ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাকরির বেতন ও বাসা ভাড়া নির্ধারণে মানুষের হয়ে লড়বে এআই বেতাগীতে অপরাধীদের কোনো ছাড় নয়: চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি ৯৯ বছর বয়সে বিমানের ডানায় দাঁড়িয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন হেলগা পিস্তল হাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অভিযান, তদন্তের আশ্বাস ডিবি প্রধানের মা ইলিশ রক্ষায় ১১১ সংসদ সদস্যকে মৎস্যমন্ত্রীর ডিও লেটার সাতক্ষীরায় হাসপাতালে ঢুকে পিটুনি, চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, ভর্তি ২০৮৮ রোগী কুয়েতের গৃহকর্মীর ৮৬.১ শতাংশই বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৪ দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির আলবেনিয়ায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ

কুমিল্লায় ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানায় সাংবাদিক গ্রেফতার, ১৮ ঘণ্টা পর মুক্তি

ফখরুল আলম সাজু
  • আপডেট সময় : ১০:৪৭:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফখরুল আলম সাজু

কুমিল্লায় দেবিদ্বারে ১টি ভুয়া মামলা গ্রেফতারি পরোয়ানায় স্থানীয় সাংবাদিক সোহরাব হোসেনকে আটক করেছিলেন পুলিশ।

৭ এপ্রিল মঙ্গলবার আটকের ১৮ ঘণ্টা পর আদালত থেকে ছাড়া পেয়েছেন তিনি, বিষয়টি জানাজানির পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে, তবে আদালত ও পুলিশ প্রশাসন একে ভুল বশত হওয়া ঘটনা বলে স্বীকার করেছে।

সাংবাদিক সোহরাব হোসেন দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার দেবিদ্বার উপজেলা প্রতিনিধি ও দেবিদ্বার রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাহী সদস্য।

ভুক্তভোগী সোহরাব হোসেন জানান, ৬ এপ্রিল সোমবার বিকেলে দেবিদ্বার উপজেলা কার্যালয়ের সামনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছিলেন তিনি।

এ সময় দেবিদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ভবতোষ কান্তি দের নেতৃত্বে পুলিশের ১টি দল সেখানে গিয়ে কুমিল্লার সিআর মামলা নম্বর-৫৭৩/২০২৫-এর ১টি গ্রেফতারি পরোয়ানায় তাকে আটক করে, সোহরাব হোসেন গ্রেফতারি পরোয়ানার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলেও পুলিশ কোনো কথা শোনেনি।

দেবিদ্বার থানায় ১৮ ঘণ্টা আটকে রাখার পর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় তাকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়।

কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সায়মা শরীফ নিশাত কাগজপত্র যাচাই করে সোহরাব হোসেনকে তাৎক্ষণিক ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন, আদালত থেকে জানানো হয়, যে পরোয়ানাটি থানায় পাঠানো হয়েছিলো তা সঠিক ছিলো না।

সোহরাব হোসেন বলেন, জামিন থাকার পরও আমাকে হয়রানি করতে ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা ব্যবহার করা হয়েছে, আমি পুলিশকে জামিনের বিষয়ে বারবার বললেও তারা শোনেনি, এই ভুয়া পরোয়ানার কারণে আমার সম্মানহানি হয়েছে, আমি বিচার চেয়ে আদালতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করবো।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আদালতে বিচারকের সই ও সিল জালিয়াতির মাধ্যমে ১টি অসাধু চক্র নিরীহ মানুষকে হয়রানি করছে, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে কতিপয় পুলিশ, আইনজীবী ও আদালতের কর্মচারীদের সমন্বয়ে এই চক্রটি গড়ে উঠেছে।

দেবিদ্বার থানার এসআই ভবতোষ কান্তি দে বলেন, আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকায় আমরা সোহরাব হোসেনকে আটক করে আদালতে পাঠাই, গ্রেফতারি পরোয়ানাটি সঠিক কি না, তা তাৎক্ষণিক ভাবে যাচাই করার সুযোগ আমাদের নেই, পরে জানতে পেরেছি গ্রেফতারি পরোয়ানাটি সঠিক ছিলো না।

কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৪ নম্বর আমলি আদালতের পেশকার মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সোহরাব হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাটি ভুল বশত থানায় চলে গিয়েছিল, তাকে আদালতে নিয়ে আসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, এটি একটি ভুল ছিলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

কুমিল্লায় ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানায় সাংবাদিক গ্রেফতার, ১৮ ঘণ্টা পর মুক্তি

আপডেট সময় : ১০:৪৭:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

ফখরুল আলম সাজু

কুমিল্লায় দেবিদ্বারে ১টি ভুয়া মামলা গ্রেফতারি পরোয়ানায় স্থানীয় সাংবাদিক সোহরাব হোসেনকে আটক করেছিলেন পুলিশ।

৭ এপ্রিল মঙ্গলবার আটকের ১৮ ঘণ্টা পর আদালত থেকে ছাড়া পেয়েছেন তিনি, বিষয়টি জানাজানির পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে, তবে আদালত ও পুলিশ প্রশাসন একে ভুল বশত হওয়া ঘটনা বলে স্বীকার করেছে।

সাংবাদিক সোহরাব হোসেন দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার দেবিদ্বার উপজেলা প্রতিনিধি ও দেবিদ্বার রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাহী সদস্য।

ভুক্তভোগী সোহরাব হোসেন জানান, ৬ এপ্রিল সোমবার বিকেলে দেবিদ্বার উপজেলা কার্যালয়ের সামনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছিলেন তিনি।

এ সময় দেবিদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ভবতোষ কান্তি দের নেতৃত্বে পুলিশের ১টি দল সেখানে গিয়ে কুমিল্লার সিআর মামলা নম্বর-৫৭৩/২০২৫-এর ১টি গ্রেফতারি পরোয়ানায় তাকে আটক করে, সোহরাব হোসেন গ্রেফতারি পরোয়ানার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলেও পুলিশ কোনো কথা শোনেনি।

দেবিদ্বার থানায় ১৮ ঘণ্টা আটকে রাখার পর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় তাকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়।

কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সায়মা শরীফ নিশাত কাগজপত্র যাচাই করে সোহরাব হোসেনকে তাৎক্ষণিক ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন, আদালত থেকে জানানো হয়, যে পরোয়ানাটি থানায় পাঠানো হয়েছিলো তা সঠিক ছিলো না।

সোহরাব হোসেন বলেন, জামিন থাকার পরও আমাকে হয়রানি করতে ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা ব্যবহার করা হয়েছে, আমি পুলিশকে জামিনের বিষয়ে বারবার বললেও তারা শোনেনি, এই ভুয়া পরোয়ানার কারণে আমার সম্মানহানি হয়েছে, আমি বিচার চেয়ে আদালতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করবো।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আদালতে বিচারকের সই ও সিল জালিয়াতির মাধ্যমে ১টি অসাধু চক্র নিরীহ মানুষকে হয়রানি করছে, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে কতিপয় পুলিশ, আইনজীবী ও আদালতের কর্মচারীদের সমন্বয়ে এই চক্রটি গড়ে উঠেছে।

দেবিদ্বার থানার এসআই ভবতোষ কান্তি দে বলেন, আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকায় আমরা সোহরাব হোসেনকে আটক করে আদালতে পাঠাই, গ্রেফতারি পরোয়ানাটি সঠিক কি না, তা তাৎক্ষণিক ভাবে যাচাই করার সুযোগ আমাদের নেই, পরে জানতে পেরেছি গ্রেফতারি পরোয়ানাটি সঠিক ছিলো না।

কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৪ নম্বর আমলি আদালতের পেশকার মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সোহরাব হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাটি ভুল বশত থানায় চলে গিয়েছিল, তাকে আদালতে নিয়ে আসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, এটি একটি ভুল ছিলো।