জবিতে ককটেল বিস্ফোরণের পরিকল্পনার অভিযোগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী আটক
- আপডেট সময় : ০১:৫৯:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় গেট এলাকা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক কর্মীকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। আটক হওয়া ওই কর্মীর নাম মো. সুমন খান মিরাজ। তিনি কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সহ-সম্পাদক বলে জানা গেছে। গত শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ সংক্রান্ত তথ্য ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ রাত ০১: ১৬ মিনিটে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও campus সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট এলাকায় জবি ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থী অবস্থান করছিলেন। এ সময় সুমন নামের ওই যুবককে মুঠোফোনে অন্য কারও সঙ্গে কথা বলতে শোনেন তারা। উপস্থিত শিক্ষার্থীদের দাবি, সুমন ফোনে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো এবং ব্যানার-পোস্টার লাগানোর বিষয়ে আলোচনা করছিলেন। তিনি অপর প্রান্তের ব্যক্তিকে ককটেল ও ব্যানার নিয়ে আসার জন্য বলছিলেন।
বিষয়টি শোনার পর শিক্ষার্থীরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করে তার মুঠোফোন তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার ফোনে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিলে অংশ নেওয়ার ভিডিও পাওয়া যায়। এরপর তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীদের কক্ষে নিয়ে রাখা হয় এবং পরে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আজম খান জানান, রাতে তিনি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। পরে খবর পান যে, ক্যাম্পাসে ককটেল বিস্ফোরণ ও ব্যানার লাগানোর পরিকল্পনার অভিযোগে নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠনের এক কর্মীকে শিক্ষার্থীরা আটক করেছেন। খবর পেয়ে তিনি পুলিশে খবর দেন এবং পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য তার কাছে না থাকায় পরদিন এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আটক সুমন খান মিরাজের স্থায়ী ঠিকানা পটুয়াখালীর বদরপুর এলাকায়। কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কমিটিতে তার পদের বিষয়ে দাবি করা হলেও এ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া ঘটনার বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম রবিউল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া সম্ভব হয়নি।





























