ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্ববাজারে টানা দ্বিতীয় দিন বাড়ল অপরিশোধিত তেলের দাম কুমিল্লায় পুলিশের রাতভর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৬২৪ ঘনীভূত গভীর নিম্নচাপ, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস তুরস্ককে ৪-১ গোলে হারিয়ে উয়েফা নেশনস লিগে জয়ে ফিরল ইতালি টঙ্গীতে পূর্বশত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা ভ্যাট রিটার্ন দাখিলে তিন মাসের সুবিধা বাতিল করল সরকার মাঠে না নেমেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ওলিসের শেষ মুহূর্তের গোলে বেলজিয়ামকে হারাল ফ্রান্স মিরপুরের রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সীমিত পরিসরে ফিরল টিকাদান কার্যক্রম সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ও রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা: নেপথ্যের হোতারা এখনো অধরা

নলছিটিতে গাছ না লাগিয়েই ১৮ হাজার বৃক্ষরোপণের ভুয়া প্রতিবেদন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:২৪:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় সরকারি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কোনো গাছ না লাগিয়েই সাড়ে ১৮ হাজারেরও বেশি চারা রোপণের ভুয়া প্রতিবেদন জমা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (29 September 2026) তারিখ ভোর ০৫: ২২ (05:22) মিনিটে এই জালিয়াতির তথ্যটি প্রকাশ পায়। উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন পরিষদ ও একটি পৌরসভার বিরুদ্ধে এই অভিনব জালিয়াতির তথ্য সামনে এসেছে, যেখানে বাস্তবে কোনো গাছ না লাগিয়েই কাগজে-কলমে ১৮ হাজার ৫১৯টি বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন দেখানো হয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, এই জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রতি মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে তথ্য ও প্রমাণসহ দাখিল করার নিয়ম রয়েছে। তবে নলছিটির ইউনিয়ন ও পৌর কর্তৃপক্ষ মাঠপর্যায়ে কোনো চারা রোপণ না করেই সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও অসত্য তথ্য দিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েছে বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।

এই অনিয়মের বিষয়ে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাদের মধ্যে চরম সমন্বয়হীনতা এবং দায়িত্ব এড়ানোর প্রবণতা দেখা যায়। এই ঘটনার সঙ্গে দপদপিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জামাল হোসেন, কুলকাঠি ইউনিয়নের প্রশাসক ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ওবায়দুল ইসলাম, সিদ্ধকাঠী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলাম এবং রানাপাশা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লালু হোসেনের নাম জড়িয়েছে।

অন‍্যদিকে, নাচনমহল ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান, কুশঙ্গল ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী হাওলাদার, মোল্লারহাট ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক আবু সালেহ এবং ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম ভিন্ন দাবি করেছেন। তারা জানান, মূলত কোনো ফান্ড বা সরকারি বরাদ্দ না থাকায় তারা বৃক্ষরোপণ করতে পারেননি। তবে উপজেলা পরিষদ থেকে তাগিদ থাকায় ইউনিয়ন পরিষদের সচিবরা তড়িঘড়ি করে এই ভুয়া প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। বরাদ্দ পাওয়া গেলে পরবর্তীতে গাছ লাগানো হবে বলে তারা অজুহাত দেন।

এ বিষয়ে নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌরসভার প্রশাসক প্রতীক কুমার কুন্ডু জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত করা হবে এবং তদন্তে জালিয়াতির প্রমাণ মিললে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

নলছিটিতে গাছ না লাগিয়েই ১৮ হাজার বৃক্ষরোপণের ভুয়া প্রতিবেদন

আপডেট সময় : ০৬:২৪:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় সরকারি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কোনো গাছ না লাগিয়েই সাড়ে ১৮ হাজারেরও বেশি চারা রোপণের ভুয়া প্রতিবেদন জমা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (29 September 2026) তারিখ ভোর ০৫: ২২ (05:22) মিনিটে এই জালিয়াতির তথ্যটি প্রকাশ পায়। উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন পরিষদ ও একটি পৌরসভার বিরুদ্ধে এই অভিনব জালিয়াতির তথ্য সামনে এসেছে, যেখানে বাস্তবে কোনো গাছ না লাগিয়েই কাগজে-কলমে ১৮ হাজার ৫১৯টি বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন দেখানো হয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, এই জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রতি মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে তথ্য ও প্রমাণসহ দাখিল করার নিয়ম রয়েছে। তবে নলছিটির ইউনিয়ন ও পৌর কর্তৃপক্ষ মাঠপর্যায়ে কোনো চারা রোপণ না করেই সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও অসত্য তথ্য দিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েছে বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।

এই অনিয়মের বিষয়ে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাদের মধ্যে চরম সমন্বয়হীনতা এবং দায়িত্ব এড়ানোর প্রবণতা দেখা যায়। এই ঘটনার সঙ্গে দপদপিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জামাল হোসেন, কুলকাঠি ইউনিয়নের প্রশাসক ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ওবায়দুল ইসলাম, সিদ্ধকাঠী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলাম এবং রানাপাশা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লালু হোসেনের নাম জড়িয়েছে।

অন‍্যদিকে, নাচনমহল ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান, কুশঙ্গল ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী হাওলাদার, মোল্লারহাট ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক আবু সালেহ এবং ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম ভিন্ন দাবি করেছেন। তারা জানান, মূলত কোনো ফান্ড বা সরকারি বরাদ্দ না থাকায় তারা বৃক্ষরোপণ করতে পারেননি। তবে উপজেলা পরিষদ থেকে তাগিদ থাকায় ইউনিয়ন পরিষদের সচিবরা তড়িঘড়ি করে এই ভুয়া প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। বরাদ্দ পাওয়া গেলে পরবর্তীতে গাছ লাগানো হবে বলে তারা অজুহাত দেন।

এ বিষয়ে নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌরসভার প্রশাসক প্রতীক কুমার কুন্ডু জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত করা হবে এবং তদন্তে জালিয়াতির প্রমাণ মিললে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh