ঢাকা ০৭:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ভুল কীটনাশক প্রয়োগে পুড়ে গেছে কৃষকের আলুর-ক্ষেত

ফাহিম হোসেন রিজু ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১০:০৬:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ফাহিম হোসেন রিজু ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে বিক্রেতার দেয়া কীটনাশক আলু ক্ষেতে প্রয়োগ করে আশরাফুল আলম নামের এক কৃষকের ৯ বিঘা জমির আলুর পচে নষ্ট হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ঐ কৃষক প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হওয়ার আশংকা করছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ৩নং সিংড়া ইউনিয়নের ডাংগা পাড়া গ্রামে।

অভিযোগে ও সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, আশরাফুল আলম উপজেলার রানিগঞ্জ বাজারের মেসার্স চৌধুরী ট্রেডার্স স্বত্বাধিকারী আব্দুর রহিমের নিকট কীটনাশক ক্রয় করে ৯ বিঘা আলুর জমিতে স্প্রে করেন। স্প্রে করার পর থেকে তার আলু ক্ষেতের সমস্ত আলু গাছ পচে মরতে শুরু করে।

ভুক্তভোগী কৃষক বলেন, দোকাদারের দেয়া ভুল ও নিম্নমানের কীটনাশক জমিতে ছিটানোর ফলে তার আলুর গাছ পুড়ে যাচ্ছে। বিষয়টি কীটনাশক বিক্রেতাকে জানালে সে কীটনাশকের টাকা ফেরত দেন।

এ বিষয়ে কীটনাশক বিক্রেতা আব্দুর রহিমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, কৃষি অফিসের লোকজন এসে জমি থেকে কীটনাশকের স্যাম্পল নিয়ে যায় টেস্ট করার জন্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ভুল কীটনাশক প্রয়োগে পুড়ে গেছে কৃষকের আলুর-ক্ষেত

আপডেট সময় : ১০:০৬:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
print news

ফাহিম হোসেন রিজু ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে বিক্রেতার দেয়া কীটনাশক আলু ক্ষেতে প্রয়োগ করে আশরাফুল আলম নামের এক কৃষকের ৯ বিঘা জমির আলুর পচে নষ্ট হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ঐ কৃষক প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হওয়ার আশংকা করছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ৩নং সিংড়া ইউনিয়নের ডাংগা পাড়া গ্রামে।

অভিযোগে ও সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, আশরাফুল আলম উপজেলার রানিগঞ্জ বাজারের মেসার্স চৌধুরী ট্রেডার্স স্বত্বাধিকারী আব্দুর রহিমের নিকট কীটনাশক ক্রয় করে ৯ বিঘা আলুর জমিতে স্প্রে করেন। স্প্রে করার পর থেকে তার আলু ক্ষেতের সমস্ত আলু গাছ পচে মরতে শুরু করে।

ভুক্তভোগী কৃষক বলেন, দোকাদারের দেয়া ভুল ও নিম্নমানের কীটনাশক জমিতে ছিটানোর ফলে তার আলুর গাছ পুড়ে যাচ্ছে। বিষয়টি কীটনাশক বিক্রেতাকে জানালে সে কীটনাশকের টাকা ফেরত দেন।

এ বিষয়ে কীটনাশক বিক্রেতা আব্দুর রহিমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, কৃষি অফিসের লোকজন এসে জমি থেকে কীটনাশকের স্যাম্পল নিয়ে যায় টেস্ট করার জন্য।