ঢাকা ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীর ছয় রুটে একক কোম্পানির বাস চালুর সিদ্ধান্ত নেত্রকোনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান নিহত রিয়াদের কিং খালিদ বিমানবন্দরে হুতিদের ২০ হামলায় নিহত ১৭ যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ৩ শিশু ও শিক্ষক ফ্রান্সে মূল্যস্ফীতি ৩.১%, এক বছরে জ্বালানির দাম বেড়েছে ২১.৩ শতাংশ আইএমএফের নতুন ঋণ পেতে যেসব শর্ত পূরণ করতে হবে বাংলাদেশকে চুল টেনে ৪ ম্যাচ নিষিদ্ধ ভিনিসিয়ুস, খেলা হবে না এল ক্লাসিকো শারদীয় দুর্গাপূজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ দিনের ছুটি শুরু আজ ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল উপসাগরীয় অবকাঠামোয় ইরানের নির্ভুল হামলা: বিপর্যস্ত জ্বালানি ও বিশ্ব অর্থনীতি

আয়কর রিটার্ন দাখিলের ৭ খাত ও করমুক্ত আয়ের নতুন সীমা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৫৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আয়কর রিটার্ন দাখিল নিয়ে করদাতাদের মনে প্রায়ই প্রশ্ন জাগে যে, কোন ধরনের আয় থাকলে রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। একজন করদাতার আয় সাধারণত সাতটি প্রধান খাতে বিভক্ত থাকে, যা যথাযথ কাগজপত্রের ভিত্তিতে রিটার্নে উল্লেখ করতে হয়। এই খাতগুলো হলো চাকরি থেকে আয় (বেতন, ভাতা ও বোনাস), বাড়ি বা ফ্ল্যাটসহ যেকোনো সম্পত্তি ভাড়া থেকে আয়, কৃষিকাজ ও ফসল উৎপাদন থেকে আয়, ব্যবসা বা পেশা থেকে আয়, সম্পদ বা বিনিয়োগ বিক্রয়লব্ধ মূলধনি আয়, ব্যাংকের মুনাফা, লভ্যাংশ ও সঞ্চয়পত্রের সুদসহ বিভিন্ন সিকিউরিটিজ থেকে আয় এবং রয়্যালটি, লাইসেন্স ফি ও সম্মানী থেকে প্রাপ্ত আয়।

তবে এই সাতটি খাতের যেকোনো একটিতে আয় থাকলেই যে কর দিতে হবে, বিষয়টি এমন নয়। রিটার্ন দাখিল এবং আয়কর পরিশোধ করা দুটি ভিন্ন বিষয়। সাধারণত একজন সাধারণ ব্যক্তির মোট আয় করমুক্ত সীমা অতিক্রম করলেই রিটার্ন দাখিল করতে হয়। এছাড়া আগের তিন বছরের মধ্যে কর নির্ধারণ হয়ে থাকলে, কোনো ফার্মের অংশীদার হলে, কোম্পানির পরিচালক বা কর্মচারী হিসেবে কর্মরত থাকলে, সরকারি কর্মচারী হলে কিংবা আইনে নির্ধারিত অন্যান্য ক্ষেত্রে আয় কম থাকলেও রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক হতে পারে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণ পুরুষ করদাতার জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। নারী এবং ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ করদাতাদের জন্য এ সীমা ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গ ও প্রতিবন্ধী করদাতাদের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং গেজেটেড যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই যোদ্ধাদের ক্ষেত্রে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিবন্ধী সন্তান থাকলে বাবা-মা বা অভিভাবক নিয়মিত করমুক্ত আয়সীমার বাইরে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত করমুক্ত সুবিধা পাবেন।

১ জুলাই ২০২৬ থেকে চলতি অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন দাখিল প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী এখন বছরজুড়েই রিটার্ন দাখিলের সুযোগ রয়েছে। তবে সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে করদাতারা নির্ধারিত কিছু সুবিধা পেতে পারেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

আয়কর রিটার্ন দাখিলের ৭ খাত ও করমুক্ত আয়ের নতুন সীমা

আপডেট সময় : ১২:৫৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

আয়কর রিটার্ন দাখিল নিয়ে করদাতাদের মনে প্রায়ই প্রশ্ন জাগে যে, কোন ধরনের আয় থাকলে রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। একজন করদাতার আয় সাধারণত সাতটি প্রধান খাতে বিভক্ত থাকে, যা যথাযথ কাগজপত্রের ভিত্তিতে রিটার্নে উল্লেখ করতে হয়। এই খাতগুলো হলো চাকরি থেকে আয় (বেতন, ভাতা ও বোনাস), বাড়ি বা ফ্ল্যাটসহ যেকোনো সম্পত্তি ভাড়া থেকে আয়, কৃষিকাজ ও ফসল উৎপাদন থেকে আয়, ব্যবসা বা পেশা থেকে আয়, সম্পদ বা বিনিয়োগ বিক্রয়লব্ধ মূলধনি আয়, ব্যাংকের মুনাফা, লভ্যাংশ ও সঞ্চয়পত্রের সুদসহ বিভিন্ন সিকিউরিটিজ থেকে আয় এবং রয়্যালটি, লাইসেন্স ফি ও সম্মানী থেকে প্রাপ্ত আয়।

তবে এই সাতটি খাতের যেকোনো একটিতে আয় থাকলেই যে কর দিতে হবে, বিষয়টি এমন নয়। রিটার্ন দাখিল এবং আয়কর পরিশোধ করা দুটি ভিন্ন বিষয়। সাধারণত একজন সাধারণ ব্যক্তির মোট আয় করমুক্ত সীমা অতিক্রম করলেই রিটার্ন দাখিল করতে হয়। এছাড়া আগের তিন বছরের মধ্যে কর নির্ধারণ হয়ে থাকলে, কোনো ফার্মের অংশীদার হলে, কোম্পানির পরিচালক বা কর্মচারী হিসেবে কর্মরত থাকলে, সরকারি কর্মচারী হলে কিংবা আইনে নির্ধারিত অন্যান্য ক্ষেত্রে আয় কম থাকলেও রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক হতে পারে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণ পুরুষ করদাতার জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। নারী এবং ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ করদাতাদের জন্য এ সীমা ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গ ও প্রতিবন্ধী করদাতাদের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং গেজেটেড যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই যোদ্ধাদের ক্ষেত্রে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিবন্ধী সন্তান থাকলে বাবা-মা বা অভিভাবক নিয়মিত করমুক্ত আয়সীমার বাইরে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত করমুক্ত সুবিধা পাবেন।

১ জুলাই ২০২৬ থেকে চলতি অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন দাখিল প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী এখন বছরজুড়েই রিটার্ন দাখিলের সুযোগ রয়েছে। তবে সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে করদাতারা নির্ধারিত কিছু সুবিধা পেতে পারেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din