ইলহান ওমরের বাড়িতে মার্কিন অভিবাসন বিভাগের তল্লাশি
- আপডেট সময় : ০৯:৩৩:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য ইলহান ওমরের ওয়াশিংটন ডিসি এলাকার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছেন দেশটির অভিবাসন তদন্ত বিভাগের কর্মকর্তারা। সোমবার সকালে একটি ‘ফৌজদারি তদন্তের’ অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে বলে মার্কিন বিচার বিভাগের এক মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন।
বিচার বিভাগের ওই মুখপাত্র বিবিসি’র মার্কিন সহযোগী সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে জানান, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনস (এইচএসআই)-এর কর্মকর্তারা আদালতের অনুমোদন পাওয়া তল্লাশি পরোয়ানার ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করেন। তবে চলমান এই কেন্দ্রীয় তদন্তের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। অভিযানের সময় ইলহান ওমর বাড়িতে ছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বর্তমানে মার্কিন কংগ্রেসের অধিবেশন চলছে না। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে ইলহান ওমরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বিবিসি।
সোমালিয়ায় জন্মগ্রহণকারী ইলহান ওমর যুদ্ধের কারণে আট বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেন। ২০১৮ সালে তিনি প্রথমবারের মতো কংগ্রেস সদস্য নির্বাচিত হন। ডেমোক্র্যাট এই নেতা আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে পুনর্র্নিবাচিত হওয়ার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের একজন কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত।
ইলহান ওমরের বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের সুনির্দিষ্ট প্রকৃতি এখনো স্পষ্ট নয়। তবে অতীতে রিপাবলিকানদের পক্ষ থেকে তার অভিবাসনসংক্রান্ত নথিপত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে দক্ষিণ ক্যারোলাইনার কংগ্রেস সদস্য ন্যান্সি মেস তার অভিবাসন নথিপত্র সংগ্রহের জন্য সমন জারির উদ্যোগ নিলেও তা সফল হয়নি। মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য হতে হলে দেশটির নাগরিক হওয়া বাধ্যতামূলক। ইলহান ওমর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এবং ২০১৮ সাল থেকে কংগ্রেসে দায়িত্ব পালন করছেন।
ইলহান ওমর দীর্ঘদিন ধরে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক আক্রমণের শিকার হয়ে আসছেন। ট্রাম্প বিভিন্ন সময়ে তাকে সোমালিয়ায় ফিরে যাওয়ার কথা বলেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের হুমকিও দিয়েছেন। এর জবাবে ইলহান ওমর ট্রাম্পের এসব মন্তব্যকে ‘অস্বাস্থ্যকর ও অদ্ভুত এক ধরনের আসক্তি’ বলে বর্ণনা করেছেন। এছাড়া গত সপ্তাহে এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে ট্রাম্প মিনেসোটা ‘সোমালি অভিবাসীদের দখলে চলে যাচ্ছে’ বলে দাবি করেন। ইলহান ওমর মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে নির্বাচিত প্রথম সোমালি-আমেরিকান এবং মিশিগানের রাশিদা তালিবের সঙ্গে তিনি কংগ্রেসে নির্বাচিত প্রথম দুই মুসলিম নারীর একজন। তবে ওমরের বাড়িতে চালানো এই তল্লাশির সঙ্গে ট্রাম্পের রাজনৈতিক বিরোধিতার কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।




























