সরকারি দামেই বিক্রি করতে হবে এলপিজি, অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা
- আপডেট সময় : ১০:২৪:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) খুচরা বাজারে চলমান অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলওএবি)। সরবরাহ সংকটের অজুহাতে খুচরা ব্যবসায়ীরা ভোক্তাদের কাছ থেকে ইচ্ছেমতো দাম আদায় করছেন, তবে বাস্তবে দেশে এলপিজির কোনো ঘাটতি নেই। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করতে সদস্য কোম্পানি, ডিলার, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এলওএবির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হকের স্বাক্ষরে গত ১ অক্টোবর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশে এলপিজির সরবরাহ পরিস্থিতি বর্তমানে সন্তোষজনক। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আগস্ট মাসে দেশে ১ দশমিক ৫৮ লাখ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি হয়েছিল এবং সেপ্টেম্বর মাসে আমদানি হয়েছে ১ দশমিক ৫৬ লাখ মেট্রিক টন। পর্যাপ্ত মজুত থাকার ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির কোনো অবকাশ নেই।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বাজার পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এরপরই এলওএবি এই কড়া নির্দেশনা জারি করে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি করা বা নিয়মবহির্ভূতভাবে মজুত করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এমন অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়া গত ৩০ সেপ্টেম্বর জ্বালানি মন্ত্রী এক অনলাইন সভায় জেলা প্রশাসকদের এলপিজির বাজার পরিস্থিতির ওপর কড়া নজরদারি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। সাধারণ ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষায় প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সার্বক্ষণিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে এলওএবি। উল্লেখ্য, সরকার ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও খুচরা পর্যায়ে তা ২১০০ থেকে ২৬০০ টাকায় বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, যা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত বেশি।





























