কৃষক থেকে খুচরা বাজারে চালের দাম দ্বিগুণ: সিপিডি গবেষণা

- আপডেট সময় : ০৭:১৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি পাইজাম চাল গড়ে ৩০ টাকা ৬৫ পয়সায় বিক্রি হলেও খুচরা পর্যায়ে তা ৫৯ টাকা ৬৯ পয়সায় পৌঁছাচ্ছে। বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ‘খাদ্যের মূল্যশৃঙ্খল: বাংলাদেশের বাজারব্যবস্থা, মুনাফা ও মধ্যস্বত্বভোগী’ শীর্ষক গবেষণায় দেখা গেছে, কৃষক বা খামার থেকে খুচরা বাজারে আসার প্রক্রিয়ায় চালের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টার ইনে আয়োজিত সংলাপে গবেষণার ফলাফল তুলে ধরেন সিপিডির সিনিয়র গবেষক ফকরুদ্দিন আল কবির।
সিপিডির এই গবেষণায় চাল ছাড়াও অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার চিত্র উঠে এসেছে। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, কৃষক বা ফার্ম থেকে খুচরা বাজারে পৌঁছাতে মসুর ডালের দাম ৭৮ শতাংশ, পেঁয়াজের দাম ৮৭ শতাংশ, আলুর দাম ৫০ শতাংশ এবং কাঁচা মরিচের দাম ১১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। এছাড়া বেগুনের দাম ৭২ শতাংশ, ডিমের দাম ২৫ শতাংশ, গরুর মাংসের দাম ১৩ শতাংশ, মাছের দাম ১০ শতাংশ এবং ব্রয়লার মুরগির দাম ২২ শতাংশ বেড়ে যায়।
সংলাপে বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। বাংলাদেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্বে লজিস্টিক খরচ জিডিপির ১০ শতাংশের সমান হলেও বাংলাদেশে তা ১৬ শতাংশ। দীর্ঘমেয়াদী এই উচ্চ মূল্যস্ফীতির পেছনে এটি অন্যতম কারণ।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আলু উৎপাদন ভালো হওয়া সত্ত্বেও চাষিরা ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। তিনি বলেন, ‘আমি বলি আনঅ্যাকাউনটেন্ট খরচ কমাতে হবে। আমরা উৎপাদনের শুরু থেকে বাজার পর্যন্ত আসা প্রতিটি স্তর চিহ্নিত করছি, কোথায় সমস্যা আছে।’ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে উৎপাদন খরচ ও আমদানি খরচ কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।




























