ঢাকা ১১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরান সফরে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ল্যাভরভ, গুরুত্ব পাচ্ছে আঞ্চলিক নিরাপত্তা দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিরলস কাজ করছে পুলিশ: আইজিপি কক্সবাজারে সড়কে মুখোশধারী ডাকাতদের কবলে ৫০-৬০টি যানবাহন রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকের এমডিদের চুক্তি বাতিল করলো সরকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ গণমাধ্যম: প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল আলবেনিয়ায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশ স্টেশনে আগুন ও সহিংসতা কিউবার বিপ্লব কি শেষের পথে? বিশ্বরাজনীতিতে এর প্রভাব ও গুরুত্ব এ মাস থেকেই বাড়তি বেতন পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা মাদক নির্মূলে গিয়েছিলাম, জমি দখল বা চাঁদাবাজি নয়: ইশরাক রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

মা ইলিশ রক্ষায় ১১১ সংসদ সদস্যকে মৎস্যমন্ত্রীর ডিও লেটার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:২৮:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মা-ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়ন এবং এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ৩৮ জেলার ১১১ জন সংসদ সদস্যকে আধা সরকারি পত্র (ডিও লেটার) পাঠিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. মামুন হাসানের স্বাক্ষর করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে রোববার এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ডিও লেটারে মন্ত্রী সংসদ সদস্যদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করে বলেন, জাতীয় মৎস্যসম্পদ এবং ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য ইলিশ বাংলাদেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, পুষ্টি নিরাপত্তা ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ইলিশের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে গত ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত এই সংরক্ষণ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, অভিযান চলাকালে নির্ধারিত এলাকায় সব ধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ। এছাড়া ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে এই অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এ ধরনের জাতীয় কর্মসূচির সফলতা কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা মৎস্য অধিদপ্তরের ওপর নির্ভরশীল নয়; বরং এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের অংশগ্রহণ জরুরি।

সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, তাদের নির্বাচনী এলাকার উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী এবং সামাজিকভাবে পরিচিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি সম্ভব। তিনি সংশ্লিষ্ট নেতা-কর্মীদের অভিযান বাস্তবায়নে সহায়তা করা, জেলেদের আইন মানতে উদ্বুদ্ধ করা এবং অবৈধ আহরণ নিরুৎসাহিত করার আহ্বান জানান। মন্ত্রীর মতে, স্থানীয় নেতৃত্ব ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ইতিবাচক ভূমিকা জেলেদের মধ্যে আস্থা তৈরি করবে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কার্যক্রমকে আরও বেগবান করবে। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান শতভাগ সফল করা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পরিশেষে, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ সফল করতে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় নেতৃত্ব, প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা এবং তৃণমূল পর্যায়ে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী। জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষায় তিনি সংসদ সদস্যদের সর্বাত্মক সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

মা ইলিশ রক্ষায় ১১১ সংসদ সদস্যকে মৎস্যমন্ত্রীর ডিও লেটার

আপডেট সময় : ০৫:২৮:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

মা-ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়ন এবং এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ৩৮ জেলার ১১১ জন সংসদ সদস্যকে আধা সরকারি পত্র (ডিও লেটার) পাঠিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. মামুন হাসানের স্বাক্ষর করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে রোববার এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ডিও লেটারে মন্ত্রী সংসদ সদস্যদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করে বলেন, জাতীয় মৎস্যসম্পদ এবং ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য ইলিশ বাংলাদেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, পুষ্টি নিরাপত্তা ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ইলিশের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে গত ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত এই সংরক্ষণ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, অভিযান চলাকালে নির্ধারিত এলাকায় সব ধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ। এছাড়া ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে এই অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এ ধরনের জাতীয় কর্মসূচির সফলতা কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা মৎস্য অধিদপ্তরের ওপর নির্ভরশীল নয়; বরং এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের অংশগ্রহণ জরুরি।

সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, তাদের নির্বাচনী এলাকার উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী এবং সামাজিকভাবে পরিচিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি সম্ভব। তিনি সংশ্লিষ্ট নেতা-কর্মীদের অভিযান বাস্তবায়নে সহায়তা করা, জেলেদের আইন মানতে উদ্বুদ্ধ করা এবং অবৈধ আহরণ নিরুৎসাহিত করার আহ্বান জানান। মন্ত্রীর মতে, স্থানীয় নেতৃত্ব ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ইতিবাচক ভূমিকা জেলেদের মধ্যে আস্থা তৈরি করবে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কার্যক্রমকে আরও বেগবান করবে। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান শতভাগ সফল করা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পরিশেষে, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ সফল করতে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় নেতৃত্ব, প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা এবং তৃণমূল পর্যায়ে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী। জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষায় তিনি সংসদ সদস্যদের সর্বাত্মক সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh