ঢাকা ০২:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আফগানদের বিপক্ষে দুর্দান্ত শুরু বাংলাদেশের, লাঞ্চের আগে সংগ্রহ ১ উইকেটে ১৩৪ রিয়াদের কিং খালিদ বিমানবন্দরে দুই দফা হামলায় নিহত ৩ দুর্গাপুরে মানবিক কর্মকাণ্ডে পরিচিত মুখ শামীম আহমেদ দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্তরাজ্যের উপনির্বাচনে হেরে গেলেন গ্রিন পার্টির নেতা জ্যাক পোলানস্কি ঢাকার পাশে রূপগঞ্জ: উন্নয়নের সম্ভাবনা ও নাগরিক চ্যালেঞ্জের সন্ধিক্ষণে সংবিধান সংশোধনে সরকারের পথে আপত্তি জামায়াতের, রাজপথে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি প্যারিসে ব্যাংক অব আমেরিকায় হামলার নেপথ্যে ইরানপন্থি নেটওয়ার্ক ধ্রুব রাঠি: ইউটিউবের জনপ্রিয় মুখ থেকে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় তরুণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৬৬ রানে আটকে গেল বাংলাদেশ নারী দল

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:০৮:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে সব ধরনের সবজির দাম এখনও চড়া। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়া এবং বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে বিক্রেতারা বাড়তি দামে এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করছেন। সাধারণত শীত মৌসুমের শুরুতে সবজির দাম কমে আসার কথা থাকলেও এবার চিত্রটি সম্পূর্ণ বিপরীত। শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সবজিই ৮০ থেকে ১০০ টাকা বা তার চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে শিম ও বেগুনের আকাশচুম্বী দাম ক্রেতাদের জন্য বড় ধরনের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাজারের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা এবং গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া করলা ও ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৮০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা, পটল ৬০ টাকা এবং কাকরোল ৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। অন্যান্য সবজির মধ্যে ঝিঙা ৮০ টাকা, মুলা ৭০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা এবং ধন্দুল ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পেঁপে প্রতি কেজি ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজির মধ্যে তুলনামূলক কম দামে কেবল মুলা পাওয়া যাচ্ছে, যার কেজি ৩০ টাকা।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী কামরুজ্জামান বলেন, বাজারে সব ধরনের সবজির দামই অনেক বেশি। সাধারণ মানুষের জন্য এই দামে সবজি কিনে খাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি জানান, আগে যে পরিমাণ সবজি কিনতেন, এখন দাম বেশি হওয়ায় তা অর্ধেকে নামিয়ে এনেছেন। বিক্রেতারা পরিবহন খরচ বৃদ্ধির কথা বলে দাম বাড়ানোর যুক্তি দিচ্ছেন।

রামপুরা বাজারের সবজি বিক্রেতা খাদিমুল ইসলাম জানান, পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়াই দাম বাড়ার প্রধান কারণ। এছাড়া বর্তমানে আগের মৌসুমের সবজি শেষ হয়ে আসায় বাজারে সরবরাহ কিছুটা কম। তবে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, শীতকালীন মৌসুম পুরোদমে শুরু হলে প্রচুর পরিমাণে নতুন সবজি বাজারে আসবে, তখন দামও স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম

আপডেট সময় : ০১:০৮:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে সব ধরনের সবজির দাম এখনও চড়া। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়া এবং বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে বিক্রেতারা বাড়তি দামে এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করছেন। সাধারণত শীত মৌসুমের শুরুতে সবজির দাম কমে আসার কথা থাকলেও এবার চিত্রটি সম্পূর্ণ বিপরীত। শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সবজিই ৮০ থেকে ১০০ টাকা বা তার চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে শিম ও বেগুনের আকাশচুম্বী দাম ক্রেতাদের জন্য বড় ধরনের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাজারের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা এবং গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া করলা ও ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৮০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা, পটল ৬০ টাকা এবং কাকরোল ৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। অন্যান্য সবজির মধ্যে ঝিঙা ৮০ টাকা, মুলা ৭০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা এবং ধন্দুল ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পেঁপে প্রতি কেজি ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজির মধ্যে তুলনামূলক কম দামে কেবল মুলা পাওয়া যাচ্ছে, যার কেজি ৩০ টাকা।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী কামরুজ্জামান বলেন, বাজারে সব ধরনের সবজির দামই অনেক বেশি। সাধারণ মানুষের জন্য এই দামে সবজি কিনে খাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি জানান, আগে যে পরিমাণ সবজি কিনতেন, এখন দাম বেশি হওয়ায় তা অর্ধেকে নামিয়ে এনেছেন। বিক্রেতারা পরিবহন খরচ বৃদ্ধির কথা বলে দাম বাড়ানোর যুক্তি দিচ্ছেন।

রামপুরা বাজারের সবজি বিক্রেতা খাদিমুল ইসলাম জানান, পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়াই দাম বাড়ার প্রধান কারণ। এছাড়া বর্তমানে আগের মৌসুমের সবজি শেষ হয়ে আসায় বাজারে সরবরাহ কিছুটা কম। তবে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, শীতকালীন মৌসুম পুরোদমে শুরু হলে প্রচুর পরিমাণে নতুন সবজি বাজারে আসবে, তখন দামও স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh