাহনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে ভাড়া দিতে হচ্ছে প্রায় দ্বিগুণ। অনেক সময় আবার প্রয়োজনের মুহূর্তে গাড়িও পাওয়া যায় না।

মধুপুর ইউনিয়নের রাজরামপুর গ্রামের বাসিন্দা সামছুল হক জানান, আগে এই অ্যাম্বুলেন্সে রোগী নিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলাম। ভাড়া লাগত ৭৫০ টাকা। এখন এটি নষ্ট থাকায় বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে যেতে হয়। সময়মতো গাড়ি পাওয়া যায় না, আবার ভাড়াও দিতে হয় দ্বিগুণ।

মধুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আলম দাবি করেন, তিনি ২০২২ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর দুবার নিজ উদ্যোগে অ্যাম্বুলেন্সটি মেরামত করে সচল করেছিলেন। তবে কিছুদিন চলার পর আবারও বিকল হয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, গাড়িটি পুরোপুরি মেরামত করতে প্রায় চার লাখ টাকা প্রয়োজন। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে এত টাকা বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব নয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। গ্যারেজ না থাকায় অ্যাম্বুলেন্সটি খোলা আকাশের নিচে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

উক্ত বিষয়ে বদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আঞ্জুমান সুলতানা জানান, বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না। অ্যাম্বুলেন্সটি মেরামতের জন্য দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

মধুপুরে একমাত্র অ্যাম্বুলেন্সটি নষ্ট, সেবাবঞ্চিত প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ

আপডেট সময় : ০৪:৪৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নটিতে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষের বসবাস। এখানে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেশি। এই ইউনিয়নের রোগীদের কম খরচে বদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কিংবা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার কথা চিন্তা করে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এলজিএসপি-২ প্রকল্পের অর্থায়নে অ্যাম্বুলেন্সটি কেনা হয়।

অ্যাম্বুলেন্সটি দীর্ঘদিন থেকে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। নষ্ট থাকা অ্যাম্বুলেন্সটি মেরামতের উদ্যোগ না নেওয়ায় খোলা আকাশের নিচে পড়ে থেকে প্রায় সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে গাড়িটি। ফলে জরুরি রোগীদের হাসপাতালে নিতে ইউনিয়নবাসীকে অতিরিক্ত খরচ গুনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অ্যাম্বুলেন্সটি সচল না থাকায় রোগীদের হাসপাতালে নিতে এখন বেসরকারি যানবাহনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে ভাড়া দিতে হচ্ছে প্রায় দ্বিগুণ। অনেক সময় আবার প্রয়োজনের মুহূর্তে গাড়িও পাওয়া যায় না।

মধুপুর ইউনিয়নের রাজরামপুর গ্রামের বাসিন্দা সামছুল হক জানান, আগে এই অ্যাম্বুলেন্সে রোগী নিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলাম। ভাড়া লাগত ৭৫০ টাকা। এখন এটি নষ্ট থাকায় বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে যেতে হয়। সময়মতো গাড়ি পাওয়া যায় না, আবার ভাড়াও দিতে হয় দ্বিগুণ।

মধুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আলম দাবি করেন, তিনি ২০২২ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর দুবার নিজ উদ্যোগে অ্যাম্বুলেন্সটি মেরামত করে সচল করেছিলেন। তবে কিছুদিন চলার পর আবারও বিকল হয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, গাড়িটি পুরোপুরি মেরামত করতে প্রায় চার লাখ টাকা প্রয়োজন। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে এত টাকা বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব নয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। গ্যারেজ না থাকায় অ্যাম্বুলেন্সটি খোলা আকাশের নিচে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

উক্ত বিষয়ে বদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আঞ্জুমান সুলতানা জানান, বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না। অ্যাম্বুলেন্সটি মেরামতের জন্য দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।