ঢাকা ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ড রায় ঘোষণা দোকান উচ্ছেদ নিয়ে ২ গোষ্ঠীর রণক্ষেত্র, নারী সহ আহত ২০ যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা ক্ষেত্রপালা বিদ্যুতের লাইনকে কেন্দ্র করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ড্রাইভারদের অনিয়ম, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা নোয়াখালীতে বিএনপি-আওয়ামী লীগ সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর আহত ১০ পরশুরামে মাদক মামলার আসামি ফাতেমা গ্রেফতার কুড়িগ্রামে পিকআপ ও মোটরসাইকেল মুখামুখি সংঘর্ষে পিতা ও পুত্র নিহত গোপালগঞ্জ ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ১ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় বাস এর সাথে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত-২ ভিক্ষুককে কুপিয়ে ১৬০ টাকা ছিনতাই, কিশোর গ্যাং লিডার আটক

জলঢাকায় বই হীন হাতে স্বপ্ন অভিভাবকদের অভিযোগে মুখর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান, বুরো চিপ রংপুর বিভাগ:
  • আপডেট সময় : ১০:০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬ ১৫৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান
বুরো চিপ রংপুর বিভাগ:

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার মিরগঞ্জ ইউনিয়নে সাদুরবাজার রশিদপুর উত্তর পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় যে প্রতিষ্ঠানে প্রতিবছর শিশুদের হাতে হাতে বই তুলে দিয়ে স্বপ্ন বোনা হতো, আজ সেখানে বইয়ের অপেক্ষায় কচিকাঁচা শিশু শিক্ষার্থীদের চোখে হতাশার ছায়া।

অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা বলেন, নতুন বছরের প্রথমদিনে সরকার সারাদেশের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেও এখনো রশিদপুর উত্তর পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যের সরকারী পাঠ্যবই হাতে পায়নি।

তারা আরও বলেন, এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইব্রাহিম শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্কুল ড্রেস ও বই বাবদ জনপ্রতি ৪০০ টাকা পরিশোধ না করলে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই হাতে তুলে দিবেন না। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনোবল ভেঙে যাচ্ছে।

অভিভাবকরা আরও বলেন, প্রধান শিক্ষক নিজে একজন কাপড় ব্যবসায়ী। তিনি শিক্ষার্থীদের বাধ্য করছেন নির্দিষ্ট দোকান/প্রতিষ্ঠান থেকে স্কুল ড্রেস কিনতে যা সরকারি নীতিমালার পরিপন্থী।

এদিকে নিয়ম অনুযায়ী বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়ার সরকারী নির্দেশনা থাকলেও সেই নিয়মের তোয়াক্কা না করে দিনের পর দিন বই আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন অভিভাবকরা।

এলাকাবাসী জানান, প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে নানা অনিয়ম চালিয়ে আসছেন এর ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, আর নিষ্পাপ শিশুদের বুকের ভেতর জমে উঠছে অনিশ্চয়তার ভার।

অভিভাবক ও এলাকাবাসীর দাবী দ্রুত এই অনিয়মের তদন্ত করে প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবি করেছেন।

তারা বলছেন, বই ছাড়া শিশুর শিক্ষা যেমন অসম্পূর্ণ, তেমনি অবিচার নিয়ে বেড়ে ওঠা একটি প্রজন্ম জাতির জন্য অশনি সংকেত।

এদিকে শিশুদের হাতে বই তুলে দিয়ে তাদের চোখে আবারও স্বপ্নের আলো জ্বালানোর আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

জলঢাকায় বই হীন হাতে স্বপ্ন অভিভাবকদের অভিযোগে মুখর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

আপডেট সময় : ১০:০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
print news

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান
বুরো চিপ রংপুর বিভাগ:

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার মিরগঞ্জ ইউনিয়নে সাদুরবাজার রশিদপুর উত্তর পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় যে প্রতিষ্ঠানে প্রতিবছর শিশুদের হাতে হাতে বই তুলে দিয়ে স্বপ্ন বোনা হতো, আজ সেখানে বইয়ের অপেক্ষায় কচিকাঁচা শিশু শিক্ষার্থীদের চোখে হতাশার ছায়া।

অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা বলেন, নতুন বছরের প্রথমদিনে সরকার সারাদেশের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেও এখনো রশিদপুর উত্তর পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যের সরকারী পাঠ্যবই হাতে পায়নি।

তারা আরও বলেন, এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইব্রাহিম শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্কুল ড্রেস ও বই বাবদ জনপ্রতি ৪০০ টাকা পরিশোধ না করলে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই হাতে তুলে দিবেন না। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনোবল ভেঙে যাচ্ছে।

অভিভাবকরা আরও বলেন, প্রধান শিক্ষক নিজে একজন কাপড় ব্যবসায়ী। তিনি শিক্ষার্থীদের বাধ্য করছেন নির্দিষ্ট দোকান/প্রতিষ্ঠান থেকে স্কুল ড্রেস কিনতে যা সরকারি নীতিমালার পরিপন্থী।

এদিকে নিয়ম অনুযায়ী বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়ার সরকারী নির্দেশনা থাকলেও সেই নিয়মের তোয়াক্কা না করে দিনের পর দিন বই আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন অভিভাবকরা।

এলাকাবাসী জানান, প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে নানা অনিয়ম চালিয়ে আসছেন এর ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, আর নিষ্পাপ শিশুদের বুকের ভেতর জমে উঠছে অনিশ্চয়তার ভার।

অভিভাবক ও এলাকাবাসীর দাবী দ্রুত এই অনিয়মের তদন্ত করে প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবি করেছেন।

তারা বলছেন, বই ছাড়া শিশুর শিক্ষা যেমন অসম্পূর্ণ, তেমনি অবিচার নিয়ে বেড়ে ওঠা একটি প্রজন্ম জাতির জন্য অশনি সংকেত।

এদিকে শিশুদের হাতে বই তুলে দিয়ে তাদের চোখে আবারও স্বপ্নের আলো জ্বালানোর আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।