ঢাকা ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেত্রকোনায় কবরস্থানের দখল নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২০, এলাকায় উত্তেজনা আড়াইহাজারে কৃষক দল নেতার বাড়িতে হামলা-লুটপাট, নারীসহ আহত ৫ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে ৭ সেনার মৃত্যুর দাবি ভুয়া: সেন্টকম তারেক রহমানের ভারত সফর: চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে ঢাকার বিশেষ প্রত্যাশা ভারতের প্রতি বাংলাদেশিদের ইতিবাচক মনোভাব ১৫ শতাংশ কমেছে বিমান মন্ত্রণালয়ে সিন্ডিকেট দূর করার চেষ্টা চলছে: আফরোজা খানম চুয়াডাঙ্গায় অন্যের মোড়কে সার বাজারজাত, জামান অ্যাগ্রোকে জরিমানা জবিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হিন্দু শিক্ষার্থীদের গরুর মাংস পরিবেশনের অভিযোগ সরকারের ১৮০ দিন পূর্তিতে রাজধানীতে যুবদলের শুভেচ্ছা মিছিল পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা

ঢাকার বাড্ডায় স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৪:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রায় ৯ বছর আগে ঢাকার মধ্য বাড্ডা এলাকায় স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার দায়ে মনির হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. সাদেকীন হাবীব বাপ্পী এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আদালত তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করেছে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আবুল কাশেম জানান, আসামি মনির হোসেন জামিনে ছিলেন। গত ১৪ জুলাই যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য দিন ধার্য করে এবং আসামির জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। রায় ঘোষণার দিন তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা মূলে তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী, অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান আসামির সর্বোচ্চ সাজার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৩ সালে মনির হোসেনের সঙ্গে শাকির খাতুন সোমার বিয়ে হয় এবং তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে মনির ও তার পরিবারের সদস্যরা সোমার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। ব্যবসার কথা বলে মনির বিভিন্ন সময়ে সোমার পরিবারের কাছ থেকে ১১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন, তবুও টাকার জন্য নির্যাতন অব্যাহত ছিল। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মারধর করে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হলেও, পুনরায় এমন কাজ না করার অঙ্গীকার দিয়ে সোমাকে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।

পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ৬ অক্টোবর দুপুরে টাকা-পয়সা নিয়ে ঝগড়ার এক পর্যায়ে মনির ছুরি দিয়ে সোমাকে জবাই করেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার দিনই সোমার মা মোসা. আক্তার বানু বাড্ডা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারকৃত মনির আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছিলেন। বাড্ডা থানার এসআই বায়েজীদ বোস্তামী একই বছরের ৭ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র জমা দেন এবং ২০১৮ সালের ১৭ মে আদালত অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করে। বিচারিক প্রক্রিয়ায় ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের জবানবন্দি গ্রহণের পর আদালত এ রায় প্রদান করল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকার বাড্ডায় স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৩:০৪:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

প্রায় ৯ বছর আগে ঢাকার মধ্য বাড্ডা এলাকায় স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার দায়ে মনির হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. সাদেকীন হাবীব বাপ্পী এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আদালত তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করেছে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আবুল কাশেম জানান, আসামি মনির হোসেন জামিনে ছিলেন। গত ১৪ জুলাই যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য দিন ধার্য করে এবং আসামির জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। রায় ঘোষণার দিন তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা মূলে তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী, অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান আসামির সর্বোচ্চ সাজার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৩ সালে মনির হোসেনের সঙ্গে শাকির খাতুন সোমার বিয়ে হয় এবং তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে মনির ও তার পরিবারের সদস্যরা সোমার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। ব্যবসার কথা বলে মনির বিভিন্ন সময়ে সোমার পরিবারের কাছ থেকে ১১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন, তবুও টাকার জন্য নির্যাতন অব্যাহত ছিল। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মারধর করে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হলেও, পুনরায় এমন কাজ না করার অঙ্গীকার দিয়ে সোমাকে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।

পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ৬ অক্টোবর দুপুরে টাকা-পয়সা নিয়ে ঝগড়ার এক পর্যায়ে মনির ছুরি দিয়ে সোমাকে জবাই করেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার দিনই সোমার মা মোসা. আক্তার বানু বাড্ডা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারকৃত মনির আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছিলেন। বাড্ডা থানার এসআই বায়েজীদ বোস্তামী একই বছরের ৭ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র জমা দেন এবং ২০১৮ সালের ১৭ মে আদালত অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করে। বিচারিক প্রক্রিয়ায় ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের জবানবন্দি গ্রহণের পর আদালত এ রায় প্রদান করল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh