ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিজেদের প্রয়োজনে বিমান কিনছে বাংলাদেশ, কোনো পক্ষকে খুশি করতে নয় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪.৬ শতাংশ কটিয়াদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে জামায়াতের কর্মসূচি ১০টি উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সাথে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই মতিঝিলের আলোচিত বাংলার বাণী ভবন এখন প্রতিমন্ত্রীর কব্জায় সৌদির দুই বিমানবন্দরে হুতি হামলা, নিহত ৩ ও আহত ৩৬ বগুড়ায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য: পাঁচ মাসে ৩৯ খুন ভুল করে নাটোর স্টেশনে নেমে ল্যাপটপ ও ক্যামেরা হারালেন জার্মান পর্যটক যশোরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার ওপর হামলা, পাঁচ দিনেও অধরা আসামিরা রাঙ্গামাটিতে ছাত্রলীগের সাবেক নেতাসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

পোশাককর্মী সায়মন হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের কারাদণ্ড

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এলাকায় পোশাককর্মী সায়মনকে ছিনতাইয়ের পর হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার ১৩তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল ইসলামের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. ইউসুফ, ইকবাল খাঁ ও মেহেদী হাসান। রায়ে তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও প্রদান করা হয়েছে। একই মামলায় সুজন নামের আরেকজনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহেল মিয়া জানান, রায় ঘোষণার সময় ইউসুফ, ইকবাল ও মেহেদী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা মূলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে সুজন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর রাতে মিরপুর-১ থেকে বাসায় ফেরার পথে সায়মনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে রিকশায় করে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এলাকায় নিয়ে যায় তিন ছিনতাইকারী। সেখানে তাকে ছুরিকাঘাত করে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সায়মন মিরপুর-১-এর একটি গার্মেন্টসে ১০ হাজার টাকা বেতনে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার দিন বেতন তুলে তিনি সহকর্মীদের সঙ্গে কেনাকাটা করতে বেরিয়েছিলেন। এই ঘটনায় সায়মনের বাবা শাজাহান শেখ দারুস সালাম থানায় মামলা দায়ের করেন।

তদন্তকারী সংস্থা ইউসুফকে গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইকবাল ও মেহেদীকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের কাছ থেকে সায়মনের মোবাইল বিক্রির টাকা উদ্ধার করা হয়। তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি তিনজনের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের পর হত্যার অভিযোগ এবং সুজনের বিরুদ্ধে চোরাই মাল রাখার অভিযোগে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০২৩ সালের ২ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। মামলায় মোট ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আজ এই রায় প্রদান করলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

পোশাককর্মী সায়মন হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এলাকায় পোশাককর্মী সায়মনকে ছিনতাইয়ের পর হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার ১৩তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল ইসলামের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. ইউসুফ, ইকবাল খাঁ ও মেহেদী হাসান। রায়ে তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও প্রদান করা হয়েছে। একই মামলায় সুজন নামের আরেকজনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহেল মিয়া জানান, রায় ঘোষণার সময় ইউসুফ, ইকবাল ও মেহেদী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা মূলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে সুজন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর রাতে মিরপুর-১ থেকে বাসায় ফেরার পথে সায়মনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে রিকশায় করে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এলাকায় নিয়ে যায় তিন ছিনতাইকারী। সেখানে তাকে ছুরিকাঘাত করে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সায়মন মিরপুর-১-এর একটি গার্মেন্টসে ১০ হাজার টাকা বেতনে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার দিন বেতন তুলে তিনি সহকর্মীদের সঙ্গে কেনাকাটা করতে বেরিয়েছিলেন। এই ঘটনায় সায়মনের বাবা শাজাহান শেখ দারুস সালাম থানায় মামলা দায়ের করেন।

তদন্তকারী সংস্থা ইউসুফকে গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইকবাল ও মেহেদীকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের কাছ থেকে সায়মনের মোবাইল বিক্রির টাকা উদ্ধার করা হয়। তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি তিনজনের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের পর হত্যার অভিযোগ এবং সুজনের বিরুদ্ধে চোরাই মাল রাখার অভিযোগে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০২৩ সালের ২ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। মামলায় মোট ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আজ এই রায় প্রদান করলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh