ঢাকা ০৩:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোবহানার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড সংগ্রহ ৫ বছর পর ন্যান্সি ও জাহিদ নিরবের দ্বৈত গান ‘দিওয়ানা দিল’ তুরস্কে পর্যটকবাহী বাস ও টো ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭ পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রতিমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জাতীয় ক্রিকেট লিগে একদিনে পাঁচ ব্যাটারের সেঞ্চুরি দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদের ভূত যেভাবে মোদি সরকারকে তাড়া করছে দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে

বেহেশতের নয়, মানুষকে উন্নয়নের গ্যারান্টি দেব: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:২৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



গাইবান্ধা সফরকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, জনগণকে হয়তো বেহেশতের নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়, তবে সরকার তাদের উন্নয়নের গ্যারান্টি দেবে। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ, বাসযোগ্য ঢাকা এবং বাসযোগ্য গাইবান্ধা গড়ে তুলতে সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে গাইবান্ধা সার্কিট হাউস মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, নির্বাচন কমিশন আগামী জানুয়ারি থেকে ৩০ জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছে। এই নির্বাচনসমূহ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা ও জেলা পরিষদ নির্বাচনকে জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য করতে যদি নির্বাচন কমিশন প্রয়োজন মনে করে, তবে সেনাবাহিনী মোতায়েনের ক্ষেত্রেও সরকার পূর্ণ সহযোগিতা দেবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি মইনুল হাসান সাদিক, সাধারণ সম্পাদক মো. মাহমুদুন্নবীসহ বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

আঞ্চলিক উন্নয়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী একটি তুলনা টেনে বলেন, এ অঞ্চলের মানুষ বাংলাদেশ ও ভারতের ফুটবল দলের মতো, যারা কখনোই বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারে না। এই অঞ্চল থেকে নির্বাচিত কেউ কখনো সরকার গঠন করতে পারেন না। আর নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সরকারে না থাকায় স্বাভাবিকভাবেই এই এলাকা কিছুটা অবহেলিত থেকে যায়। এই বিষয়টি বিবেচনা করেই প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, নির্বাচিত সংসদ সদস্য থাকুক বা না থাকুক, প্রতিটি জেলার সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। এই উদ্দেশ্যে ৩০ জন মন্ত্রীকে ৬৪টি জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে গাইবান্ধার দায়িত্ব পালন করতে এসেছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র সাত মাস অতিবাহিত হয়েছে। জনগণের ব্যাপক প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা রয়েছে কারণ তারা তাদের অধিকার প্রদান করেছেন এবং সরকার সেই অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে।

এর আগে, সড়কপথে বগুড়ার শিবগঞ্জ হয়ে গাইবান্ধা সার্কিট হাউসে পৌঁছান প্রতিমন্ত্রী। এরপর তিনি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভায় অংশ নেন। বিকেলে তিনি পুনরায় সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন。

নিউজটি শেয়ার করুন

বেহেশতের নয়, মানুষকে উন্নয়নের গ্যারান্টি দেব: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:২৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

গাইবান্ধা সফরকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, জনগণকে হয়তো বেহেশতের নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়, তবে সরকার তাদের উন্নয়নের গ্যারান্টি দেবে। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ, বাসযোগ্য ঢাকা এবং বাসযোগ্য গাইবান্ধা গড়ে তুলতে সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে গাইবান্ধা সার্কিট হাউস মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, নির্বাচন কমিশন আগামী জানুয়ারি থেকে ৩০ জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছে। এই নির্বাচনসমূহ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা ও জেলা পরিষদ নির্বাচনকে জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য করতে যদি নির্বাচন কমিশন প্রয়োজন মনে করে, তবে সেনাবাহিনী মোতায়েনের ক্ষেত্রেও সরকার পূর্ণ সহযোগিতা দেবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি মইনুল হাসান সাদিক, সাধারণ সম্পাদক মো. মাহমুদুন্নবীসহ বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

আঞ্চলিক উন্নয়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী একটি তুলনা টেনে বলেন, এ অঞ্চলের মানুষ বাংলাদেশ ও ভারতের ফুটবল দলের মতো, যারা কখনোই বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারে না। এই অঞ্চল থেকে নির্বাচিত কেউ কখনো সরকার গঠন করতে পারেন না। আর নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সরকারে না থাকায় স্বাভাবিকভাবেই এই এলাকা কিছুটা অবহেলিত থেকে যায়। এই বিষয়টি বিবেচনা করেই প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, নির্বাচিত সংসদ সদস্য থাকুক বা না থাকুক, প্রতিটি জেলার সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। এই উদ্দেশ্যে ৩০ জন মন্ত্রীকে ৬৪টি জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে গাইবান্ধার দায়িত্ব পালন করতে এসেছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র সাত মাস অতিবাহিত হয়েছে। জনগণের ব্যাপক প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা রয়েছে কারণ তারা তাদের অধিকার প্রদান করেছেন এবং সরকার সেই অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে।

এর আগে, সড়কপথে বগুড়ার শিবগঞ্জ হয়ে গাইবান্ধা সার্কিট হাউসে পৌঁছান প্রতিমন্ত্রী। এরপর তিনি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভায় অংশ নেন। বিকেলে তিনি পুনরায় সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন。