লালপুরে পদ্মার ভাঙনে নওসারা সুলতানপুর চরের ৩০ পরিবারের বসতভিটা বিলীন
- আপডেট সময় : ০১:৫৫:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

নাটোরের লালপুর উপজেলার বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে তীব্র নদীভাঙন শুরু হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) উপজেলার নওসারা সুলতানপুর চরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা এই আকস্মিক ভাঙনের কবলে পড়েন। পদ্মার পানির প্রবল স্রোতে মুহূর্তের মধ্যে বহু মানুষের বসতবাড়ি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে তলিয়ে যায়।
তীব্র এই ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন অন্তত ৩০টি পরিবার। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকায় রয়েছেন—আবের প্রামাণিক, বানের প্রামাণিক, আশরাফ প্রামাণিক, সাইদুল মন্ডল, সাইদুল ইসলাম, বিমলা খাতুন, হামেদ মন্ডল, কামরুল মন্ডল, রাজিয়া খাতুন, ঝর্ণা খাতুন, জামাত মোল্লা, শহীদ সরদার, নবাব আলী, কহিনুর, আনোয়ারা বেগম, আনারুল প্রামাণিক, সুখেজান খাতুন, সাহাজুল ইসলাম, বুলুয়ারা খাতুন, শান্তি বেগম, কুদ্দুস সরদার, আমাল আলী, শান্তি আক্তার, রেবেকা খাতুন, রফিকুল ইসলাম, ফেরদৌসী খাতুন, রেজাউল মন্ডল ও জালেফ মন্ডল। ভিটেমাটি হারিয়ে এসব পরিবার বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
বিলমাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আনোয়ার হোসেন ভাঙনের ভয়াবহতার কথা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, নদীতে পানি বাড়ার ফলে স্রোতের তীব্রতা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় এই বিপর্যয় ঘটেছে। তিনি আরও জানান, এখনও অনেক বসতভিটা ও ফসলি জমি ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ছিদ্দিক আলী মিষ্টু জানিয়েছেন, বিষয়টি ইতিমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে লালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবীর হোসেন জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে এবং সরকারের পক্ষ থেকে তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়ার প্রচেষ্টা করা হবে।



























