চাকরিতে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে ববিতে মানববন্ধন
- আপডেট সময় : ০৩:০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

সরকারি তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্রশক্তি ববি শাখা। গত মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নাম্বার গেটের সামনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছাত্রশক্তির নেতারা মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধিকে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক বলে আখ্যায়িত করেন। তারা সরকারকে অতি দ্রুত এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানান। কর্মসূচিতে সংগঠনটির ববি শাখার মুখ্য সংগঠক শহিদুল ইসলাম শাহেদ ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইমরান আল আমিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
জাতীয় ছাত্রশক্তি ববি শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম ওয়াহিদুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, সরকারি তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভাইভা বোর্ডে ৫০ শতাংশ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দলীয় ক্যাডার ও লেজুড়ভিত্তিক কর্মীদের নিয়োগ দেওয়ার একটি নীল নকশা তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে ২০২৪ সালের কোটা আন্দোলন ব্যর্থতার মুখে পড়তে যাচ্ছে। তিনি এই স্বার্থান্বেষী সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি দেশের সাধারণ মানুষকেও এই নীল নকশার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
সংগঠনটির ববি শাখার আহ্বায়ক মোহাম্মদ বেলাল বিগত দিনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট টেনে বলেন, অতীতে নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর সব জেলা ও উপজেলায় দলীয় প্রশাসক নিয়োগ করেছিল। আর এখন সরকারি চাকরিতেও দলীয়করণের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। একজন দরিদ্র শিক্ষার্থী পড়াশোনা শেষ করে যেখানে জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করবে, সেখানে যদি দলীয়করণ শুরু হয়, তবে তা আওয়ামী লীগের কোটা ব্যবস্থার চেয়েও ভয়াবহ রূপ নেবে। তিনি এটিকে সরকারের একটি সম্পূর্ণ ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করে তা পুনর্বিবেচনার দাবি জানান। অন্যথায় ২০২৪ সালের মতো আবারও রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ৬ সেপ্টেম্বর প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটি একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং এর আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের (তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি) নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সমান ৫০ নম্বর করে রাখার নিয়ম করা হয়েছে।




























