ঢাকা ০৩:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোনারগাঁয়ে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১২ ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে ট্যাব ও প্রশিক্ষণ শুরু সমাজসেবা অধিদপ্তরের জাতিসংঘে আজ প্রথম ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান না ফেরার দেশে প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক আখতার হুসেন বঙ্গভবনের সিংহ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন প্রেসিডেন্ট বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল, কারণ জানাল রয়টার্স টেকসই উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান ববি হাজ্জাজের স্কুলে ঢুকে ছাত্রকে মারধর, ছাত্রদল সভাপতি আজীবন বহিষ্কার আফগানিস্তানের ১০টি লক্ষ্যবস্তুতে পাকিস্তানের বিমান ও ড্রোন হামলা দাউদকান্দি থানায় ১৭ কিশোরের পালানোর অভিযোগ, অস্বীকার পুলিশের

নবম পে স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের শিক্ষাসহায়ক ভাতার নিয়ম ও শর্তাবলী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:১২:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এতে সন্তানদের শিক্ষাসহায়ক ভাতা, টিফিন ভাতা এবং ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধির বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন আজ শনিবার জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ শিরোনামের এই প্রজ্ঞাপনে শিক্ষাসহায়ক ভাতা ও টিফিন ভাতা সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী, নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে চাকরিজীবীরা তাদের সন্তানদের জন্য মাসিক শিক্ষাসহায়ক ভাতা পাবেন।

প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী, একজন কর্মচারী তার প্রত্যেক সন্তানের জন্য মাসিক ৫০০ টাকা হারে এবং অনধিক দুই সন্তানের জন্য মাসিক সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা শিক্ষাসহায়ক ভাতা পাবেন। তবে স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই সরকারি কর্মচারী হলে সন্তানের সংখ্যা যেকোনো একজনের ক্ষেত্রে গণনা করে ভাতার পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে। এছাড়া বয়সের সার্টিফিকেট দাখিল সাপেক্ষে সন্তানের ২৩ বছর বয়স পর্যন্ত এই ভাতা প্রাপ্য হবেন চাকরিজীবীরা। শিক্ষাসহায়ক ভাতার ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের ২০১৫ সালের ১৪ অক্টোবরের চিঠি এবং ২০১৮ সালের ২৯ জানুয়ারির এসআরও অনুসরণ করতে হবে।

নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং ১০ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ হারে বাড়তি সুবিধা পাবেন, যা গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে। এরপর ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা মূল বেতনের ৭০ শতাংশ এবং ১০ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মীরা ৭৫ শতাংশ হারে বাড়তি বেতন পাবেন। ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে বেতনবৃদ্ধি শতভাগ কার্যকর হবে। যেহেতু নতুন বেতনকাঠামো ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে, তাই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বকেয়া বেতনও পাবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন বেতনকাঠামোর অন্যান্য সব ভাতা পাওয়া শুরু করবেন। একইভাবে পেনশন সুবিধাভোগীরাও নতুন বেতনকাঠামোর যাবতীয় সুবিধা পাবেন। নতুন বেতনকাঠামোতে ১ম থেকে ১০ম গ্রেড পর্যন্ত কর্মকর্তাদের মূল বেতন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত এবং ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিজীবীদের মূল বেতন ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। এছাড়া আনুপাতিক হারে বিভিন্ন ধরনের ভাতাও বৃদ্ধি পাবে। নতুন কাঠামোতে মাসিক পেনশন সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ২০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ১৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

নবম পে স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের শিক্ষাসহায়ক ভাতার নিয়ম ও শর্তাবলী

আপডেট সময় : ০৫:১২:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন আজ শনিবার জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ শিরোনামের এই প্রজ্ঞাপনে শিক্ষাসহায়ক ভাতা ও টিফিন ভাতা সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী, নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে চাকরিজীবীরা তাদের সন্তানদের জন্য মাসিক শিক্ষাসহায়ক ভাতা পাবেন।

প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী, একজন কর্মচারী তার প্রত্যেক সন্তানের জন্য মাসিক ৫০০ টাকা হারে এবং অনধিক দুই সন্তানের জন্য মাসিক সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা শিক্ষাসহায়ক ভাতা পাবেন। তবে স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই সরকারি কর্মচারী হলে সন্তানের সংখ্যা যেকোনো একজনের ক্ষেত্রে গণনা করে ভাতার পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে। এছাড়া বয়সের সার্টিফিকেট দাখিল সাপেক্ষে সন্তানের ২৩ বছর বয়স পর্যন্ত এই ভাতা প্রাপ্য হবেন চাকরিজীবীরা। শিক্ষাসহায়ক ভাতার ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের ২০১৫ সালের ১৪ অক্টোবরের চিঠি এবং ২০১৮ সালের ২৯ জানুয়ারির এসআরও অনুসরণ করতে হবে।

নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং ১০ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ হারে বাড়তি সুবিধা পাবেন, যা গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে। এরপর ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা মূল বেতনের ৭০ শতাংশ এবং ১০ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মীরা ৭৫ শতাংশ হারে বাড়তি বেতন পাবেন। ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে বেতনবৃদ্ধি শতভাগ কার্যকর হবে। যেহেতু নতুন বেতনকাঠামো ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে, তাই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বকেয়া বেতনও পাবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন বেতনকাঠামোর অন্যান্য সব ভাতা পাওয়া শুরু করবেন। একইভাবে পেনশন সুবিধাভোগীরাও নতুন বেতনকাঠামোর যাবতীয় সুবিধা পাবেন। নতুন বেতনকাঠামোতে ১ম থেকে ১০ম গ্রেড পর্যন্ত কর্মকর্তাদের মূল বেতন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত এবং ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিজীবীদের মূল বেতন ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। এছাড়া আনুপাতিক হারে বিভিন্ন ধরনের ভাতাও বৃদ্ধি পাবে। নতুন কাঠামোতে মাসিক পেনশন সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ২০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ১৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo