ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত
- আপডেট সময় : ১০:৩৪:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য দাবির প্রতি বাংলাদেশের অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে দেওয়া ভাষণে তিনি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের দুর্দশা নিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের মনে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। তিনি বিশ্বনেতাদের সামনে এই সংকট তুলে ধরে বলেন, আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার এবং একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের অধিকারসহ ফিলিস্তিনিদের সব ন্যায্য দাবির প্রতি বাংলাদেশ পুনরায় তার অবিচল সমর্থন জানাচ্ছে।
বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিকে অভিনন্দন জানান এবং দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশের পূর্ণ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন। একইসঙ্গে তিনি বিদায়ী সভাপতি ম্যাডাম এনালেনা বেয়ারবক-কেও তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্বের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
ভাষণে বৈশ্বিক সংঘাত ও যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবসৃষ্ট সংঘাতের ফলে বর্তমানে অনেক দেশ অশান্ত। এর ফলে বিপুল সংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে এবং মানবিক সংকট তৈরি হচ্ছে। তিনি এমন একটি শান্তিময় বিশ্ব গড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, যেখানে মারণাস্ত্রের পরিবর্তে যুক্তি, কূটনীতি, শিক্ষা ও মানবতা পরিবর্তনের হাতিয়ার হবে। জাতিসংঘকে একে অপরের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একটি সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখার প্রত্যাশা করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বাংলাদেশের সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এবং স্বাধীনতার পর থেকে গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মত্যাগকারীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। একইসঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের অবদানের কথাও তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, দেড় দশকের বেশি সময়ের আন্দোলন-সংগ্রামের পথ ধরে বাংলাদেশ এখন ফ্যাসিবাদমুক্ত।




























