ঢাকা ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এশিয়ান গেমসে চীনের একক আধিপত্য, ১০০ স্বর্ণপদক জয় চুয়াডাঙ্গায় ৫০টি অসহায় পরিবারের হাতে নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর বিশ্বমানের পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী শান্তিগঞ্জে হাওর ও নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি জিয়াউর, সম্পাদক রেদুয়ান জাজিরায় পুলিশ দেখে কেক ও মোটরসাইকেল ফেলে পালালো আ.লীগ নেতাকর্মীরা এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য হুমকি: বক্তারা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের বিশেষ অনুদান দিচ্ছে সরকার, আবেদনের নিয়ম ১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা করছে সরকার সিলেট চেম্বারের নির্বাচন বাতিল, নতুন প্রশাসক এজাজ আহমদ

নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রাথমিক শিক্ষকদের আশ্বস্ত করলেন শিক্ষামন্ত্রী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণ হয়েও যারা নিয়োগপত্র পাননি, তাদের জন্য আশার বার্তা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ১ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের বিষয়টি পরবর্তীতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে। তিনি পর্যায়ক্রমে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগপত্র পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছেন।

শিক্ষামন্ত্রী তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ এর নিয়োগপত্র প্রাপ্তি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত সময়ে উত্তীর্ণ কোনো প্রার্থী নিয়োগপত্র না পেয়ে থাকলে, তা যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে প্রেরণ করা হবে।

এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর জারি করা আদেশে সারাদেশের প্রায় দেড় হাজার সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী বাদ পড়েছেন। তাদের নিয়োগপত্র ইস্যু না করার কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে প্রার্থীদের ব্যক্তিগত ধারণা অনুযায়ী, পুলিশ বা গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনে নেগেটিভ রিপোর্ট আসার কারণেই তারা বাদ পড়েছেন। এই অনিশ্চয়তা নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) শাহীনা ফেরদৌসীসহ সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ফলে বাদ পড়া প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও হাহাকার দেখা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশের মাধ্যমে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। তাতে জেলাভিত্তিক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রাথমিক শিক্ষকদের আশ্বস্ত করলেন শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:১৮:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণ হয়েও যারা নিয়োগপত্র পাননি, তাদের জন্য আশার বার্তা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ১ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের বিষয়টি পরবর্তীতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে। তিনি পর্যায়ক্রমে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগপত্র পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছেন।

শিক্ষামন্ত্রী তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ এর নিয়োগপত্র প্রাপ্তি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত সময়ে উত্তীর্ণ কোনো প্রার্থী নিয়োগপত্র না পেয়ে থাকলে, তা যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে প্রেরণ করা হবে।

এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর জারি করা আদেশে সারাদেশের প্রায় দেড় হাজার সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী বাদ পড়েছেন। তাদের নিয়োগপত্র ইস্যু না করার কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে প্রার্থীদের ব্যক্তিগত ধারণা অনুযায়ী, পুলিশ বা গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনে নেগেটিভ রিপোর্ট আসার কারণেই তারা বাদ পড়েছেন। এই অনিশ্চয়তা নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) শাহীনা ফেরদৌসীসহ সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ফলে বাদ পড়া প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও হাহাকার দেখা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশের মাধ্যমে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। তাতে জেলাভিত্তিক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh