হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকীতে ইউসিটিসি ড্রামা ক্লাবের ‘নিমফুল’ মঞ্চায়ন

- আপডেট সময় : ০৭:০০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, চট্টগ্রাম (ইউসিটিসি)-এর ড্রামা ক্লাব তার কালজয়ী নাটক ‘নিমফুল’ মঞ্চস্থ করেছে। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ভবনের মিলনায়তনে আয়োজিত এই প্রযোজনায় শিক্ষার্থীরা অভিনয়ের মাধ্যমে নাটকটির মানবিক আবেদন, গ্রামীণ জীবন ও সম্পর্কের সূক্ষ্ম আবেগগুলো দর্শকদের সামনে অত্যন্ত প্রাণবন্তভাবে ফুটিয়ে তোলেন। পুরো আয়োজনজুড়ে দর্শকদের ব্যাপক উপস্থিতি ও আগ্রহ ছিল লক্ষণীয়।
নাটকটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন জুনায়েদ হোসেন জাওয়াদ (হেদায়েত চৌধুরী), ফারজানা মুন্সি সীমা (মদিনা), রিফাত হাসান (মাস্টার), ইমতিয়াজ ইমতি (ফজলু), সফল দাশ (কুদ্দুস), সাওয়াদ সামি (মনা ডাকাত), আরিয়ান (মনা ডাকাতের ছেলে), মারুফ চৌধুরী (হেডমাস্টার), সিয়াম (মেম্বার), জয়নাল (অর্নব দত্ত), তাওছিন আক্তার (সালেহার আম্মা) এবং উম্মে সামিহা (সালেহা)। পুরো প্রযোজনাটির নির্দেশনায় ছিলেন মায়া দত্ত।
হেদায়েত চৌধুরী চরিত্রে অভিনয় করা জুনায়েদ হোসেন জাওয়াদ বলেন, হুমায়ূন আহমেদের নাটকে অভিনয় করা একদিকে যেমন গর্বের, তেমনি অনেক বড় একটি দায়িত্বেরও। চরিত্রটিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার জন্য আমরা দীর্ঘ সময় ধরে মহড়া করেছি। দর্শকদের ভালোবাসা পাওয়াই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
নির্দেশক মায়া দত্ত জানান, হুমায়ূন আহমেদের নাটক কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং তা মানুষকে জীবন, সম্পর্ক ও সমাজকে নতুন করে ভাবতে শেখায়। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে তাঁর সৃষ্টিকে মঞ্চে তুলে ধরার মধ্য দিয়ে আমরা তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছি।
নাটক দেখতে আসা দর্শকদের পক্ষ থেকেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। এক দর্শক জানান, সীমিত আয়োজন সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা নাটকের আবহ সুন্দরভাবে তৈরি করতে পেরেছে এবং তাদের অভিনয় ছিল বেশ আন্তরিক ও পরিণত। আরেক দর্শক মন্তব্য করেন, হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকীতে এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়, যা শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত দর্শকরা অভিনয়শিল্পী ও নির্দেশককে অভিনন্দন জানান। আয়োজকরা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতেও বাংলা নাট্যসাহিত্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টিগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।




























