পাঁচ ইসলামী ব্যাংক থেকে পর্যায়ক্রমে প্রশাসক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত
- আপডেট সময় : ০৬:০২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

সমস্যাগ্রস্ত পাঁচটি ইসলামী ধারার ব্যাংকের পুনর্গঠন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে ধাপে ধাপে প্রশাসক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, চলতি জুলাই মাসের শেষ দিক থেকে প্রশাসকদের কাছ থেকে ব্যাংকগুলোর দায়িত্ব পরিচালনা পর্ষদের কাছে হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংকগুলোর পুনর্গঠন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি স্বাভাবিক কার্যক্রম জোরদার করাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। পরিস্থিতির উন্নতি হলে আমানতকারীরা তাদের জমাকৃত অর্থ প্রতিশ্রুত মুনাফাসহ ফেরত পাবেন বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা প্রকাশ করেছে। এছাড়া ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদে আরও অভিজ্ঞ সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
বর্তমানে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি টাকা। সরকার ইতোমধ্যে এই ব্যাংকে ১০ হাজার কোটি টাকার সুকুক বন্ডের মাধ্যমে বিনিয়োগ করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রত্যাশা, পুনর্গঠন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হলে ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে।
এর আগে গত মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আওতাভুক্ত পাঁচটি ব্যাংকের ভুক্তভোগী গ্রাহকরা বিক্ষোভ করেন। গ্রাহকদের দাবি ছিল হেয়ারকাট নীতি বাতিল, এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার এবং প্রতিশ্রুত মুনাফাসহ আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়া।
উল্লেখ্য, গত বছর আর্থিক দুর্বলতা, তারল্য সংকট, অনিয়ম ও সুশাসনের ঘাটতির কারণে এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংককে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার পরিকল্পনা নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এই প্রক্রিয়া তদারকির জন্য প্রতিটি ব্যাংকে একজন করে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ৮ জুন কাজী শায়রুল হাসানকে চেয়ারম্যান এবং আবেদুর রহমান সিকদারকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়।





























