ঢাকা ০৫:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ নিয়ে নতুন তথ্য জানালেন বোর্ড চেয়ারম্যান জামায়াত এমপির পদত্যাগ দাবিতে শ্যামনগরে বিক্ষোভ ও কুশপুত্তলিকা দাহ হামে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮০০ ছাড়াল ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে আইনজীবীদের অনুমতি, সাবেক এমপি মনুসহ ৪ জনকে হাজিরের নির্দেশ ইরান যুদ্ধ নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আটক বিক্ষোভকারীরা ছাড়া পেয়েই ফিরছেন যন্তর মন্তরের আন্দোলনে আলজেরিয়ায় দাবানলে ৬ জনের মৃত্যু, এখনও জ্বলছে আগুন ফ্রিল্যান্সারদের বৈদেশিক আয় দেশে আনার নিয়ম সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩ বছরেও শেষ হয়নি পাগলা নদীর সেতু, চরম দুর্ভোগে বাসিন্দারা সৌদির পরমাণু চুক্তিতে ট্রাম্পের অনুমোদন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সুযোগ

উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছে, ১১ জেলায় বন্যার সতর্কবার্তা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

উজানের ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে তিস্তা নদীর পানি আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টায় নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৪ মিটার, যা বিপৎসীমার মাত্র ১ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডালিয়া ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে এবং পানির স্তর আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়ন এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ শুরু করেছে। টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহীন জানিয়েছেন, নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, তারা সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

এদিকে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অন্তত ১১টি জেলায় বন্যা ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার অববাহিকার লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলায় বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। এছাড়াও সিলেট ও সুনামগঞ্জের সুরমা-কুশিয়ারা, সারিগোয়াইন ও যাদুকাটা নদী; নেত্রকোনার সোমেশ্বরী অববাহিকা এবং নওগাঁর আত্রাই নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলোও ঝুঁকিতে রয়েছে।

একই সাথে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা অববাহিকার কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল এবং আত্রাই ও ছোট যমুনা অববাহিকার নওগাঁ, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জেলায় বন্যার শঙ্কা রয়েছে। এছাড়া সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর অববাহিকার বান্দরবান, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছে, ১১ জেলায় বন্যার সতর্কবার্তা

আপডেট সময় : ০৩:৪৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
print news

উজানের ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে তিস্তা নদীর পানি আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টায় নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৪ মিটার, যা বিপৎসীমার মাত্র ১ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডালিয়া ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে এবং পানির স্তর আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়ন এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ শুরু করেছে। টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহীন জানিয়েছেন, নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, তারা সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

এদিকে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অন্তত ১১টি জেলায় বন্যা ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার অববাহিকার লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলায় বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। এছাড়াও সিলেট ও সুনামগঞ্জের সুরমা-কুশিয়ারা, সারিগোয়াইন ও যাদুকাটা নদী; নেত্রকোনার সোমেশ্বরী অববাহিকা এবং নওগাঁর আত্রাই নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলোও ঝুঁকিতে রয়েছে।

একই সাথে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা অববাহিকার কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল এবং আত্রাই ও ছোট যমুনা অববাহিকার নওগাঁ, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জেলায় বন্যার শঙ্কা রয়েছে। এছাড়া সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর অববাহিকার বান্দরবান, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din