ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোবহানার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড সংগ্রহ ৫ বছর পর ন্যান্সি ও জাহিদ নিরবের দ্বৈত গান ‘দিওয়ানা দিল’ তুরস্কে পর্যটকবাহী বাস ও টো ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭ পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রতিমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জাতীয় ক্রিকেট লিগে একদিনে পাঁচ ব্যাটারের সেঞ্চুরি দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদের ভূত যেভাবে মোদি সরকারকে তাড়া করছে দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে

যুব উন্নয়ন নিয়োগ পরীক্ষা ফাঁস: তদন্তে অগ্রাধিকার পাচ্ছে দুটি বিষয়

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৪৫:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তদন্তের ক্ষেত্রে দুটি বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এর প্রথমটি হলো প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে কারা সরাসরি জড়িত এবং দ্বিতীয়টি হলো এই ঘটনার পেছনে কাদের গাফিলতি ছিল।

আজ রোববার তদন্ত কমিটির সদস্যরা রাজধানীর মতিঝিলে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করবেন বলে জানা গেছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাহফুজুল আলম খানকে প্রধান করে গঠিত এই পাঁচ সদস্যের কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নুসরাত আইরিন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জিল্লুর রহমান এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক এ কে এম মফিজুল ইসলাম।

তদন্ত কমিটির এক সদস্য জানান, তদন্তের খাতিরে কারিগরি কিছু বিষয় সামনে আসতে পারে, তাই তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ থেকে একজন বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তা সহায়তার জন্য চাওয়া হবে। এছাড়া প্রশ্নপত্র তৈরি, ছাপানো ও বিতরণের পুরো প্রক্রিয়াটি তদন্তের আওতায় আনা হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র কীভাবে ছড়িয়ে পড়ল এবং কারা এর সুবিধাভোগী, সেটিও খতিয়ে দেখা হবে। কমিটির প্রধান মাহফুজুল আলম খান জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করা হয়েছে এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোকেও গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার ঢাকার ৯৫টি কেন্দ্রে ২৪২টি পদের বিপরীতে প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার প্রার্থীর অংশগ্রহণে এই প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পরীক্ষা শুরুর আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি নজরে আসায় তা স্থগিত করা হয়। এই ঘোষণায় ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ জানান। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, স্থগিত হওয়া পরীক্ষাটি আগামী ১৬ অক্টোবর শুক্রবার বেলা তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে এবং পরীক্ষার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমে নতুন তারিখ ও সময় জানানো হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুব উন্নয়ন নিয়োগ পরীক্ষা ফাঁস: তদন্তে অগ্রাধিকার পাচ্ছে দুটি বিষয়

আপডেট সময় : ১২:৪৫:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তদন্তের ক্ষেত্রে দুটি বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এর প্রথমটি হলো প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে কারা সরাসরি জড়িত এবং দ্বিতীয়টি হলো এই ঘটনার পেছনে কাদের গাফিলতি ছিল।

আজ রোববার তদন্ত কমিটির সদস্যরা রাজধানীর মতিঝিলে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করবেন বলে জানা গেছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাহফুজুল আলম খানকে প্রধান করে গঠিত এই পাঁচ সদস্যের কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নুসরাত আইরিন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জিল্লুর রহমান এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক এ কে এম মফিজুল ইসলাম।

তদন্ত কমিটির এক সদস্য জানান, তদন্তের খাতিরে কারিগরি কিছু বিষয় সামনে আসতে পারে, তাই তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ থেকে একজন বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তা সহায়তার জন্য চাওয়া হবে। এছাড়া প্রশ্নপত্র তৈরি, ছাপানো ও বিতরণের পুরো প্রক্রিয়াটি তদন্তের আওতায় আনা হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র কীভাবে ছড়িয়ে পড়ল এবং কারা এর সুবিধাভোগী, সেটিও খতিয়ে দেখা হবে। কমিটির প্রধান মাহফুজুল আলম খান জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করা হয়েছে এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোকেও গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার ঢাকার ৯৫টি কেন্দ্রে ২৪২টি পদের বিপরীতে প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার প্রার্থীর অংশগ্রহণে এই প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পরীক্ষা শুরুর আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি নজরে আসায় তা স্থগিত করা হয়। এই ঘোষণায় ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ জানান। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, স্থগিত হওয়া পরীক্ষাটি আগামী ১৬ অক্টোবর শুক্রবার বেলা তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে এবং পরীক্ষার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমে নতুন তারিখ ও সময় জানানো হবে।