ঢাকা ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোবহানার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড সংগ্রহ ৫ বছর পর ন্যান্সি ও জাহিদ নিরবের দ্বৈত গান ‘দিওয়ানা দিল’ তুরস্কে পর্যটকবাহী বাস ও টো ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭ পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রতিমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জাতীয় ক্রিকেট লিগে একদিনে পাঁচ ব্যাটারের সেঞ্চুরি দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদের ভূত যেভাবে মোদি সরকারকে তাড়া করছে দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে

জলঢাকায় বই হীন হাতে স্বপ্ন অভিভাবকদের অভিযোগে মুখর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান, বুরো চিপ রংপুর বিভাগ:
  • আপডেট সময় : ১০:০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬ ২০৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান
বুরো চিপ রংপুর বিভাগ:

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার মিরগঞ্জ ইউনিয়নে সাদুরবাজার রশিদপুর উত্তর পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় যে প্রতিষ্ঠানে প্রতিবছর শিশুদের হাতে হাতে বই তুলে দিয়ে স্বপ্ন বোনা হতো, আজ সেখানে বইয়ের অপেক্ষায় কচিকাঁচা শিশু শিক্ষার্থীদের চোখে হতাশার ছায়া।

অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা বলেন, নতুন বছরের প্রথমদিনে সরকার সারাদেশের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেও এখনো রশিদপুর উত্তর পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যের সরকারী পাঠ্যবই হাতে পায়নি।

তারা আরও বলেন, এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইব্রাহিম শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্কুল ড্রেস ও বই বাবদ জনপ্রতি ৪০০ টাকা পরিশোধ না করলে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই হাতে তুলে দিবেন না। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনোবল ভেঙে যাচ্ছে।

অভিভাবকরা আরও বলেন, প্রধান শিক্ষক নিজে একজন কাপড় ব্যবসায়ী। তিনি শিক্ষার্থীদের বাধ্য করছেন নির্দিষ্ট দোকান/প্রতিষ্ঠান থেকে স্কুল ড্রেস কিনতে যা সরকারি নীতিমালার পরিপন্থী।

এদিকে নিয়ম অনুযায়ী বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়ার সরকারী নির্দেশনা থাকলেও সেই নিয়মের তোয়াক্কা না করে দিনের পর দিন বই আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন অভিভাবকরা।

এলাকাবাসী জানান, প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে নানা অনিয়ম চালিয়ে আসছেন এর ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, আর নিষ্পাপ শিশুদের বুকের ভেতর জমে উঠছে অনিশ্চয়তার ভার।

অভিভাবক ও এলাকাবাসীর দাবী দ্রুত এই অনিয়মের তদন্ত করে প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবি করেছেন।

তারা বলছেন, বই ছাড়া শিশুর শিক্ষা যেমন অসম্পূর্ণ, তেমনি অবিচার নিয়ে বেড়ে ওঠা একটি প্রজন্ম জাতির জন্য অশনি সংকেত।

এদিকে শিশুদের হাতে বই তুলে দিয়ে তাদের চোখে আবারও স্বপ্নের আলো জ্বালানোর আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

জলঢাকায় বই হীন হাতে স্বপ্ন অভিভাবকদের অভিযোগে মুখর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

আপডেট সময় : ১০:০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান
বুরো চিপ রংপুর বিভাগ:

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার মিরগঞ্জ ইউনিয়নে সাদুরবাজার রশিদপুর উত্তর পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় যে প্রতিষ্ঠানে প্রতিবছর শিশুদের হাতে হাতে বই তুলে দিয়ে স্বপ্ন বোনা হতো, আজ সেখানে বইয়ের অপেক্ষায় কচিকাঁচা শিশু শিক্ষার্থীদের চোখে হতাশার ছায়া।

অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা বলেন, নতুন বছরের প্রথমদিনে সরকার সারাদেশের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেও এখনো রশিদপুর উত্তর পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যের সরকারী পাঠ্যবই হাতে পায়নি।

তারা আরও বলেন, এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইব্রাহিম শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্কুল ড্রেস ও বই বাবদ জনপ্রতি ৪০০ টাকা পরিশোধ না করলে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই হাতে তুলে দিবেন না। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনোবল ভেঙে যাচ্ছে।

অভিভাবকরা আরও বলেন, প্রধান শিক্ষক নিজে একজন কাপড় ব্যবসায়ী। তিনি শিক্ষার্থীদের বাধ্য করছেন নির্দিষ্ট দোকান/প্রতিষ্ঠান থেকে স্কুল ড্রেস কিনতে যা সরকারি নীতিমালার পরিপন্থী।

এদিকে নিয়ম অনুযায়ী বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়ার সরকারী নির্দেশনা থাকলেও সেই নিয়মের তোয়াক্কা না করে দিনের পর দিন বই আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন অভিভাবকরা।

এলাকাবাসী জানান, প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে নানা অনিয়ম চালিয়ে আসছেন এর ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, আর নিষ্পাপ শিশুদের বুকের ভেতর জমে উঠছে অনিশ্চয়তার ভার।

অভিভাবক ও এলাকাবাসীর দাবী দ্রুত এই অনিয়মের তদন্ত করে প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবি করেছেন।

তারা বলছেন, বই ছাড়া শিশুর শিক্ষা যেমন অসম্পূর্ণ, তেমনি অবিচার নিয়ে বেড়ে ওঠা একটি প্রজন্ম জাতির জন্য অশনি সংকেত।

এদিকে শিশুদের হাতে বই তুলে দিয়ে তাদের চোখে আবারও স্বপ্নের আলো জ্বালানোর আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।