তুরস্ককে ৪-১ গোলে হারিয়ে উয়েফা নেশনস লিগে জয়ে ফিরল ইতালি
- আপডেট সময় : ০৯:১৩:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

বেলজিয়ামের কাছে হারের ধাক্কা সামলে উয়েফা নেশনস লিগে জয়ে ফিরেছে ইতালি। গ্রুপ ‘এ’-এর ম্যাচে তুরস্ককে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে রবার্তো মানচিনির দল। এই জয়ে ইতালি নিজেদের হারিয়ে যাওয়া ছন্দ যেমন খুঁজে পেয়েছে, তেমনি সামনে ফ্রান্সের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষার আগে আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়ে নিয়েছে।
বেলজিয়ামের বিপক্ষে ২-০ গোলে হেরে যাওয়া ম্যাচের একাদশ থেকে এই ম্যাচে আটটি পরিবর্তন আনেন ইতালির কোচ রবার্তো মানচিনি। কোচের এই পরীক্ষা দারুণভাবে কাজে লেগেছে। ম্যাচের শুরু থেকেই তুরস্কের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে প্রথমার্ধের প্রথম ৩০ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল আদায় করে নেয় আজ্জুরিরা।
ম্যাচের নবম মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় ইতালি। কর্নার থেকে তুরস্কের ডিফেন্ডাররা বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন আলেসান্দ্রো বাস্তোনি। এরপর ২২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন দাভিদে ফ্রাত্তেসি। এর ঠিক পাঁচ মিনিট পর অভিষেক ম্যাচেই গোল পান মাইকেল কায়োদে। কায়োদের এই গোলটিতে অ্যাসিস্ট করেন ফ্রান্সিসকো এসপোসিতো।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে অবশ্য এক গোল শোধ দেয় তুরস্ক। ৪৭ মিনিটে ইতালির রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে তুরস্কের হয়ে ব্যবধান কমান বারিস ইলমাজ। তবে এর তিন মিনিট পরেই অর্থাৎ ৫০তম মিনিটে ইতালির চতুর্থ গোলটি করেন ফ্রান্সিসকো এসপোসিতো। নিকোলো কামবিয়াঘির শট গোলপোস্টে লেগে ফিরে এলে ফিরতি বলে হেডের মাধ্যমে গোলটি করেন ইন্টার মিলানের এই স্ট্রাইকার।
এই ম্যাচটি এসপোসিতো পরিবারের জন্য ছিল অত্যন্ত বিশেষ। ফ্রান্সিসকো এসপোসিতো ও তাঁর ভাই সেবাস্তিয়ানো এসপোসিতো এদিন একসঙ্গে ইতালির জার্সি গায়ে মাঠে নামেন। এর মাধ্যমে ইতালির জাতীয় দলের ইতিহাসে একই ম্যাচে খেলা চতুর্থ ভাইদের জুটি হিসেবে নাম লেখালেন তাঁরা। এর আগে এই কীর্তি গড়েছিলেন ফিলিপ্পো ও সিমোনে ইনজাগি (২০০০ সালে দুবার), আলদো ও লুইজি চেভেনিনি (১৯১৫ সালে একবার) এবং জুসেপ্পে ও ফেলিচে মিলানোর (১৯১২-১৩ মৌসুমে তিনবার)।
ম্যাচের ৫৭ মিনিটে বারিস ইলমাজ আরও একটি গোল করলেও সেটি অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়। এরপর তুরস্ক কিছুটা আক্রমণাত্মক খেলার চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রাখে ইতালি। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ৪-১ ব্যবধানের স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মানচিনির শিষ্যরা।





























