ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাজ্যে মার্কিন বিমানঘাঁটির কাছে গ্রেপ্তার ৫, সরানো হলো ৮৫ পরিবার শরৎ কাল কবিতা ৩২ দলের অংশগ্রহণে বনানীতে সম্পন্ন হলো বাপাউবো ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট কূটনীতির পাশাপাশি সামরিক হামলার জবাব দিতে প্রস্তুত ইরান চুয়াডাঙ্গায় ৩০০ ইয়াবাসহ ৭০ বছর বয়সী নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার বৃষ্টিতে ম্যাচ ভেস্তে গেলেও এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে উঠবে বাংলাদেশ শ্রীনগরে র‌্যাব পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে চাকরিচ্যুত সেনাসহ গ্রেপ্তার ৭ বিরোধী দলকে যুক্ত করে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের পরামর্শ সম্পাদকদের ব্যক্তিগত বিষয় নয়, কাজের সমালোচনা করার আহ্বান জাবি উপাচার্যের ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজে ১৯ জাহাজে হামলা ও মার্কিন ডুবোযান আটক ইরানের

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর শপথ নেওয়া ব্যক্তি পুলিশের জালে

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৩:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার শপথ নেওয়ার দুদিন পর এক ব্যক্তিকে পুলিশের হাতে আটক হতে হয়েছে। সম্প্রতি এই শপথ নেওয়ার ঘটনাটি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। ২০১৪ সালের নির্বাচনে জয়ের পর তিনি তৃতীয়বারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তিনি দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান। এর আগে ১৯৯৬ এবং ২০০৯ সালেও তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮১ সাল থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন শেখ হাসিনা। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের পাঁচ সন্তানের মধ্যে বড়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৩ সালে স্নাতক সম্পন্ন করা শেখ হাসিনা ছাত্রজীবন থেকেই গণ-আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সময় বোন শেখ রেহানাসহ তিনি বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। এরপর দীর্ঘ ছয় বছর ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকার পর ১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি দেশে ফিরে আসেন।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিকবার কারাবরণ ও গৃহবন্দী হয়েছেন। ১৯৮৩, ১৯৮৪, ১৯৮৫, ১৯৮৬, ১৯৮৭, ১৯৮৯ এবং ১৯৯০ সালে বিভিন্ন সময়ে তাঁকে আটক বা গৃহবন্দী রাখা হয়েছিল। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি প্রায় ১১ মাস কারাভোগ করেন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে জনসভায় গ্রেনেড হামলায় তিনি অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও দলের ২২ জন নেতা-কর্মী নিহত হন।

শান্তি, গণতন্ত্র এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পুরস্কার ও ডিগ্রি পেয়েছেন। এর মধ্যে ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কোর ‘হুপে-বোয়ানি’ শান্তি পুরস্কার, ২০১৫ সালে জাতিসংঘ পরিবেশ উন্নয়ন কর্মসূচির ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ’ এবং আইটিইউ-এর ‘আইসিটি ইন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ উল্লেখযোগ্য। তিনি ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’সহ বেশ কয়েকটি গ্রন্থের রচয়িতা। তাঁর স্বামী পরমাণুবিজ্ঞানী ড. এম ওয়াজেদ মিয়া ২০০৯ সালে ইন্তেকাল করেন। তাঁর ছেলে সজীব আহমেদ ওয়াজেদ এবং মেয়ে সায়মা হোসেন ওয়াজেদ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর শপথ নেওয়া ব্যক্তি পুলিশের জালে

আপডেট সময় : ০৬:৪৩:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার শপথ নেওয়ার দুদিন পর এক ব্যক্তিকে পুলিশের হাতে আটক হতে হয়েছে। সম্প্রতি এই শপথ নেওয়ার ঘটনাটি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। ২০১৪ সালের নির্বাচনে জয়ের পর তিনি তৃতীয়বারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তিনি দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান। এর আগে ১৯৯৬ এবং ২০০৯ সালেও তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮১ সাল থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন শেখ হাসিনা। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের পাঁচ সন্তানের মধ্যে বড়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৩ সালে স্নাতক সম্পন্ন করা শেখ হাসিনা ছাত্রজীবন থেকেই গণ-আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সময় বোন শেখ রেহানাসহ তিনি বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। এরপর দীর্ঘ ছয় বছর ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকার পর ১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি দেশে ফিরে আসেন।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিকবার কারাবরণ ও গৃহবন্দী হয়েছেন। ১৯৮৩, ১৯৮৪, ১৯৮৫, ১৯৮৬, ১৯৮৭, ১৯৮৯ এবং ১৯৯০ সালে বিভিন্ন সময়ে তাঁকে আটক বা গৃহবন্দী রাখা হয়েছিল। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি প্রায় ১১ মাস কারাভোগ করেন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে জনসভায় গ্রেনেড হামলায় তিনি অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও দলের ২২ জন নেতা-কর্মী নিহত হন।

শান্তি, গণতন্ত্র এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পুরস্কার ও ডিগ্রি পেয়েছেন। এর মধ্যে ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কোর ‘হুপে-বোয়ানি’ শান্তি পুরস্কার, ২০১৫ সালে জাতিসংঘ পরিবেশ উন্নয়ন কর্মসূচির ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ’ এবং আইটিইউ-এর ‘আইসিটি ইন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ উল্লেখযোগ্য। তিনি ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’সহ বেশ কয়েকটি গ্রন্থের রচয়িতা। তাঁর স্বামী পরমাণুবিজ্ঞানী ড. এম ওয়াজেদ মিয়া ২০০৯ সালে ইন্তেকাল করেন। তাঁর ছেলে সজীব আহমেদ ওয়াজেদ এবং মেয়ে সায়মা হোসেন ওয়াজেদ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo